সংবাদ

হামে কেড়ে নিলো আরও ৮ প্রাণ, মৃতের সংখ্যা ৪৩২


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬, ০৫:৫৯ পিএম

হামে কেড়ে নিলো আরও ৮ প্রাণ, মৃতের সংখ্যা ৪৩২
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন চার হাজারের বেশি শিশু।

দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আবারও প্রাণ গেল আট শিশুর। বুধবার (১৩ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে মারা গেছেন একজন আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন সাতজন।

এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা যাওয়া শিশুটির বয়স এক বছরের নিচে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৯ জনে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৩৬৩ জন। অর্থাৎ দুই মাসের ব্যবধানে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট প্রাণহানি হয়েছে ৪৩২টি শিশুর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৭ হাজার ১৫০ জন। আর সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৩ হাজার ৫৬ জন।

হাম সন্দেহে এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৮ হাজার ৫৪ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে ছাড়া পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৮৩২ জন। এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন চার হাজারের বেশি শিশু।

ঢাকা বিভাগে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বিভাগটিতে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৯৯২ জন এবং সন্দেহভাজন হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২২ হাজার ৯৬৮ জন। এ বিভাগে নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ২৯ জন ও সন্দেহভাজন হামে মারা গেছেন ১৫২ জন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি ভাইরাসজনিত ছোঁয়াচে রোগ। টিকার মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ সম্ভব। কিন্তু দেশের কিছু অঞ্চলে টিকার আওতার বাইরে থাকা শিশুদের মধ্যে দ্রুত ছড়াচ্ছে এ রোগ। এ ছাড়া পুষ্টিহীনতা ও দুর্বল স্বাস্থ্যসেবাও মৃত্যু বাড়াচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর টিকা কার্যক্রম জোরদারের পাশাপাশি অভিভাবকদের সন্তানদের টিকা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। কোনো শিশুর হামের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

হাম প্রতিরোধের একমাত্র কার্যকর উপায় টিকা। জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ৯ ও ১৫ মাস বয়সী শিশুদের হামের টিকা দেওয়া হয়। অভিভাবকদের সন্তানের টিকার কার্ড পরীক্ষা করে দেখার এবং নির্ধারিত সময়ে টিকা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬


হামে কেড়ে নিলো আরও ৮ প্রাণ, মৃতের সংখ্যা ৪৩২

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬

featured Image

দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আবারও প্রাণ গেল আট শিশুর। বুধবার (১৩ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে মারা গেছেন একজন আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন সাতজন।

এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা যাওয়া শিশুটির বয়স এক বছরের নিচে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৯ জনে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ৩৬৩ জন। অর্থাৎ দুই মাসের ব্যবধানে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট প্রাণহানি হয়েছে ৪৩২টি শিশুর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ৭ হাজার ১৫০ জন। আর সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৩ হাজার ৫৬ জন।

হাম সন্দেহে এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৮ হাজার ৫৪ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে ছাড়া পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৮৩২ জন। এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন চার হাজারের বেশি শিশু।

ঢাকা বিভাগে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বিভাগটিতে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৯৯২ জন এবং সন্দেহভাজন হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২২ হাজার ৯৬৮ জন। এ বিভাগে নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ২৯ জন ও সন্দেহভাজন হামে মারা গেছেন ১৫২ জন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি ভাইরাসজনিত ছোঁয়াচে রোগ। টিকার মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ সম্ভব। কিন্তু দেশের কিছু অঞ্চলে টিকার আওতার বাইরে থাকা শিশুদের মধ্যে দ্রুত ছড়াচ্ছে এ রোগ। এ ছাড়া পুষ্টিহীনতা ও দুর্বল স্বাস্থ্যসেবাও মৃত্যু বাড়াচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর টিকা কার্যক্রম জোরদারের পাশাপাশি অভিভাবকদের সন্তানদের টিকা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। কোনো শিশুর হামের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

হাম প্রতিরোধের একমাত্র কার্যকর উপায় টিকা। জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ৯ ও ১৫ মাস বয়সী শিশুদের হামের টিকা দেওয়া হয়। অভিভাবকদের সন্তানের টিকার কার্ড পরীক্ষা করে দেখার এবং নির্ধারিত সময়ে টিকা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত