কোরবানির ঈদ সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গবাদি পশু লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। রাজশাহীর চরাঞ্চল থেকে শুরু করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক পর্যন্ত সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্তরা অস্ত্রের মুখে খামারি ও ট্রাকচালকদের জিম্মি করে গরু লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
রাজশাহীর
লালপুর ও বাঘা থানার চরাঞ্চলে ১৭৬টি গরু লুটের চেষ্টা হয়েছে। পুলিশের তৎপরতায় গরুগুলো
উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মহাসড়কে ট্রাক থামিয়ে চালককে কুপিয়ে
১০টি গরু লুটের ঘটনা ঘটেছে। লুট হওয়া গরু উদ্ধার করা যায়নি। অভিযোগ উঠেছে, টহল পুলিশকে
ঘটনা জানানোর পরেও তারা ব্যবস্থা নেয়নি। তারা ‘এলাকা আমাদের নয়’
বলে দায় সারার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কুমিল্লার লাকসামের একটি খামার থেকে
তিন মাসের মধ্যে দুই দফায় বারোটি গরু লুট হয়েছে। এই ধরনের ঘটনা শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতিই
নয়, সামাজিক নিরাপত্তার জন্যও হুমকি।
ঈদুল আজহাকে
কেন্দ্র করে গরুর ব্যবসা চাঙা হয়। অনেক খামারি ও ব্যবসায়ী এই সময় গরু বিক্রি করেন।
তাদের আয়ের বড় অংশ আসে গরু বিক্রি করে। গরু লুটের ঘটনা তাদের ব্যবসায় নিরাপত্তাহীনতা
তৈরি করছে। চরাঞ্চল ও মহাসড়কের নিরাপত্তা জোরদার না করলে এ ধরনের অপরাধ আরও বাড়তে পারে।
পুলিশের কিছু
তৎপরতা প্রশংসাযোগ্য। লুট হওয়া পশু উদ্ধারে পুলিশের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখা প্রয়োজন।
স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। লুটের সঙ্গে জড়িতদের
দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। খামারিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে
ঈদের বাজার স্বাভাবিক থাকবে, অর্থনৈতিক ক্ষতিও কমবে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
কোরবানির ঈদ সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গবাদি পশু লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। রাজশাহীর চরাঞ্চল থেকে শুরু করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক পর্যন্ত সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্তরা অস্ত্রের মুখে খামারি ও ট্রাকচালকদের জিম্মি করে গরু লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
রাজশাহীর
লালপুর ও বাঘা থানার চরাঞ্চলে ১৭৬টি গরু লুটের চেষ্টা হয়েছে। পুলিশের তৎপরতায় গরুগুলো
উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মহাসড়কে ট্রাক থামিয়ে চালককে কুপিয়ে
১০টি গরু লুটের ঘটনা ঘটেছে। লুট হওয়া গরু উদ্ধার করা যায়নি। অভিযোগ উঠেছে, টহল পুলিশকে
ঘটনা জানানোর পরেও তারা ব্যবস্থা নেয়নি। তারা ‘এলাকা আমাদের নয়’
বলে দায় সারার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কুমিল্লার লাকসামের একটি খামার থেকে
তিন মাসের মধ্যে দুই দফায় বারোটি গরু লুট হয়েছে। এই ধরনের ঘটনা শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতিই
নয়, সামাজিক নিরাপত্তার জন্যও হুমকি।
ঈদুল আজহাকে
কেন্দ্র করে গরুর ব্যবসা চাঙা হয়। অনেক খামারি ও ব্যবসায়ী এই সময় গরু বিক্রি করেন।
তাদের আয়ের বড় অংশ আসে গরু বিক্রি করে। গরু লুটের ঘটনা তাদের ব্যবসায় নিরাপত্তাহীনতা
তৈরি করছে। চরাঞ্চল ও মহাসড়কের নিরাপত্তা জোরদার না করলে এ ধরনের অপরাধ আরও বাড়তে পারে।
পুলিশের কিছু
তৎপরতা প্রশংসাযোগ্য। লুট হওয়া পশু উদ্ধারে পুলিশের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখা প্রয়োজন।
স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। লুটের সঙ্গে জড়িতদের
দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। খামারিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে
ঈদের বাজার স্বাভাবিক থাকবে, অর্থনৈতিক ক্ষতিও কমবে।

আপনার মতামত লিখুন