লেবাননের বৈরুতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত বাংলাদেশি নারী শ্রমিক দিপালী বেগমের (৩৪) মরদেহ এক মাস পর দেশে পৌঁছেছে। আজ শুক্রবার (৮ মে )সকাল সাড়ে সাতটার দিকে তাঁর গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার শালেপুরে দিপালীর মরদেহ পৌঁছায়।
এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দিপালীর মরদেহবাহী উড়োজাহাজ অবতরণ করে। সেখানে মরদেহ গ্রহণ করতে উপস্থিত ছিলেন দিপালীর বাবা শেখ মুকা, বড় ভাই শেখ ওবায়দুল্লাহ ও ছোট বোন লাইজু আক্তার।
এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ উপস্থিত থেকে মরদেহটি পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেন।
মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তরের পর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, ‘কোনো কিছুর বিনিময়ে জীবিত দিপালীকে আর ফেরত আনা যাবে না। সরকারের পক্ষ থেকে পরিবারের জন্য আরও যদি কিছু করার থাকে। আমরা সে বিষয়ে সচেষ্ট আছি।’
মরদেহ দেশে আনতে বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রথম কথা যুদ্ধ চলমান ছিল। আমাদের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে মরদেহ ফেরত আনতে হয়। এ জন্য ফ্লাইট সচল থাকতে হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে সৌদি আরবের সাহায্য নিতে হয়। যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করায় বিভিন্ন দেশের সরকারের নিয়মকানুন ও আনুষ্ঠানিকতা মেনে মরদেহ আনতে গিয়েই সময় লাগছে।
বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সরকারি ব্যবস্থাপনায় অ্যাম্বুলেন্সে করে দিপালী বেগমের মরদেহ নিয়ে রাতেই বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন পরিবারের সদস্যরা। লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার দোহার উপজেলার মৈনট ঘাট পর্যন্ত পৌঁছাতে রাত সাড়ে তিনটা বেজে যায়। পরে ভোর ছয়টার দিকে ট্রলারে করে তাঁরা পৌঁছান চরভদ্রাসনের আদারচর ঘাটে।
সেখান থেকে ঘোড়ার গাড়িতে দিপালীর মরদেহ নেওয়া হয় চরভদ্রাসন উপজেলার পূর্ব শালেপুর মুন্সীরচর গ্রামের বাড়িতে। শুক্রবার সকালে বাড়িতে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দিপালীর মরদেহ দাফন করা হয়।
দিপালীর ছোট বোন লাইজু আক্তার বলেন, ‘দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে বোনের মরদেহ শেষবারের মতো দেখতে পারছি। এটাই বড় সান্ত্বনা।’
ফরিদপুর প্রবাসী কল্যাণ সেন্টারের সহকারি পরিচালক মো. আশিক সিদ্দিকী বলেন, দিপালীর পরিবারকে দাফন খরচ বাবদ বিমানবন্দর থেকেই ৩৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে।
পরবর্তী সময় সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তিন লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
এর আগে, গত ৮ এপ্রিল বৈরুতের একটি ভবনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় দিপালী বেগম গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রফিক হারিরি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
লেবাননের বৈরুতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত বাংলাদেশি নারী শ্রমিক দিপালী বেগমের (৩৪) মরদেহ এক মাস পর দেশে পৌঁছেছে। আজ শুক্রবার (৮ মে )সকাল সাড়ে সাতটার দিকে তাঁর গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার শালেপুরে দিপালীর মরদেহ পৌঁছায়।
এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দিপালীর মরদেহবাহী উড়োজাহাজ অবতরণ করে। সেখানে মরদেহ গ্রহণ করতে উপস্থিত ছিলেন দিপালীর বাবা শেখ মুকা, বড় ভাই শেখ ওবায়দুল্লাহ ও ছোট বোন লাইজু আক্তার।
এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ উপস্থিত থেকে মরদেহটি পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেন।
মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তরের পর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, ‘কোনো কিছুর বিনিময়ে জীবিত দিপালীকে আর ফেরত আনা যাবে না। সরকারের পক্ষ থেকে পরিবারের জন্য আরও যদি কিছু করার থাকে। আমরা সে বিষয়ে সচেষ্ট আছি।’
মরদেহ দেশে আনতে বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রথম কথা যুদ্ধ চলমান ছিল। আমাদের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে মরদেহ ফেরত আনতে হয়। এ জন্য ফ্লাইট সচল থাকতে হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে সৌদি আরবের সাহায্য নিতে হয়। যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করায় বিভিন্ন দেশের সরকারের নিয়মকানুন ও আনুষ্ঠানিকতা মেনে মরদেহ আনতে গিয়েই সময় লাগছে।
বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সরকারি ব্যবস্থাপনায় অ্যাম্বুলেন্সে করে দিপালী বেগমের মরদেহ নিয়ে রাতেই বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন পরিবারের সদস্যরা। লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার দোহার উপজেলার মৈনট ঘাট পর্যন্ত পৌঁছাতে রাত সাড়ে তিনটা বেজে যায়। পরে ভোর ছয়টার দিকে ট্রলারে করে তাঁরা পৌঁছান চরভদ্রাসনের আদারচর ঘাটে।
সেখান থেকে ঘোড়ার গাড়িতে দিপালীর মরদেহ নেওয়া হয় চরভদ্রাসন উপজেলার পূর্ব শালেপুর মুন্সীরচর গ্রামের বাড়িতে। শুক্রবার সকালে বাড়িতে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দিপালীর মরদেহ দাফন করা হয়।
দিপালীর ছোট বোন লাইজু আক্তার বলেন, ‘দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে বোনের মরদেহ শেষবারের মতো দেখতে পারছি। এটাই বড় সান্ত্বনা।’
ফরিদপুর প্রবাসী কল্যাণ সেন্টারের সহকারি পরিচালক মো. আশিক সিদ্দিকী বলেন, দিপালীর পরিবারকে দাফন খরচ বাবদ বিমানবন্দর থেকেই ৩৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে।
পরবর্তী সময় সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তিন লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
এর আগে, গত ৮ এপ্রিল বৈরুতের একটি ভবনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় দিপালী বেগম গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রফিক হারিরি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।

আপনার মতামত লিখুন