পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনায় দুপুর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে চিত্র অনেকটাই স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত প্রবণতা অনুযায়ী, মোট ২৯৩টি আসনের যে ট্রেন্ড বা প্রবণতা পাওয়া গিয়েছে তাতে অনেক এগিয়ে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গে ২৯৪ আসনের বিধানসভায় একটি আসনে ভোট স্থগিত করে নতুন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।
সর্বশেষ খবরে দেখা যাচ্ছে বিজেপি ১৯৩ আসনে এগিয়ে। আর তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে ৯৪ আসনে। সিপিএম ১টি, কংগ্রেস ১টি এবং অন্যান্যরা ৫টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য ১৪৮ আসন প্রয়োজন।
তৃণমূল কংগ্রেস বেশীরভাগ আসনে পিছিয়ে থাকার ইঙ্গিত সামনে আসতেই ভোটগণনা প্রক্রিয়া নিয়ে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেছেন, গণনার তথ্য ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে এবং বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে দেখানো পরিসংখ্যানের মিল নেই।
আর দলের নেতা-কর্মীদের বার্তা দিলেন, ‘কেউ যেন ভেঙে না পড়েন।’ সূর্যাস্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বললেন দলের সবাইকে। মমতার দাবি, জয় তৃণমূলেরই হবে।
একটি সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া বার্তায় তিনি বলেন, “সবকিছু ভুলভাবে রিপোর্ট করা হচ্ছে।” তার অভিযোগ, গণনা প্রক্রিয়ায় অনিয়ম হচ্ছে এবং কিছু তথ্য ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত করা হচ্ছে।
সোমবার দুপুরে সামাজিকমাধ্যমে ভিডিওবার্তায় মমতা বলেন, “দয়া করে কোনও (তৃণমূল) প্রার্থী এবং কাউন্টিং এজেন্ট গণনাকেন্দ্র ছেড়ে আসবেন না। এটা বিজেপির প্ল্যান (পরিকল্পনা)।” তিনি বলেন, “আমি গতকাল থেকে বলছি, ওদেরগুলো আগে দেখাবে। আমাদেরগুলো পরে দেখাবে। অনেক জায়গায় কাউন্টিংয়ের বন্ধ করে রেখে দিয়েছে।”
মমতা আরও বলেন, ‘“কেন্দ্র জোর করে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে তৃণমূলের উপর অত্যাচার করছে। অফিস ভাঙছে। জোর করে দখল করছে। এসআইআরের নামে ভোট লুট করেছে।”
নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থার পক্ষ থেকে এই অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বর্তমান ট্রেন্ড অনুযায়ী বিজেপির এগিয়ে থাকা যদি শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে, তাহলে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে বড় ধরনের পালাবদল ঘটতে পারে। তবে এখনও সমস্ত রাউন্ডের গণনা শেষ হয়নি—বিশেষ করে গ্রামীণ ও সংখ্যালঘু অধ্যুষিত বহু কেন্দ্রে পরবর্তী রাউন্ডে ফল ঘুরে যাওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
তবে তৃণমূলের তরফে গণনা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলা রাজনৈতিক চাপ বাড়ানোর কৌশল বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ। এতে গণনার স্বচ্ছতা নিয়েও নতুন করে বিতর্ক তৈরি হতে পারে।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনায় দুপুর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে চিত্র অনেকটাই স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত প্রবণতা অনুযায়ী, মোট ২৯৩টি আসনের যে ট্রেন্ড বা প্রবণতা পাওয়া গিয়েছে তাতে অনেক এগিয়ে বিজেপি। পশ্চিমবঙ্গে ২৯৪ আসনের বিধানসভায় একটি আসনে ভোট স্থগিত করে নতুন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে।
সর্বশেষ খবরে দেখা যাচ্ছে বিজেপি ১৯৩ আসনে এগিয়ে। আর তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে ৯৪ আসনে। সিপিএম ১টি, কংগ্রেস ১টি এবং অন্যান্যরা ৫টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য ১৪৮ আসন প্রয়োজন।
তৃণমূল কংগ্রেস বেশীরভাগ আসনে পিছিয়ে থাকার ইঙ্গিত সামনে আসতেই ভোটগণনা প্রক্রিয়া নিয়ে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেছেন, গণনার তথ্য ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে এবং বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে দেখানো পরিসংখ্যানের মিল নেই।
আর দলের নেতা-কর্মীদের বার্তা দিলেন, ‘কেউ যেন ভেঙে না পড়েন।’ সূর্যাস্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বললেন দলের সবাইকে। মমতার দাবি, জয় তৃণমূলেরই হবে।
একটি সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া বার্তায় তিনি বলেন, “সবকিছু ভুলভাবে রিপোর্ট করা হচ্ছে।” তার অভিযোগ, গণনা প্রক্রিয়ায় অনিয়ম হচ্ছে এবং কিছু তথ্য ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত করা হচ্ছে।
সোমবার দুপুরে সামাজিকমাধ্যমে ভিডিওবার্তায় মমতা বলেন, “দয়া করে কোনও (তৃণমূল) প্রার্থী এবং কাউন্টিং এজেন্ট গণনাকেন্দ্র ছেড়ে আসবেন না। এটা বিজেপির প্ল্যান (পরিকল্পনা)।” তিনি বলেন, “আমি গতকাল থেকে বলছি, ওদেরগুলো আগে দেখাবে। আমাদেরগুলো পরে দেখাবে। অনেক জায়গায় কাউন্টিংয়ের বন্ধ করে রেখে দিয়েছে।”
মমতা আরও বলেন, ‘“কেন্দ্র জোর করে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে তৃণমূলের উপর অত্যাচার করছে। অফিস ভাঙছে। জোর করে দখল করছে। এসআইআরের নামে ভোট লুট করেছে।”
নির্বাচন কমিশন বা সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থার পক্ষ থেকে এই অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বর্তমান ট্রেন্ড অনুযায়ী বিজেপির এগিয়ে থাকা যদি শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে, তাহলে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে বড় ধরনের পালাবদল ঘটতে পারে। তবে এখনও সমস্ত রাউন্ডের গণনা শেষ হয়নি—বিশেষ করে গ্রামীণ ও সংখ্যালঘু অধ্যুষিত বহু কেন্দ্রে পরবর্তী রাউন্ডে ফল ঘুরে যাওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
তবে তৃণমূলের তরফে গণনা প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলা রাজনৈতিক চাপ বাড়ানোর কৌশল বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ। এতে গণনার স্বচ্ছতা নিয়েও নতুন করে বিতর্ক তৈরি হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন