কিশোরগঞ্জ জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নবঘোষিত আংশিক কমিটিকে ‘সিন্ডিকেট কমিটি’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন সংগঠনটির একাংশের নেতাকর্মীরা। সোমবার (৪ মে) দুপুরে এই কমিটি বাতিলের দাবিতে শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করা হয়েছে। সমাবেশ থেকে জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরীফুল আলমকে ছাত্রদলের ওই অংশের নেতাকর্মীরা ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে শহরের পুরানথানা এলাকা থেকে ছাত্রদলের একাংশের একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে গৌরাঙ্গবাজার মোড়ে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। মিছিল চলাকালে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা জেলা বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, গত বছরের ১৫ মে জেলা ছাত্রদলের পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু কোনো কারণ ছাড়াই মাত্র ২৪ দিনের মাথায় সেই কমিটি স্থগিত করে কেন্দ্র। ওই কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক ছিলেন রাজপথের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত রেদুয়ান রহমান ওয়াকিউর। গত ২ মে কেন্দ্র থেকে যে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে, সেখানে আগের চারজনকে বহাল রাখা হলেও রহস্যজনকভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে শুধু রেদুয়ান রহমানকে।
বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের দাবি, বিগত দিনের আন্দোলনে রাজপথে রেদুয়ান রহমানের সক্রিয় ভূমিকা থাকলেও তাকে বাদ দিয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি তার অনুগতদের দিয়ে ‘পছন্দসই’ কমিটি করিয়েছেন। শরীফুল আলম জেলা বিএনপিতে নিজের একক আধিপত্য বজায় রাখতে এই ‘সিন্ডিকেট’ করেছেন অভিযোগ করে সমাবেশে তাকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করা হয়।
সমাবেশে বক্তব্য দেন কিশোরগঞ্জ পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক পাভেল হাসান, গুরুদয়াল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াদ আজিজ প্রমুখ। কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
উল্লেখ্য, গত ২ মে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি অনুমোদন দেন। এতে শরীফুল ইসলাম নিশাদকে সভাপতি ও রাফিউল ইসলাম নওশাদকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
কিশোরগঞ্জ জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নবঘোষিত আংশিক কমিটিকে ‘সিন্ডিকেট কমিটি’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন সংগঠনটির একাংশের নেতাকর্মীরা। সোমবার (৪ মে) দুপুরে এই কমিটি বাতিলের দাবিতে শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করা হয়েছে। সমাবেশ থেকে জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরীফুল আলমকে ছাত্রদলের ওই অংশের নেতাকর্মীরা ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে শহরের পুরানথানা এলাকা থেকে ছাত্রদলের একাংশের একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে গৌরাঙ্গবাজার মোড়ে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। মিছিল চলাকালে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা জেলা বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, গত বছরের ১৫ মে জেলা ছাত্রদলের পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু কোনো কারণ ছাড়াই মাত্র ২৪ দিনের মাথায় সেই কমিটি স্থগিত করে কেন্দ্র। ওই কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক ছিলেন রাজপথের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত রেদুয়ান রহমান ওয়াকিউর। গত ২ মে কেন্দ্র থেকে যে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে, সেখানে আগের চারজনকে বহাল রাখা হলেও রহস্যজনকভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে শুধু রেদুয়ান রহমানকে।
বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের দাবি, বিগত দিনের আন্দোলনে রাজপথে রেদুয়ান রহমানের সক্রিয় ভূমিকা থাকলেও তাকে বাদ দিয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি তার অনুগতদের দিয়ে ‘পছন্দসই’ কমিটি করিয়েছেন। শরীফুল আলম জেলা বিএনপিতে নিজের একক আধিপত্য বজায় রাখতে এই ‘সিন্ডিকেট’ করেছেন অভিযোগ করে সমাবেশে তাকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করা হয়।
সমাবেশে বক্তব্য দেন কিশোরগঞ্জ পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক পাভেল হাসান, গুরুদয়াল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াদ আজিজ প্রমুখ। কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
উল্লেখ্য, গত ২ মে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি অনুমোদন দেন। এতে শরীফুল ইসলাম নিশাদকে সভাপতি ও রাফিউল ইসলাম নওশাদকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন