ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম চান্দুরা-চম্পকনগর-সিঙ্গারবিল সড়কটি এখন ৪ লাখ মানুষের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাব এবং সাম্প্রতিক টানা বৃষ্টিতে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়ে বর্তমানে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এতে উপজেলাজুড়ে চরম জনদুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, স্বাধীনতার পর থেকে নানা ক্ষেত্রে উন্নয়ন হলেও এই জনপদের প্রধান সড়কটির বেহাল দশা কাটেনি। গত দেড় বছর ধরে সড়কের বিভিন্ন অংশের বিটুমিন ও খোয়া উঠে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর অনেক স্থানে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে সড়কটি এখন ছোটখাটো খালের রূপ নিয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের টুকচানপুর, লক্ষ্মীপুর, আদমপুর, নোয়াগাঁও মোড়, খিঁড়াতলা ও আটকলা এলাকার অবস্থা সবচেয়ে শোচনীয়। এসব স্থানে ২০ থেকে ৫০ ফুট দৈর্ঘ্য পর্যন্ত অসংখ্য বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে নোয়াগাঁও মোড় ও আটকলা গ্রামে সড়কের কয়েক শ ফুট এলাকা এখন পানির নিচে। খিঁড়াতলা এলাকার সড়কটি এতই ঝুঁকিপূর্ণ যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৯ মাস আগে চান্দুরা থেকে চম্পকনগর পর্যন্ত সড়ক সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু মাত্র দেড় কিলোমিটার কাজ করার পর অজানা কারণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ বন্ধ করে দেয়। গত চার মাস ধরে সংস্কারের কোনো কার্যক্রম চোখে পড়ছে না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিচ্ছে না।
সড়কটির বেহাল দশায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন প্রতিদিন বিকল হচ্ছে। স্থানীয় চালকদের দাবি, এই সড়কে গাড়ি চালানো এখন দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নেওয়ার পথে ভয়াবহ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এলাকাবাসী জানান, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির চেয়েও এখন তাদের কাছে বড় সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে এই সড়ক। সাধারণ মানুষের এখন একটাই দাবি, জরুরি ভিত্তিতে গর্তগুলো ভরাট করে চলাচলের ন্যূনতম উপযোগী করা হোক।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগীরা স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা বলছেন, দীর্ঘ মেয়াদি সংস্কার কাজের টেন্ডার জটিলতা কাটিয়ে অন্তত সাময়িকভাবে হলেও যেন সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো মেরামত করা হয়।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম চান্দুরা-চম্পকনগর-সিঙ্গারবিল সড়কটি এখন ৪ লাখ মানুষের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাব এবং সাম্প্রতিক টানা বৃষ্টিতে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়ে বর্তমানে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এতে উপজেলাজুড়ে চরম জনদুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, স্বাধীনতার পর থেকে নানা ক্ষেত্রে উন্নয়ন হলেও এই জনপদের প্রধান সড়কটির বেহাল দশা কাটেনি। গত দেড় বছর ধরে সড়কের বিভিন্ন অংশের বিটুমিন ও খোয়া উঠে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর অনেক স্থানে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে সড়কটি এখন ছোটখাটো খালের রূপ নিয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের টুকচানপুর, লক্ষ্মীপুর, আদমপুর, নোয়াগাঁও মোড়, খিঁড়াতলা ও আটকলা এলাকার অবস্থা সবচেয়ে শোচনীয়। এসব স্থানে ২০ থেকে ৫০ ফুট দৈর্ঘ্য পর্যন্ত অসংখ্য বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে নোয়াগাঁও মোড় ও আটকলা গ্রামে সড়কের কয়েক শ ফুট এলাকা এখন পানির নিচে। খিঁড়াতলা এলাকার সড়কটি এতই ঝুঁকিপূর্ণ যে কোনো সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৯ মাস আগে চান্দুরা থেকে চম্পকনগর পর্যন্ত সড়ক সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু মাত্র দেড় কিলোমিটার কাজ করার পর অজানা কারণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ বন্ধ করে দেয়। গত চার মাস ধরে সংস্কারের কোনো কার্যক্রম চোখে পড়ছে না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিচ্ছে না।
সড়কটির বেহাল দশায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন প্রতিদিন বিকল হচ্ছে। স্থানীয় চালকদের দাবি, এই সড়কে গাড়ি চালানো এখন দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে মুমূর্ষু রোগীদের হাসপাতালে নেওয়ার পথে ভয়াবহ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এলাকাবাসী জানান, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির চেয়েও এখন তাদের কাছে বড় সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে এই সড়ক। সাধারণ মানুষের এখন একটাই দাবি, জরুরি ভিত্তিতে গর্তগুলো ভরাট করে চলাচলের ন্যূনতম উপযোগী করা হোক।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগীরা স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা বলছেন, দীর্ঘ মেয়াদি সংস্কার কাজের টেন্ডার জটিলতা কাটিয়ে অন্তত সাময়িকভাবে হলেও যেন সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো মেরামত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন