পুলিশ বাহিনীতে শৃঙ্খলার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, বাহিনীর চেইন অব কমান্ড যারা ভাঙবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইসঙ্গে পুলিশের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে বডি ওর্ন ক্যামেরার ব্যবহার ব্যাপক হারে বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
আজ সোমবার পুলিশ
সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার
সময় তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার পুলিশ বাহিনীতে দুর্নীতি ও বিশৃঙ্খলাকে বিন্দুমাত্র প্রশ্রয় দেবে না। তিনি কর্মকর্তাদের স্মরণ করিয়ে দেন যে, বাহিনীর ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা প্রত্যেক সদস্যের দায়িত্ব। "চেইন অব কমান্ড যারা ব্রেক করবেন, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শৃঙ্খলার বিষয়ে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি।"
পুলিশের অপারেশনাল
কার্যক্রম এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে প্রযুক্তির ওপর জোর দিচ্ছে সরকার।
মন্ত্রী জানান, বর্তমানে কিছু ক্যামেরার ব্যবহার থাকলেও ভবিষ্যতে তদন্ত ও অভিযানের
প্রতিটি পদক্ষেপ রেকর্ড করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, "আমরা চাচ্ছি পুলিশের
প্রতিটি অপারেশন ও কার্যক্রম যেন রেকর্ডে থাকে। এজন্য সব পর্যায়ে বডি ওর্ন ক্যামেরার
ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।"
জাতিসংঘের মানদণ্ড
অনুযায়ী পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণের বিষয়টি উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অপরাধ
দমন বা তদন্তের ক্ষেত্রে মানবাধিকার সমুন্নত রাখা বাধ্যতামূলক।
অপরাধ নিয়ন্ত্রণে
জাতিসংঘের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ন্যূনতম বলপ্রয়োগের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তদন্ত
ও প্রসিকিউশন টিমের সহযোগিতার ক্ষেত্রে মানবাধিকারের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে
দেখার নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী।
পুলিশের প্রতিটি
পদক্ষেপ যেন জনবান্ধব হয় এবং বাহিনীর গৌরব বজায় রাখে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
পুলিশ বাহিনীতে শৃঙ্খলার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, বাহিনীর চেইন অব কমান্ড যারা ভাঙবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইসঙ্গে পুলিশের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে বডি ওর্ন ক্যামেরার ব্যবহার ব্যাপক হারে বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
আজ সোমবার পুলিশ
সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার
সময় তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার পুলিশ বাহিনীতে দুর্নীতি ও বিশৃঙ্খলাকে বিন্দুমাত্র প্রশ্রয় দেবে না। তিনি কর্মকর্তাদের স্মরণ করিয়ে দেন যে, বাহিনীর ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা প্রত্যেক সদস্যের দায়িত্ব। "চেইন অব কমান্ড যারা ব্রেক করবেন, তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শৃঙ্খলার বিষয়ে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি।"
পুলিশের অপারেশনাল
কার্যক্রম এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে প্রযুক্তির ওপর জোর দিচ্ছে সরকার।
মন্ত্রী জানান, বর্তমানে কিছু ক্যামেরার ব্যবহার থাকলেও ভবিষ্যতে তদন্ত ও অভিযানের
প্রতিটি পদক্ষেপ রেকর্ড করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, "আমরা চাচ্ছি পুলিশের
প্রতিটি অপারেশন ও কার্যক্রম যেন রেকর্ডে থাকে। এজন্য সব পর্যায়ে বডি ওর্ন ক্যামেরার
ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।"
জাতিসংঘের মানদণ্ড
অনুযায়ী পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণের বিষয়টি উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অপরাধ
দমন বা তদন্তের ক্ষেত্রে মানবাধিকার সমুন্নত রাখা বাধ্যতামূলক।
অপরাধ নিয়ন্ত্রণে
জাতিসংঘের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী ন্যূনতম বলপ্রয়োগের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তদন্ত
ও প্রসিকিউশন টিমের সহযোগিতার ক্ষেত্রে মানবাধিকারের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে
দেখার নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী।
পুলিশের প্রতিটি
পদক্ষেপ যেন জনবান্ধব হয় এবং বাহিনীর গৌরব বজায় রাখে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন