ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ এখন অনলাইন ব্যবস্থার আওতায় এসেছে। এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ছিল সেবা সহজ করা, হয়রানি কমানো, অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধ করা। বাস্তবে কি সেই লক্ষ্য পূরণ হচ্ছে?
বগুড়ার শেরপুরে
ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে গিয়ে এক গ্রাহকের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ
উঠেছে। নির্ধারিত খাজনা ছিল মাত্র ২৭৮ টাকা। কিন্তু গ্রাহকের কাছ থেকে নেয়া হয়েছে ২০০০
টাকা। বাড়তি টাকা ‘অফিসের বিবিধ খরচ’ বলে চালানো হয়েছে। সংবাদ-এ প্রকাশিত
প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এই তথ্য।
মূলত সেবাপ্রক্রিয়ায়
স্বচ্ছতা আনতে এবং হয়রানি কমাতে ভূমি ব্যবস্থাপনা ডিজিটাল করা হয়েছে। অনলাইনে কর পরিশোধের
ব্যবস্থা থাকলে নির্ধারিত অঙ্কের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের সুযোগই থাকার কথা নয়।
শেরপুরের ঘটনা প্রমাণ করে, ডিজিটাল ব্যবস্থার আড়ালেও দুর্নীতির পথ তৈরি হচ্ছে।
ভূমি অফিস
নিয়ে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে। দালালচক্র, অতিরিক্ত টাকা দাবি এবং জটিল
প্রক্রিয়ার কারণে মানুষ প্রায়ই ভোগান্তিতে পড়ে। অনলাইন ব্যবস্থা চালুর পর আশা করা হয়েছিল
এসব অনিয়ম কমবে। যদি ডিজিটাল ব্যবস্থার আড়ালেও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের সুযোগ থেকে যায়,
তাহলে প্রযুক্তিনির্ভর সেবার প্রতি মানুষের আস্থা হারাবে।
আমরা বলতে
চাই, উল্লিখিত অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। এই ঘটনার তদন্ত হওয়া দরকার। অভিযোগ
সত্য প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
ভূমি অফিসে
সেবার নির্ধারিত ফি স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করতে হবে। সেবাসংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণের কার্যকর
ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। সরকারি সেবা যেন কোনোভাবেই অনৈতিক অর্থ আদায়ের ক্ষেত্র না হয়,
সেটা কঠোরভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ এখন অনলাইন ব্যবস্থার আওতায় এসেছে। এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ছিল সেবা সহজ করা, হয়রানি কমানো, অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধ করা। বাস্তবে কি সেই লক্ষ্য পূরণ হচ্ছে?
বগুড়ার শেরপুরে
ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে গিয়ে এক গ্রাহকের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ
উঠেছে। নির্ধারিত খাজনা ছিল মাত্র ২৭৮ টাকা। কিন্তু গ্রাহকের কাছ থেকে নেয়া হয়েছে ২০০০
টাকা। বাড়তি টাকা ‘অফিসের বিবিধ খরচ’ বলে চালানো হয়েছে। সংবাদ-এ প্রকাশিত
প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এই তথ্য।
মূলত সেবাপ্রক্রিয়ায়
স্বচ্ছতা আনতে এবং হয়রানি কমাতে ভূমি ব্যবস্থাপনা ডিজিটাল করা হয়েছে। অনলাইনে কর পরিশোধের
ব্যবস্থা থাকলে নির্ধারিত অঙ্কের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের সুযোগই থাকার কথা নয়।
শেরপুরের ঘটনা প্রমাণ করে, ডিজিটাল ব্যবস্থার আড়ালেও দুর্নীতির পথ তৈরি হচ্ছে।
ভূমি অফিস
নিয়ে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে। দালালচক্র, অতিরিক্ত টাকা দাবি এবং জটিল
প্রক্রিয়ার কারণে মানুষ প্রায়ই ভোগান্তিতে পড়ে। অনলাইন ব্যবস্থা চালুর পর আশা করা হয়েছিল
এসব অনিয়ম কমবে। যদি ডিজিটাল ব্যবস্থার আড়ালেও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের সুযোগ থেকে যায়,
তাহলে প্রযুক্তিনির্ভর সেবার প্রতি মানুষের আস্থা হারাবে।
আমরা বলতে
চাই, উল্লিখিত অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। এই ঘটনার তদন্ত হওয়া দরকার। অভিযোগ
সত্য প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
ভূমি অফিসে
সেবার নির্ধারিত ফি স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করতে হবে। সেবাসংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণের কার্যকর
ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। সরকারি সেবা যেন কোনোভাবেই অনৈতিক অর্থ আদায়ের ক্ষেত্র না হয়,
সেটা কঠোরভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন