সংবাদ

শখের আঙুর চাষে নতুন সম্ভাবনার আলো


 প্রতিনিধি, পলাশ(নরসিংদী)
প্রতিনিধি, পলাশ(নরসিংদী)
প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬, ০৪:৩৯ পিএম

শখের আঙুর চাষে নতুন সম্ভাবনার আলো
নিজ বাগানের আঙুর দেখাচ্ছেন চাষি আকরাম হোসেন। ছবি : সংবাদ

নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালে একটি বাড়ির ছাদে গড়ে উঠেছে ব্যতিক্রমধর্মী এক আঙুর বাগান। সেখানে চাষ হচ্ছে ৪৫টি বিদেশি জাতের আঙুর। প্রতিটি গাছে ঝুলে থাকা হরেক রঙের আঙুর দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শখের বশে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ এখন এলাকায় নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

ঘোড়াশাল এলাকার যুবক মোহাম্মদ আকরাম হোসেন তার চাকরির পাশাপাশি নিজের বাড়ির ছাদে এই বাগান গড়ে তুলেছেন। জিও ব্যাগে চারা রোপণ করে মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তিনি অভাবনীয় সফলতা পেয়েছেন। ২০২৪ সালের এপ্রিলে শুরু করা এই বাগানে এখন থোকায় থোকায় ঝুলছে সুমিষ্ট আঙুর।

আকরাম হোসেন জানান, তার বাগানে রাশিয়া, ইউক্রেন ও তুরস্কের বিভিন্ন উন্নত জাতের আঙুর রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- লোরাস, ভেলেজ, ডিকসন, বাইকোনুর, ট্রান্সফিগারেশন, ভেলোদর, লুচিস্টিজ, একেলো, একাডেমিক, রেবেকা, এনজেলিকা, আলফা, ডাসুনিয়া ও চকলেট। তিনি বলেন, ‘শুরুতে শখের বশে করলেও এখন বাণিজ্যিকভাবে বড় পরিসরে আঙুর চাষের পরিকল্পনা করছি।’

স্থানীয় যুবক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ছাদে এত সুমিষ্ট আঙুর চাষ হতে পারে, তা আমাদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা। কোনো বিষাক্ত কীটনাশক ছাড়াই এই সাফল্য আমাদের অনুপ্রাণিত করছে।’ এলাকাটির অনেকেই এখন আকরামের কাছে এসে চাষের কৌশল শিখছেন।

পলাশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আয়েশা আক্তার বলেন, আঙুর বাগানটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হবে। যথাযথ প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পেলে ছাদভিত্তিক আঙুর চাষ ভবিষ্যতে একটি সম্ভাবনাময় খাতে পরিণত হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ১০ মে ২০২৬


শখের আঙুর চাষে নতুন সম্ভাবনার আলো

প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬

featured Image

নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালে একটি বাড়ির ছাদে গড়ে উঠেছে ব্যতিক্রমধর্মী এক আঙুর বাগান। সেখানে চাষ হচ্ছে ৪৫টি বিদেশি জাতের আঙুর। প্রতিটি গাছে ঝুলে থাকা হরেক রঙের আঙুর দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শখের বশে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ এখন এলাকায় নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

ঘোড়াশাল এলাকার যুবক মোহাম্মদ আকরাম হোসেন তার চাকরির পাশাপাশি নিজের বাড়ির ছাদে এই বাগান গড়ে তুলেছেন। জিও ব্যাগে চারা রোপণ করে মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তিনি অভাবনীয় সফলতা পেয়েছেন। ২০২৪ সালের এপ্রিলে শুরু করা এই বাগানে এখন থোকায় থোকায় ঝুলছে সুমিষ্ট আঙুর।

আকরাম হোসেন জানান, তার বাগানে রাশিয়া, ইউক্রেন ও তুরস্কের বিভিন্ন উন্নত জাতের আঙুর রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- লোরাস, ভেলেজ, ডিকসন, বাইকোনুর, ট্রান্সফিগারেশন, ভেলোদর, লুচিস্টিজ, একেলো, একাডেমিক, রেবেকা, এনজেলিকা, আলফা, ডাসুনিয়া ও চকলেট। তিনি বলেন, ‘শুরুতে শখের বশে করলেও এখন বাণিজ্যিকভাবে বড় পরিসরে আঙুর চাষের পরিকল্পনা করছি।’

স্থানীয় যুবক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ছাদে এত সুমিষ্ট আঙুর চাষ হতে পারে, তা আমাদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা। কোনো বিষাক্ত কীটনাশক ছাড়াই এই সাফল্য আমাদের অনুপ্রাণিত করছে।’ এলাকাটির অনেকেই এখন আকরামের কাছে এসে চাষের কৌশল শিখছেন।

পলাশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আয়েশা আক্তার বলেন, আঙুর বাগানটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হবে। যথাযথ প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পেলে ছাদভিত্তিক আঙুর চাষ ভবিষ্যতে একটি সম্ভাবনাময় খাতে পরিণত হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত