রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী শক্তিশালী করতে সরকারের ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম পর্যায়ে টিআর, কাবিখা ও কাবিটা কর্মসূচির আওতায় ৮৩টি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ২ কোটি টাকার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে এসব উন্নয়ন প্রকল্পের সুফল যেন সাধারণ মানুষ পায় এবং বরাদ্দের প্রতিটি টাকা যেন স্বচ্ছতার সাথে ব্যয় হয়, সে ব্যাপারে কঠোর অবস্থান নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রামীণ জনপদের রাস্তাঘাট নির্মাণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় উপাসনালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে এই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই বিশাল বিনিয়োগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নত করা। প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও যেকোনো ধরণের অনিয়ম রোধে উপজেলা প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সম্প্রতি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প থেকে অর্থ ছাড়ের বিষয়ে ওঠা অভিযোগগুলোকে আমলে নিয়ে প্রশাসন তদন্ত ও তদারকি জোরদার করেছে।
এ বিষয়ে তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোনাববর হোসেন জানান, "উন্নয়ন প্রকল্পের কাজে কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিচ্যুতি সহ্য করা হবে না। আমরা বিষয়গুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং কোনো অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দ্রুত আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো উন্নয়নমূলক কাজগুলো যেন সরকারি নীতিমালা মেনেই মানসম্মতভাবে সম্পন্ন হয়।সেজন্য স্বচ্ছতার সাথে কাজগুলো এগিয়ে নিতে প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হারুন উর রশিদ জানিয়েছেন, তারা প্রতিটি প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে সচেষ্ট রয়েছেন।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী শক্তিশালী করতে সরকারের ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম পর্যায়ে টিআর, কাবিখা ও কাবিটা কর্মসূচির আওতায় ৮৩টি প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ২ কোটি টাকার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে এসব উন্নয়ন প্রকল্পের সুফল যেন সাধারণ মানুষ পায় এবং বরাদ্দের প্রতিটি টাকা যেন স্বচ্ছতার সাথে ব্যয় হয়, সে ব্যাপারে কঠোর অবস্থান নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রামীণ জনপদের রাস্তাঘাট নির্মাণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় উপাসনালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে এই বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই বিশাল বিনিয়োগের মূল লক্ষ্য হচ্ছে প্রান্তিক মানুষের জীবনমান উন্নত করা। প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও যেকোনো ধরণের অনিয়ম রোধে উপজেলা প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সম্প্রতি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প থেকে অর্থ ছাড়ের বিষয়ে ওঠা অভিযোগগুলোকে আমলে নিয়ে প্রশাসন তদন্ত ও তদারকি জোরদার করেছে।
এ বিষয়ে তারাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোনাববর হোসেন জানান, "উন্নয়ন প্রকল্পের কাজে কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিচ্যুতি সহ্য করা হবে না। আমরা বিষয়গুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং কোনো অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দ্রুত আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো উন্নয়নমূলক কাজগুলো যেন সরকারি নীতিমালা মেনেই মানসম্মতভাবে সম্পন্ন হয়।সেজন্য স্বচ্ছতার সাথে কাজগুলো এগিয়ে নিতে প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হারুন উর রশিদ জানিয়েছেন, তারা প্রতিটি প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে সচেষ্ট রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন