জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা পৃথক চার মামলায় সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবুল কালাম আজাদকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার (৩ মে) দিবাগত রাতে পাবনা শহরের গোপালপুর এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
দুদকের পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তারের পর রাতেই তাকে পাবনা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়। সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে পাবনা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অনুসন্ধান শুরু হয়। ২০২৪ সালের মে মাসে তিনিসহ তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুন ও ছেলে ফজলে রাব্বি রিয়নের বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেয় দুদক। পরে তাদের দাখিল করা সম্পদ বিবরণী যাচাই শেষে গত ১১ মার্চ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, পিআইও আবুল কালাম আজাদ ১ কোটি ৩২ লাখ ৪৬ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুনের নামে ১ কোটি ৫৬ লাখ ৮৩ হাজার ৪১৩ টাকা এবং ছেলে ফজলে রাব্বি রিয়নের নামে ১ কোটি ১৫ লাখ ৩৬ হাজার ৯৪১ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব সম্পদ অর্জনে আবুল কালাম আজাদ প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
এ ছাড়া তার শ্যালক জামাল উদ্দিন ফকিরের নামেও অস্বাভাবিক সম্পদের তথ্য পায় দুদক। তার দেওয়া বিবরণী অনুযায়ী, ৩২ লাখ ৪৬ হাজার টাকার স্থাবর ও ১ কোটি ৫৯ লাখ ৪০ হাজার ১৮২ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এ ঘটনায় গত বছরের ২৩ অক্টোবর আরেকটি মামলা করেন সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর। ওই মামলায় শ্যালক জামাল উদ্দিনকে প্রধান ও দুলাভাই আবুল কালাম আজাদকে দ্বিতীয় আসামি করা হয়েছে।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বলেন, দুদকের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া পিআইওকে থানায় হস্তান্তরের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা পৃথক চার মামলায় সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবুল কালাম আজাদকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার (৩ মে) দিবাগত রাতে পাবনা শহরের গোপালপুর এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
দুদকের পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তারের পর রাতেই তাকে পাবনা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়। সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে পাবনা জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালে আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অনুসন্ধান শুরু হয়। ২০২৪ সালের মে মাসে তিনিসহ তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুন ও ছেলে ফজলে রাব্বি রিয়নের বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেয় দুদক। পরে তাদের দাখিল করা সম্পদ বিবরণী যাচাই শেষে গত ১১ মার্চ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, পিআইও আবুল কালাম আজাদ ১ কোটি ৩২ লাখ ৪৬ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুনের নামে ১ কোটি ৫৬ লাখ ৮৩ হাজার ৪১৩ টাকা এবং ছেলে ফজলে রাব্বি রিয়নের নামে ১ কোটি ১৫ লাখ ৩৬ হাজার ৯৪১ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব সম্পদ অর্জনে আবুল কালাম আজাদ প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
এ ছাড়া তার শ্যালক জামাল উদ্দিন ফকিরের নামেও অস্বাভাবিক সম্পদের তথ্য পায় দুদক। তার দেওয়া বিবরণী অনুযায়ী, ৩২ লাখ ৪৬ হাজার টাকার স্থাবর ও ১ কোটি ৫৯ লাখ ৪০ হাজার ১৮২ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। এ ঘটনায় গত বছরের ২৩ অক্টোবর আরেকটি মামলা করেন সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর। ওই মামলায় শ্যালক জামাল উদ্দিনকে প্রধান ও দুলাভাই আবুল কালাম আজাদকে দ্বিতীয় আসামি করা হয়েছে।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বলেন, দুদকের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া পিআইওকে থানায় হস্তান্তরের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন