সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর রবীন্দ্র কাচারিবাড়িতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ৩ দিনব্যাপী রবীন্দ্র জন্মোৎসব শুরু হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) সকালে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই উৎসবের উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তবে অনুষ্ঠান চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ বোধ করায় তিনি বক্তব্য দিতে পারেননি। তার পক্ষে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিশেষ অতিথি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম. এ. মুহিত।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ড. এম. এ. মুহিত বলেন, "বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ছিলেন বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের একান্ত আপনজন। শাহজাদপুর, শিলাইদহ ও পতিসরে অবস্থানকালে এই অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তিনি ছিলেন উদার মানবতাবাদী ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার কবি।"
সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে 'শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ' শীর্ষক প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. তারিক মঞ্জুর। তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রবীন্দ্রনাথের গান ও কবিতা আমাদের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ. কে. এম. আব্দুল্লাহ খান। বক্তারা কবির সাহিত্যকর্ম ও মানবতাবাদী দর্শনের নানা দিক তুলে ধরেন।
আলোচনা সভা শেষে শাহজাদপুর শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন। এছাড়া রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন। রবীন্দ্র জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কাচারিবাড়ি চত্বরে ঐতিহ্যবাহী রবীন্দ্র মেলার আয়োজন করা হয়েছে। কবির জন্মদিনকে কেন্দ্র করে ভক্ত ও অনুরাগীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে পুরো কাচারিবাড়ি প্রাঙ্গণ।।

শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর রবীন্দ্র কাচারিবাড়িতে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ৩ দিনব্যাপী রবীন্দ্র জন্মোৎসব শুরু হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) সকালে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই উৎসবের উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তবে অনুষ্ঠান চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ বোধ করায় তিনি বক্তব্য দিতে পারেননি। তার পক্ষে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিশেষ অতিথি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম. এ. মুহিত।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ড. এম. এ. মুহিত বলেন, "বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ছিলেন বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের একান্ত আপনজন। শাহজাদপুর, শিলাইদহ ও পতিসরে অবস্থানকালে এই অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তিনি ছিলেন উদার মানবতাবাদী ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার কবি।"
সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে 'শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ' শীর্ষক প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. তারিক মঞ্জুর। তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রবীন্দ্রনাথের গান ও কবিতা আমাদের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ. কে. এম. আব্দুল্লাহ খান। বক্তারা কবির সাহিত্যকর্ম ও মানবতাবাদী দর্শনের নানা দিক তুলে ধরেন।
আলোচনা সভা শেষে শাহজাদপুর শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা নৃত্য ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন। এছাড়া রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন। রবীন্দ্র জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কাচারিবাড়ি চত্বরে ঐতিহ্যবাহী রবীন্দ্র মেলার আয়োজন করা হয়েছে। কবির জন্মদিনকে কেন্দ্র করে ভক্ত ও অনুরাগীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে পুরো কাচারিবাড়ি প্রাঙ্গণ।।

আপনার মতামত লিখুন