লাভজনক না হওয়ায় কাউন চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন কৃষকেরা। ফলন ও মুনাফা বেশি হওয়ায় তারা এখন ব্যাপকভাবে বোরো ধান চাষে ঝুঁকছেন। একসময় অভাবের দিনে ভাতের বিকল্প হিসেবে কাউনের চাল ব্যবহার করা হলেও এখন ধান চাষের প্রসারে সেই সংকট দূর হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এভাবে চাষ কমতে থাকলে নতুন প্রজন্মের কাছে কাউন চাষের বিষয়টি অপরিচিত হয়ে পড়বে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বোরো ধানে এখন গোলা ভরা থাকছে কৃষকের। ফলে অভাব দূর হওয়ায় আগের মতো কষ্ট করে আর কাউনের ভাত খেতে হয় না তাদের। তবে কাউন চাষ দিন দিন বিলুপ্ত হতে চলায় ঐতিহ্যের একটি ফসল হারানোর শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, রবি মৌসুমে কৃষকদের সব ধরনের শস্য চাষে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে কাউন চাষে কৃষকদের আগ্রহ ক্রমেই কমছে। চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৫০ হেক্টর জমিতে কাউন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু মাঠপর্যায়ের চিত্র বলছে, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম জমিতে এবার কাউনের আবাদ হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, “আমরা কৃষকদের কাউনসহ সব ধরনের রবি শস্য চাষে উৎসাহিত করছি। কিন্তু কৃষকেরা অধিক লাভের আশায় ধানের দিকেই বেশি ঝুঁকছেন। এতে কাউন চাষ এ অঞ্চল থেকে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে।”

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
লাভজনক না হওয়ায় কাউন চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন কৃষকেরা। ফলন ও মুনাফা বেশি হওয়ায় তারা এখন ব্যাপকভাবে বোরো ধান চাষে ঝুঁকছেন। একসময় অভাবের দিনে ভাতের বিকল্প হিসেবে কাউনের চাল ব্যবহার করা হলেও এখন ধান চাষের প্রসারে সেই সংকট দূর হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এভাবে চাষ কমতে থাকলে নতুন প্রজন্মের কাছে কাউন চাষের বিষয়টি অপরিচিত হয়ে পড়বে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বোরো ধানে এখন গোলা ভরা থাকছে কৃষকের। ফলে অভাব দূর হওয়ায় আগের মতো কষ্ট করে আর কাউনের ভাত খেতে হয় না তাদের। তবে কাউন চাষ দিন দিন বিলুপ্ত হতে চলায় ঐতিহ্যের একটি ফসল হারানোর শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, রবি মৌসুমে কৃষকদের সব ধরনের শস্য চাষে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে কাউন চাষে কৃষকদের আগ্রহ ক্রমেই কমছে। চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৫০ হেক্টর জমিতে কাউন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু মাঠপর্যায়ের চিত্র বলছে, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম জমিতে এবার কাউনের আবাদ হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, “আমরা কৃষকদের কাউনসহ সব ধরনের রবি শস্য চাষে উৎসাহিত করছি। কিন্তু কৃষকেরা অধিক লাভের আশায় ধানের দিকেই বেশি ঝুঁকছেন। এতে কাউন চাষ এ অঞ্চল থেকে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে।”

আপনার মতামত লিখুন