হাওর অঞ্চলে মানবসৃষ্ট বিপর্যয়ের জন্য দায়ী পানি উন্নয়ন বোর্ড ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও বিচারের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতি’র উদ্যোগে এই সমাবেশ আয়োজিত হয়।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে জননেতা দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে হাওরের কৃষকদের দুটি দাবি মানা হলেও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যাচ্ছে না। আমরা দায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তি দাবি করছি।’
সমাবেশে বক্তারা হাওরের কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতির জন্য প্রশাসনের গাফিলতিকে সরাসরি দায়ী করেন। গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ রুমী বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি কৃষি, গার্মেন্ট ও রেমিট্যান্স। এর সবগুলোর মূল যোগানদাতা কৃষক পরিবার। অথচ নীতিনির্ধারকরা অর্থনৈতিক পরিকল্পনা করার সময় কৃষকদের স্বার্থকে গুরুত্ব দেন না।’
কৃষক মজুর সংহতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলিম আক্ষেপ করে বলেন, ‘হাওরের সাত জেলার কৃষকের শুধু ধান নয়, স্বপ্নও ডুবে গেছে। ২০১৭ সালের মতো এবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছে। এই কাঠামোগত ব্যর্থতার দায় রাষ্ট্রকেই নিতে হবে। পাউবো ও জেলা প্রশাসকদের জবাবদিহিতার আওতায় এনে নতুনভাবে হাওর ব্যবস্থাপনা সাজানো এখন সময়ের দাবি।’
‘হাওরের ধান ডুবিয়েছে যারা, তাদের বিচার চাই’
বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কৃষকদের জানমালের নিরাপত্তা ও দায়ীদের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
হাওর অঞ্চলে মানবসৃষ্ট বিপর্যয়ের জন্য দায়ী পানি উন্নয়ন বোর্ড ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও বিচারের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘বাংলাদেশ কৃষক মজুর সংহতি’র উদ্যোগে এই সমাবেশ আয়োজিত হয়।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে জননেতা দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলু বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে হাওরের কৃষকদের দুটি দাবি মানা হলেও দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যাচ্ছে না। আমরা দায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও শাস্তি দাবি করছি।’
সমাবেশে বক্তারা হাওরের কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতির জন্য প্রশাসনের গাফিলতিকে সরাসরি দায়ী করেন। গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ রুমী বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি কৃষি, গার্মেন্ট ও রেমিট্যান্স। এর সবগুলোর মূল যোগানদাতা কৃষক পরিবার। অথচ নীতিনির্ধারকরা অর্থনৈতিক পরিকল্পনা করার সময় কৃষকদের স্বার্থকে গুরুত্ব দেন না।’
কৃষক মজুর সংহতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল আলিম আক্ষেপ করে বলেন, ‘হাওরের সাত জেলার কৃষকের শুধু ধান নয়, স্বপ্নও ডুবে গেছে। ২০১৭ সালের মতো এবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছে। এই কাঠামোগত ব্যর্থতার দায় রাষ্ট্রকেই নিতে হবে। পাউবো ও জেলা প্রশাসকদের জবাবদিহিতার আওতায় এনে নতুনভাবে হাওর ব্যবস্থাপনা সাজানো এখন সময়ের দাবি।’
‘হাওরের ধান ডুবিয়েছে যারা, তাদের বিচার চাই’
বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কৃষকদের জানমালের নিরাপত্তা ও দায়ীদের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন