দেখতে দেখতে এক যুগ পেরিয়ে গেল। ২০১০ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে ‘ওয়াকা ওয়াকা’য় পাগল করেছিলেন শাকিরা। ২০২৬ সালের আসরের মঞ্চে ফিরছেন সেই লাতিন কুইন। ‘দাই দাই’ শিরোনামের গানটি এবার বিশ্বকাপের অফিসিয়াল থিম সং। টিজারেই দারুণ সাড়া পড়েছে।
শনিবার (৯ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গানের একটি টিজার প্রকাশ করেন শাকিরা। ১৫ সেকেন্ডের এই টিজারে গানের আভাস দিয়েই দারুণ সাড়া ফেলে দিয়েছেন। মাত্র কয়েক ঘণ্টায় ভিউ ছাড়িয়েছে কয়েক মিলিয়ন।
২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপে ‘হিপস ডোন্ট লাই’ গেয়েছিলেন শাকিরা। এরপর ২০১০ সালে এসে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের ‘ওয়াকা ওয়াকা’ তাকে পৌঁছে দেয় বিশ্বমঞ্চের একেবারে চূড়ায়। ২০১৪ সালে তিনি ‘লা লা লা’ গেয়েছিলেন। তবে সেটি অফিসিয়াল থিম সং ছিল না।
২০২৬ সালের ‘দাই দাই’ হবে শাকিরার তৃতীয় অফিসিয়াল থিম সং। এর মাধ্যমেই ইতিহাস গড়বেন তিনি- ফিফা বিশ্বকাপের সবচেয়ে বেশি অফিসিয়াল থিম সং গাওয়া শিল্পী হিসেবে।
‘দাই দাই’ গানটির সুর ও কম্পোজিশন করেছেন শাকিরা ও তার দীর্ঘদিনের সহযোগী প্রযোজক। গানে থাকছে লাতিন আমেরিকান রিদম, মডার্ন সিন্থ-পপ মিউজিক আর শাকিরার চিরচেনা সিগনেচার ড্যান্স মুভস। লিরিক্সে উঠে এসেছে ঐক্য, বন্ধুত্ব আর ফুটবল উন্মাদনার গল্প।
টিজারে দেখা গেছে, স্বাগতিক তিন দেশ- যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি, মেক্সিকোর আজটেকা স্টেডিয়াম ও কানাডার টরন্টোর মনোরম লোকেশনে হয়েছে গানের শুটিং।
ফিফার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘শাকিরার গান মানেই এক বৈশ্বিক উৎসব। এ গানে ২০২৬ বিশ্বকাপের স্বাগতিক তিন দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের ছোঁয়া আছে।’
শাকিরা নিজে এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘ফুটবল আমাদের সবাইকে এক সুতোয় গাঁথে। ২০২৬ বিশ্বকাপের মিউজিক জার্নিতে আবারও আপনাদের সঙ্গে থাকতে পেরে শিহরিত।’
১৪ মে মুক্তি পাবে গানটির পূর্ণাঙ্গ মিউজিক ভিডিও। বিশ্বকাপ শুরুর দেড় মাস আগে দাপটের সঙ্গেই শুরু হয়ে গেল সংগীতের মাঠের লড়াই।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
দেখতে দেখতে এক যুগ পেরিয়ে গেল। ২০১০ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে ‘ওয়াকা ওয়াকা’য় পাগল করেছিলেন শাকিরা। ২০২৬ সালের আসরের মঞ্চে ফিরছেন সেই লাতিন কুইন। ‘দাই দাই’ শিরোনামের গানটি এবার বিশ্বকাপের অফিসিয়াল থিম সং। টিজারেই দারুণ সাড়া পড়েছে।
শনিবার (৯ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গানের একটি টিজার প্রকাশ করেন শাকিরা। ১৫ সেকেন্ডের এই টিজারে গানের আভাস দিয়েই দারুণ সাড়া ফেলে দিয়েছেন। মাত্র কয়েক ঘণ্টায় ভিউ ছাড়িয়েছে কয়েক মিলিয়ন।
২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপে ‘হিপস ডোন্ট লাই’ গেয়েছিলেন শাকিরা। এরপর ২০১০ সালে এসে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের ‘ওয়াকা ওয়াকা’ তাকে পৌঁছে দেয় বিশ্বমঞ্চের একেবারে চূড়ায়। ২০১৪ সালে তিনি ‘লা লা লা’ গেয়েছিলেন। তবে সেটি অফিসিয়াল থিম সং ছিল না।
২০২৬ সালের ‘দাই দাই’ হবে শাকিরার তৃতীয় অফিসিয়াল থিম সং। এর মাধ্যমেই ইতিহাস গড়বেন তিনি- ফিফা বিশ্বকাপের সবচেয়ে বেশি অফিসিয়াল থিম সং গাওয়া শিল্পী হিসেবে।
‘দাই দাই’ গানটির সুর ও কম্পোজিশন করেছেন শাকিরা ও তার দীর্ঘদিনের সহযোগী প্রযোজক। গানে থাকছে লাতিন আমেরিকান রিদম, মডার্ন সিন্থ-পপ মিউজিক আর শাকিরার চিরচেনা সিগনেচার ড্যান্স মুভস। লিরিক্সে উঠে এসেছে ঐক্য, বন্ধুত্ব আর ফুটবল উন্মাদনার গল্প।
টিজারে দেখা গেছে, স্বাগতিক তিন দেশ- যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি, মেক্সিকোর আজটেকা স্টেডিয়াম ও কানাডার টরন্টোর মনোরম লোকেশনে হয়েছে গানের শুটিং।
ফিফার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘শাকিরার গান মানেই এক বৈশ্বিক উৎসব। এ গানে ২০২৬ বিশ্বকাপের স্বাগতিক তিন দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের ছোঁয়া আছে।’
শাকিরা নিজে এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘ফুটবল আমাদের সবাইকে এক সুতোয় গাঁথে। ২০২৬ বিশ্বকাপের মিউজিক জার্নিতে আবারও আপনাদের সঙ্গে থাকতে পেরে শিহরিত।’
১৪ মে মুক্তি পাবে গানটির পূর্ণাঙ্গ মিউজিক ভিডিও। বিশ্বকাপ শুরুর দেড় মাস আগে দাপটের সঙ্গেই শুরু হয়ে গেল সংগীতের মাঠের লড়াই।

আপনার মতামত লিখুন