খুলনার কয়রা উপজেলা সদরের এক ব্যবসায়ীকে থানায় ডেকে নিয়ে মারধরের প্রতিবাদে রোববার (১০ মে) সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব দোকানপাট বন্ধ রেখেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তার শাস্তির দাবিতে কয়রা বাজার ব্যবসায়ী সমিতি এই কর্মসূচি ঘোষণা করে।
তবে অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করার পর ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট প্রত্যাহারের ইঙ্গিত দিয়েছেন।
কয়রা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. জুলফিকার আলম জানান, কয়রা বাজারের ইলেকট্রনিকস ব্যবসায়ী মো. আসাদুল্লাহকে থানায় ডেকে নিয়ে মারধর করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে শনিবার (৯ মে) রাত আটটার দিকে মাইকিং করে রোববার সকাল থেকে সব দোকানপাট বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়। তিনি বলেন, “আসাদ খুবই নিরীহ ছেলে। তাকে যেভাবে হেনস্তা করা হয়েছে, তাতে ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ। অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের শাস্তির দাবিতে আমরা এই কর্মসূচি দিয়েছি। তবে তাদের পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করার খবর পেয়েছি। বাজার কমিটির মিটিং চলছে, দ্রুতই দোকান খোলার সিদ্ধান্ত আসবে।”
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আসাদুল্লাহ জানান, শুক্রবার (৮ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কয়রা কাঁচাবাজারে তার মোটরসাইকেলের পাশে আরেকটি মোটরসাইকেল এমনভাবে রাখা ছিল যে তার গাড়ি বের করতে সমস্যা হচ্ছিল। তিনি চালককে গাড়ি সরাতে অনুরোধ করলে ওই ব্যক্তি তার সঙ্গে রূঢ় আচরণ করেন। পরে জানা যায়, তিনি কয়রা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফজলুর রহমান। একপর্যায়ে ওই কর্মকর্তা মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে চলে যান এবং পরে চাবি ফেরত দিয়ে ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি দেন।
আসাদুল্লাহর অভিযোগ, শনিবার সন্ধ্যায় এএসআই আকাশ পরিচয় দিয়ে একজন তাকে ও তার বাবাকে থানায় ডাকেন। তিনি রাত সাতটার দিকে থানায় পৌঁছালে এসআই ফজলুর রহমান ও এএসআই আকাশ তাকে মারতে মারতে থানার ভেতরে নিয়ে যান। পরে ওসির কক্ষে নিলে সেকেন্ড অফিসার ওই দুই পুলিশের আচরণের সমালোচনা করেন। তার বাবা মারধরের বিচার দাবি করলে ওসি দুঃখ প্রকাশ করে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে এসআই ফজলুর রহমান বলেন, “ঘটনাটি একটি ভুল-বোঝাবুঝি ছিল, যা পরে মীমাংসা হয়ে গেছে। মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। আমাকে ইতিমধ্যে কয়রা থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।”
কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম বলেন, “একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। আমরা ব্যবসায়ীদের দোকান খোলার এবং কর্মসূচি প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছি।”

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
খুলনার কয়রা উপজেলা সদরের এক ব্যবসায়ীকে থানায় ডেকে নিয়ে মারধরের প্রতিবাদে রোববার (১০ মে) সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব দোকানপাট বন্ধ রেখেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তার শাস্তির দাবিতে কয়রা বাজার ব্যবসায়ী সমিতি এই কর্মসূচি ঘোষণা করে।
তবে অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করার পর ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট প্রত্যাহারের ইঙ্গিত দিয়েছেন।
কয়রা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. জুলফিকার আলম জানান, কয়রা বাজারের ইলেকট্রনিকস ব্যবসায়ী মো. আসাদুল্লাহকে থানায় ডেকে নিয়ে মারধর করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে শনিবার (৯ মে) রাত আটটার দিকে মাইকিং করে রোববার সকাল থেকে সব দোকানপাট বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়। তিনি বলেন, “আসাদ খুবই নিরীহ ছেলে। তাকে যেভাবে হেনস্তা করা হয়েছে, তাতে ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ। অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের শাস্তির দাবিতে আমরা এই কর্মসূচি দিয়েছি। তবে তাদের পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করার খবর পেয়েছি। বাজার কমিটির মিটিং চলছে, দ্রুতই দোকান খোলার সিদ্ধান্ত আসবে।”
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আসাদুল্লাহ জানান, শুক্রবার (৮ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কয়রা কাঁচাবাজারে তার মোটরসাইকেলের পাশে আরেকটি মোটরসাইকেল এমনভাবে রাখা ছিল যে তার গাড়ি বের করতে সমস্যা হচ্ছিল। তিনি চালককে গাড়ি সরাতে অনুরোধ করলে ওই ব্যক্তি তার সঙ্গে রূঢ় আচরণ করেন। পরে জানা যায়, তিনি কয়রা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফজলুর রহমান। একপর্যায়ে ওই কর্মকর্তা মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে চলে যান এবং পরে চাবি ফেরত দিয়ে ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি দেন।
আসাদুল্লাহর অভিযোগ, শনিবার সন্ধ্যায় এএসআই আকাশ পরিচয় দিয়ে একজন তাকে ও তার বাবাকে থানায় ডাকেন। তিনি রাত সাতটার দিকে থানায় পৌঁছালে এসআই ফজলুর রহমান ও এএসআই আকাশ তাকে মারতে মারতে থানার ভেতরে নিয়ে যান। পরে ওসির কক্ষে নিলে সেকেন্ড অফিসার ওই দুই পুলিশের আচরণের সমালোচনা করেন। তার বাবা মারধরের বিচার দাবি করলে ওসি দুঃখ প্রকাশ করে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে এসআই ফজলুর রহমান বলেন, “ঘটনাটি একটি ভুল-বোঝাবুঝি ছিল, যা পরে মীমাংসা হয়ে গেছে। মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। আমাকে ইতিমধ্যে কয়রা থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।”
কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম বলেন, “একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। আমরা ব্যবসায়ীদের দোকান খোলার এবং কর্মসূচি প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছি।”

আপনার মতামত লিখুন