মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিপশন) ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ও ঘুমের ওষুধ বিক্রি বন্ধে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। একই সঙ্গে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৪ মে) সকালে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। স্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় জানানো হয়, উপজেলার বেশ কিছু বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকে লাইসেন্স, অগ্নিনিরাপত্তা সনদ, পরিবেশগত ছাড়পত্র ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি রয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠানে নিবন্ধিত চিকিৎসকের উপস্থিতি নিয়মিত নয় এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবলের সংকটও রয়েছে। এসব অনিয়ম দূর করতে সংশ্লিষ্টদের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
লৌহজং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফাহমিদা লস্করের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. এরফানুর রহমান। সভায় বক্তব্য দেন লৌহজং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বোরহান উল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী মো. রেজাউল ইসলাম, স্যানিটারি পরিদর্শক নাজমুল হোসেন, বিক্রমপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. মাসুদ খান প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, চিকিৎসা বর্জ্য সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা না হলে জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। যত্রতত্র বর্জ্য না ফেলে আধুনিক পদ্ধতিতে তা নিষ্কাশনের তাগিদ দেওয়া হয়। এ ছাড়া ফার্মেসিগুলোতে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া উচ্চমাত্রার ওষুধ বিক্রি বন্ধে নিয়মিত তদারকি জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক মালিক সমিতি, বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি এবং বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আপনার মতামত লিখুন