সংবাদ

রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ইইউ, অনুদান ১৫৪ কোটি টাকা


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম

রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ইইউ, অনুদান ১৫৪ কোটি টাকা
ছবি : সংগৃহীত

কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য জরুরি সহায়তা ও সুরক্ষা কার্যক্রম চালাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) তাদের অংশীদারিত্ব নবায়ন করেছে। এ উদ্যোগে ইইউ অতিরিক্ত ১ দশমিক ৪ কোটি ইউরো অনুদান দিচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ইউএনএইচসিআর এ তথ্য জানিয়েছে। অর্থায়নে কক্সবাজারের প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় প্রায় ৭০ হাজার বাংলাদেশি আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠী উপকৃত হবে।

বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, ‘দীর্ঘস্থায়ী এই সংকটে এখন শুধু জরুরি সহায়তা নয়, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও আয়ের সুযোগ তৈরির দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন।’

এই সহায়তার আওতায় বাড়ানো হবে পরিচ্ছন্ন রান্নার জ্বালানি হিসেবে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ব্যবহারের সুযোগ। এতে নারীদের কাঠ সংগ্রহে বাইরে যেতে হবে না, ফলে নিরাপত্তা বাড়বে এবং বন উজাড় ও স্বাস্থ্যঝুঁকি কমবে। বাড়ানো হবে দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রমও।

ইউএনএইচসিআরের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইসেন বলেন, ‘দীর্ঘ ৯ বছর ধরে কঠিন পরিস্থিতিতে থাকা রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর জন্য ধারাবাহিক সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সহযোগিতা তাদের সুরক্ষা, মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং নিরাপদ ভবিষ্যতের আশা ধরে রাখতে সহায়ক হবে।’

বিশেষ করে নারী ও শিশুরা জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা, মানব পাচার ও শোষণের ঝুঁকিতে বেশি থাকেন। ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্পগুলোতে নিরাপদ আশ্রয়, পর্যাপ্ত আলো ও কমিউনিটিভিত্তিক সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

২০ জুন বিশ্ব শরণার্থী দিবসের আগে এই সহায়তা ঘোষণা করা হলো। রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ২০২৫–২০২৬ সালের যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনা (জেআরপি) বাস্তবায়নে ইউএনএইচসিআর বাংলাদেশ সরকার ও মানবিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ করছে। চলতি বছর এই পরিকল্পনার জন্য প্রায় ৭১ কোটি মার্কিন ডলার প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬


রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ইইউ, অনুদান ১৫৪ কোটি টাকা

প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬

featured Image

কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য জরুরি সহায়তা ও সুরক্ষা কার্যক্রম চালাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) তাদের অংশীদারিত্ব নবায়ন করেছে। এ উদ্যোগে ইইউ অতিরিক্ত ১ দশমিক ৪ কোটি ইউরো অনুদান দিচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ইউএনএইচসিআর এ তথ্য জানিয়েছে। অর্থায়নে কক্সবাজারের প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় প্রায় ৭০ হাজার বাংলাদেশি আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠী উপকৃত হবে।

বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, ‘দীর্ঘস্থায়ী এই সংকটে এখন শুধু জরুরি সহায়তা নয়, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও আয়ের সুযোগ তৈরির দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন।’

এই সহায়তার আওতায় বাড়ানো হবে পরিচ্ছন্ন রান্নার জ্বালানি হিসেবে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ব্যবহারের সুযোগ। এতে নারীদের কাঠ সংগ্রহে বাইরে যেতে হবে না, ফলে নিরাপত্তা বাড়বে এবং বন উজাড় ও স্বাস্থ্যঝুঁকি কমবে। বাড়ানো হবে দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রমও।

ইউএনএইচসিআরের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইসেন বলেন, ‘দীর্ঘ ৯ বছর ধরে কঠিন পরিস্থিতিতে থাকা রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর জন্য ধারাবাহিক সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সহযোগিতা তাদের সুরক্ষা, মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং নিরাপদ ভবিষ্যতের আশা ধরে রাখতে সহায়ক হবে।’

বিশেষ করে নারী ও শিশুরা জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা, মানব পাচার ও শোষণের ঝুঁকিতে বেশি থাকেন। ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্পগুলোতে নিরাপদ আশ্রয়, পর্যাপ্ত আলো ও কমিউনিটিভিত্তিক সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

২০ জুন বিশ্ব শরণার্থী দিবসের আগে এই সহায়তা ঘোষণা করা হলো। রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ২০২৫–২০২৬ সালের যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনা (জেআরপি) বাস্তবায়নে ইউএনএইচসিআর বাংলাদেশ সরকার ও মানবিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ করছে। চলতি বছর এই পরিকল্পনার জন্য প্রায় ৭১ কোটি মার্কিন ডলার প্রয়োজন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত