বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ১১ সদস্য বিশিষ্ট এডহক কমিটি গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট।
সোমবার (১১ মে) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। বিসিবির পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহিন এম রহমান।
রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া। রিট খারিজ হওয়ার পর হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে বলে জানান রিটকারি আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া।
এর আগে গত ৩০ এপ্রিল বিসিবির ১১ সদস্য বিশিষ্ট এডহক কমিটি গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করা হয়। রিটে বিসিবির এডহক কমিটি অবৈধ ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়াসহ সাত আইনজীবী হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট আবেদন করেন।
সেখানে বলা হয়, সাবেক ক্রিকেটার আমিনুল ইসলাম বুলবুলের একটি চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বিসিবি নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টে একটি রিট হলে নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায়। পরে চেম্বার আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করলে গত ৬ অক্টোবর বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
কিন্তু গত ৭ এপ্রিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) ক্রীড়া শাখা থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, একজন বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে ওই নির্বাচন ‘ত্রুটিপূর্ণ’ প্রমাণিত হয়েছে। এই যুক্তিতে ‘জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন ২০১৮’-এর ২১ ধারা অনুযায়ী নির্বাচিত কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে ১১ সদস্যের একটি নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়।
তামিম ইকবালকে সভাপতি করে গঠিত এই অ্যাডহক কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন: ফাহিমা সিনহা, রবিউল ইসলাম বাবু, মির্জা সালমান ইস্পাহানি, তানজিল চৌধুরী, আতাহার আলী খান, মিনহাজুল আবেদীন নান্নু, ইসরাফিল খসরু, সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ, মির্জা ইয়াসির আব্বাস এবং ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম।
রিটকারী আইনজীবীদের অভিযোগ, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের এই সিদ্ধান্ত ‘সম্পূর্ণ বেআইনি’ এবং তা স্বাভাবিক ন্যায়বিচারের নীতিমালা বা ‘প্রিন্সিপাল অব ন্যাচারাল জাস্টিসের’ লঙ্ঘন।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ১১ সদস্য বিশিষ্ট এডহক কমিটি গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট।
সোমবার (১১ মে) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। বিসিবির পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাহিন এম রহমান।
রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়া। রিট খারিজ হওয়ার পর হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে বলে জানান রিটকারি আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া।
এর আগে গত ৩০ এপ্রিল বিসিবির ১১ সদস্য বিশিষ্ট এডহক কমিটি গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করা হয়। রিটে বিসিবির এডহক কমিটি অবৈধ ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট গোলাম কিবরিয়াসহ সাত আইনজীবী হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট আবেদন করেন।
সেখানে বলা হয়, সাবেক ক্রিকেটার আমিনুল ইসলাম বুলবুলের একটি চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বিসিবি নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টে একটি রিট হলে নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায়। পরে চেম্বার আদালত হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করলে গত ৬ অক্টোবর বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
কিন্তু গত ৭ এপ্রিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) ক্রীড়া শাখা থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, একজন বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে ওই নির্বাচন ‘ত্রুটিপূর্ণ’ প্রমাণিত হয়েছে। এই যুক্তিতে ‘জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন ২০১৮’-এর ২১ ধারা অনুযায়ী নির্বাচিত কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে ১১ সদস্যের একটি নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়।
তামিম ইকবালকে সভাপতি করে গঠিত এই অ্যাডহক কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন: ফাহিমা সিনহা, রবিউল ইসলাম বাবু, মির্জা সালমান ইস্পাহানি, তানজিল চৌধুরী, আতাহার আলী খান, মিনহাজুল আবেদীন নান্নু, ইসরাফিল খসরু, সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ, মির্জা ইয়াসির আব্বাস এবং ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম।
রিটকারী আইনজীবীদের অভিযোগ, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের এই সিদ্ধান্ত ‘সম্পূর্ণ বেআইনি’ এবং তা স্বাভাবিক ন্যায়বিচারের নীতিমালা বা ‘প্রিন্সিপাল অব ন্যাচারাল জাস্টিসের’ লঙ্ঘন।

আপনার মতামত লিখুন