রংপুরের গঙ্গাচড়ায় আলু চাষিরা চলতি মৌসুমে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। সুতলি পোকার আক্রমণে সংরক্ষিত আলু নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আলু চাষিরা বলছেন, উৎপাদন খরচ প্রতি কেজিতে ১৫-১৯ টাকা। আর বাজারে আলুর দাম ৪-৭ টাকা। ফলে কৃষকদের লোকসান গুনতে হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ বছর আলুর উৎপাদন বেড়েছে। যে কারণে বাজারে সরবরাহ বেশি, দাম কম। আগাম বৃষ্টির ফলে কিছু আলু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংরক্ষণের সময় আর্দ্রতার কারণে আলুতে পোকার আক্রমণ বেড়েছে। বেশির ভাগ কৃষক বাড়িতে স্তূপ করে আলু রাখায় সমস্যা আরও বেড়েছে। উপজেলার একমাত্র হিমাগারের ধারণক্ষমতা সীমিত। হিমাগার ইতোমধ্যে প্রায় পূর্ণ হয়ে গেছে। অনেক চাষি ঘরে আলু রাখতে বাধ্য হয়েছেন।
কৃষি বিভাগ আগে থেকেই পরামর্শ দিয়েছিল যে আলু শুকিয়ে, মাচায় রেখে নিয়মিত বাছাই করে সংরক্ষণ করতে হবে। অনেক কৃষক পরামর্শ মেনে কাজ করতে পারেননি। তবে সমস্যার মূল কারণ শুধু সংরক্ষণ পদ্ধতি নয়। চাহিদা-উৎপাদনের ভারসাম্যহীনতা, বাজার ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা, সীমিত সংরক্ষণ সুবিধা প্রভৃতি কারণে সংকট তৈরি হয়েছে।
দিন কয়েক আগে জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, উত্তরবঙ্গের উদ্বৃত্ত আলুর ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হিমাগার তৈরি কর হাবে। তিনি আলুর চিপস কারখানা নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও বলেছেন। এটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ। তবে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দ্রুততা ও কার্যকারিতা জরুরি।
বর্তমান পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি দুই ধরনের উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। পোকায় আক্রান্ত আলু দ্রুত আলাদা করতে হবে। সঠিক পদ্ধতিতে আলু সংরক্ষণ করতে হবে। কৃষকদের হাতে এ সংক্রান্ত সহজ নির্দেশিকা পৌঁছে দেয়া জরুরি। পাশাপাশি বাজারে ন্যূনতম মূল্য নিশ্চিত করার কার্যকর ব্যবস্থা থাকতে হবে। কৃষককে যেন উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে আলু বিক্রি করতে না হয় সেই চেষ্টা করা দরকার।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় আলু চাষিরা চলতি মৌসুমে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। সুতলি পোকার আক্রমণে সংরক্ষিত আলু নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আলু চাষিরা বলছেন, উৎপাদন খরচ প্রতি কেজিতে ১৫-১৯ টাকা। আর বাজারে আলুর দাম ৪-৭ টাকা। ফলে কৃষকদের লোকসান গুনতে হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ বছর আলুর উৎপাদন বেড়েছে। যে কারণে বাজারে সরবরাহ বেশি, দাম কম। আগাম বৃষ্টির ফলে কিছু আলু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংরক্ষণের সময় আর্দ্রতার কারণে আলুতে পোকার আক্রমণ বেড়েছে। বেশির ভাগ কৃষক বাড়িতে স্তূপ করে আলু রাখায় সমস্যা আরও বেড়েছে। উপজেলার একমাত্র হিমাগারের ধারণক্ষমতা সীমিত। হিমাগার ইতোমধ্যে প্রায় পূর্ণ হয়ে গেছে। অনেক চাষি ঘরে আলু রাখতে বাধ্য হয়েছেন।
কৃষি বিভাগ আগে থেকেই পরামর্শ দিয়েছিল যে আলু শুকিয়ে, মাচায় রেখে নিয়মিত বাছাই করে সংরক্ষণ করতে হবে। অনেক কৃষক পরামর্শ মেনে কাজ করতে পারেননি। তবে সমস্যার মূল কারণ শুধু সংরক্ষণ পদ্ধতি নয়। চাহিদা-উৎপাদনের ভারসাম্যহীনতা, বাজার ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা, সীমিত সংরক্ষণ সুবিধা প্রভৃতি কারণে সংকট তৈরি হয়েছে।
দিন কয়েক আগে জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, উত্তরবঙ্গের উদ্বৃত্ত আলুর ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হিমাগার তৈরি কর হাবে। তিনি আলুর চিপস কারখানা নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও বলেছেন। এটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ। তবে পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দ্রুততা ও কার্যকারিতা জরুরি।
বর্তমান পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘমেয়াদি দুই ধরনের উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। পোকায় আক্রান্ত আলু দ্রুত আলাদা করতে হবে। সঠিক পদ্ধতিতে আলু সংরক্ষণ করতে হবে। কৃষকদের হাতে এ সংক্রান্ত সহজ নির্দেশিকা পৌঁছে দেয়া জরুরি। পাশাপাশি বাজারে ন্যূনতম মূল্য নিশ্চিত করার কার্যকর ব্যবস্থা থাকতে হবে। কৃষককে যেন উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে আলু বিক্রি করতে না হয় সেই চেষ্টা করা দরকার।

আপনার মতামত লিখুন