দীর্ঘদিনের টানাপড়েন কাটিয়ে ঢাকা ও দিল্লি পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সব শ্রেণির ভারতীয় নাগরিকের জন্য ভিসা দেওয়া শুরু করলেও কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ভারতও ধাপে ধাপে ভিসা পরিষেবা পুরোদমে চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
গেল মাসে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ভারত সফরকালে ভিসা স্বাভাবিকীকরণকে অন্যতম মূল ইস্যু হিসেবে তুলে ধরেন। বর্তমানে নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন ও কলকাতা, আগরতলা, মুম্বই ও চেন্নাইয়ে কনস্যুলার শাখাগুলো পুরোদমে কার্যকর রয়েছে। ঢাকা আশা করছে, খুব শিগগির ভারতও ভিসা ইস্যুতে একই সাড়া দেবে।
ভারতীয় ভিসা পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ ছিল না উল্লেখ করে দিল্লির এক সরকারি সূত্র জানায়, গত বছর নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে ভিসা পরিষেবা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল না। জরুরি চিকিৎসা ও পারিবারিক প্রয়োজনে কেস টু কেস ভিত্তিতে ভিসা দেওয়া হতো। সূত্র জানায়, বর্তমানে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারত ভিসা পরিষেবা আগের ধারণক্ষমতার ১৫ থেকে ২০ শতাংশে চলছে।
চিকিৎসা ও পারিবারিক ভিসাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। ভারতের নতুন হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী দায়িত্ব নেওয়ার পর পূর্ণাঙ্গ ভিসা পরিষেবা দ্রুত চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্র জানায়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যক্রম শুরুর পর গত দুই মাসে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ১৩ হাজারের বেশি ভিসা ইস্যু করা হয়েছে। এসব ভিসার মধ্যে ব্যবসা, পর্যটন, চিকিৎসা ও পারিবারিক সফরের সুযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে, ভারতের পর্যটন খাতে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ২০২৩ সালে প্রায় ২১ দশমিক ২ লাখ বাংলাদেশি পর্যটক ভারতে আসেন। ২০২৪ সালে তা কিছুটা কমে ১৭ দশমিক ৫ লাখে নেমে আসে। ২০২৫ সালে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও ভিসা বিধিনিষেধের কারণে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পর্যটক আগমন নেমে আসে ৪ দশমিক ৭ লাখে।
‘বিগত কয়েক মাসের অস্থিরতার পর ঢাকা ও দিল্লি সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে প্রথম ধাপ হিসেবে ভিসা পরিষেবা পুরোদমে চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একবার ভিসা প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হলে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও জ্বালানি সংযোগসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র জানায়, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক যোগাযোগও শুরু হতে পারে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারত ডিজেল পরিবহন করেছে। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
দীর্ঘদিনের টানাপড়েন কাটিয়ে ঢাকা ও দিল্লি পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সব শ্রেণির ভারতীয় নাগরিকের জন্য ভিসা দেওয়া শুরু করলেও কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ভারতও ধাপে ধাপে ভিসা পরিষেবা পুরোদমে চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
গেল মাসে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ভারত সফরকালে ভিসা স্বাভাবিকীকরণকে অন্যতম মূল ইস্যু হিসেবে তুলে ধরেন। বর্তমানে নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন ও কলকাতা, আগরতলা, মুম্বই ও চেন্নাইয়ে কনস্যুলার শাখাগুলো পুরোদমে কার্যকর রয়েছে। ঢাকা আশা করছে, খুব শিগগির ভারতও ভিসা ইস্যুতে একই সাড়া দেবে।
ভারতীয় ভিসা পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ ছিল না উল্লেখ করে দিল্লির এক সরকারি সূত্র জানায়, গত বছর নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে ভিসা পরিষেবা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল না। জরুরি চিকিৎসা ও পারিবারিক প্রয়োজনে কেস টু কেস ভিত্তিতে ভিসা দেওয়া হতো। সূত্র জানায়, বর্তমানে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারত ভিসা পরিষেবা আগের ধারণক্ষমতার ১৫ থেকে ২০ শতাংশে চলছে।
চিকিৎসা ও পারিবারিক ভিসাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। ভারতের নতুন হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী দায়িত্ব নেওয়ার পর পূর্ণাঙ্গ ভিসা পরিষেবা দ্রুত চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্র জানায়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যক্রম শুরুর পর গত দুই মাসে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ১৩ হাজারের বেশি ভিসা ইস্যু করা হয়েছে। এসব ভিসার মধ্যে ব্যবসা, পর্যটন, চিকিৎসা ও পারিবারিক সফরের সুযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে, ভারতের পর্যটন খাতে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ২০২৩ সালে প্রায় ২১ দশমিক ২ লাখ বাংলাদেশি পর্যটক ভারতে আসেন। ২০২৪ সালে তা কিছুটা কমে ১৭ দশমিক ৫ লাখে নেমে আসে। ২০২৫ সালে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও ভিসা বিধিনিষেধের কারণে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পর্যটক আগমন নেমে আসে ৪ দশমিক ৭ লাখে।
‘বিগত কয়েক মাসের অস্থিরতার পর ঢাকা ও দিল্লি সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে প্রথম ধাপ হিসেবে ভিসা পরিষেবা পুরোদমে চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একবার ভিসা প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হলে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও জ্বালানি সংযোগসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র জানায়, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক যোগাযোগও শুরু হতে পারে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারত ডিজেল পরিবহন করেছে। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

আপনার মতামত লিখুন