নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় ৯ বছরের এক প্রতিবন্ধী শিশুকে পায়ুপথে বাতাস দিয়ে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ মে) দুপুরে নিহত শিশুর বাবা রিপন মিয়া বাদী হয়ে পলাশ থানায় মামলাটি করেন।
মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে লোকমান মিয়ার ছেলে সবুজকে। অন্য আসামিরা হলেন- ফয়সাল, বাবু ও শিশির মিয়া।
নিহত রামিন (৯) উপজেলার গজারিয়া উত্তর কারারদী এলাকার রিপন মিয়ার বড় ছেলে এবং স্থানীয় গজারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। শারীরিক প্রতিবন্ধী হলেও রামিন নিয়মিত স্কুলে যেত ও নামাজ আদায় করত বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (৫ মে) সকালে স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে রামিন তার দাদার দোকানে নাশতা করতে যায়। এসময় পাশের একটি গ্যারেজ থেকে সবুজ তাকে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে সবুজের সঙ্গে থাকা অন্যরা মিলে রামিনের সাথে দুষ্টুমি করতে থাকেন। একপর্যায়ে সবুজ মেশিনের সাহায্যে রামিনের মুখ ও পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে দেন। এতে শিশুটির পেট ফুলে গিয়ে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার উত্তরায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে তার মৃত্যু হয়।
নিহত রামিনের মরদেহ এলাকায় পৌঁছালে শোকের ছায়া নেমে আসে। ঘটনার প্রতিবাদে ও জড়িতদের শাস্তির দাবিতে বিকেলে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় ৯ বছরের এক প্রতিবন্ধী শিশুকে পায়ুপথে বাতাস দিয়ে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ মে) দুপুরে নিহত শিশুর বাবা রিপন মিয়া বাদী হয়ে পলাশ থানায় মামলাটি করেন।
মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে লোকমান মিয়ার ছেলে সবুজকে। অন্য আসামিরা হলেন- ফয়সাল, বাবু ও শিশির মিয়া।
নিহত রামিন (৯) উপজেলার গজারিয়া উত্তর কারারদী এলাকার রিপন মিয়ার বড় ছেলে এবং স্থানীয় গজারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। শারীরিক প্রতিবন্ধী হলেও রামিন নিয়মিত স্কুলে যেত ও নামাজ আদায় করত বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (৫ মে) সকালে স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে রামিন তার দাদার দোকানে নাশতা করতে যায়। এসময় পাশের একটি গ্যারেজ থেকে সবুজ তাকে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে সবুজের সঙ্গে থাকা অন্যরা মিলে রামিনের সাথে দুষ্টুমি করতে থাকেন। একপর্যায়ে সবুজ মেশিনের সাহায্যে রামিনের মুখ ও পায়ুপথে বাতাস ঢুকিয়ে দেন। এতে শিশুটির পেট ফুলে গিয়ে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার উত্তরায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলে তার মৃত্যু হয়।
নিহত রামিনের মরদেহ এলাকায় পৌঁছালে শোকের ছায়া নেমে আসে। ঘটনার প্রতিবাদে ও জড়িতদের শাস্তির দাবিতে বিকেলে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

আপনার মতামত লিখুন