সংবাদ

বাংলাদেশ-চীন গ্রিন টেক্সটাইল এক্সপোর উদ্বোধন


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬, ০৫:২২ পিএম

 বাংলাদেশ-চীন গ্রিন টেক্সটাইল এক্সপোর উদ্বোধন
বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে তিন দিনব্যাপী ‘২য় বাংলাদেশ-চায়না গ্রিন টেক্সটাইল এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধন

সবুজ প্রযুক্তিনির্ভর টেক্সটাইল শিল্পে বাংলাদেশ-চীন অংশীদারিত্ব জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্পকে আরও টেকসই, পরিবেশবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে চীনের বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ঢাকার বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে তিন দিনব্যাপী ‘২য় বাংলাদেশ-চায়না গ্রিন টেক্সটাইল এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, চীনের শিল্পায়ন, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। তিনি চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে অর্থবহ বিনিয়োগের আহ্বান জানান, যাতে উভয় দেশের জন্য ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

খন্দকার মুক্তাদির আরও বলেন, চীন বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চীনা প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। তিনি বন্ধ রাষ্ট্রীয় মিল-কারখানা পুনরুজ্জীবন, পাটখাতের আধুনিকায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং সবুজ শিল্পায়নে চীনা বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের সর্বাধিক সংখ্যক সবুজ সনদপ্রাপ্ত পোশাক কারখানা রয়েছে, যা দেশের উদ্যোক্তাদের পরিবেশ সচেতনতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। পানি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করে টেক্সটাইল শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই করতে হবে।’

তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ-চীন যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ ধরনের প্রদর্শনী প্রযুক্তি বিনিময়, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং টেকসই শিল্পায়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। এতে বিজিএমইএর পরিচালক শাহ রায়ীদ চৌধুরী, বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) সভাপতি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, বাংলাদেশ গার্মেন্ট বাইং হাউস এসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল হামিদ পিন্টু, সেভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফয়েজুল আলম, চাইনিজ ইন্টারপ্রাইজ ইন বাংলাদেশের সভাপতি হান কুন এবং ওভারসীজ চাইনিজ এসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি লিসা লু উপস্থিত ছিলেন।

পরে বাণিজ্যমন্ত্রী এক্সপোর বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।

উল্লেখ্য, সবুজ টেক্সটাইল শিল্পের সবচেয়ে বিশেষায়িত এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ ও চীনের খ্যাতনামা টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস কোম্পানিগুলো, বিনিয়োগকারী, প্রযুক্তিবিদ ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল। প্রদর্শনীতে পরিবেশবান্ধব ও রিসাইকেলযোগ্য টেক্সটাইল প্রযুক্তির প্রদর্শন, সেমিনার ও প্যানেল আলোচনায় চীন ও বাংলাদেশের শীর্ষ উদ্যোক্তারা অংশ নিচ্ছেন।

প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী আগামী ১৬ মে শেষ হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬


বাংলাদেশ-চীন গ্রিন টেক্সটাইল এক্সপোর উদ্বোধন

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬

featured Image

সবুজ প্রযুক্তিনির্ভর টেক্সটাইল শিল্পে বাংলাদেশ-চীন অংশীদারিত্ব জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্পকে আরও টেকসই, পরিবেশবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে চীনের বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ঢাকার বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে তিন দিনব্যাপী ‘২য় বাংলাদেশ-চায়না গ্রিন টেক্সটাইল এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, চীনের শিল্পায়ন, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। তিনি চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে অর্থবহ বিনিয়োগের আহ্বান জানান, যাতে উভয় দেশের জন্য ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

খন্দকার মুক্তাদির আরও বলেন, চীন বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চীনা প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। তিনি বন্ধ রাষ্ট্রীয় মিল-কারখানা পুনরুজ্জীবন, পাটখাতের আধুনিকায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং সবুজ শিল্পায়নে চীনা বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের সর্বাধিক সংখ্যক সবুজ সনদপ্রাপ্ত পোশাক কারখানা রয়েছে, যা দেশের উদ্যোক্তাদের পরিবেশ সচেতনতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। পানি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করে টেক্সটাইল শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই করতে হবে।’

তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ-চীন যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ ধরনের প্রদর্শনী প্রযুক্তি বিনিময়, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং টেকসই শিল্পায়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। এতে বিজিএমইএর পরিচালক শাহ রায়ীদ চৌধুরী, বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) সভাপতি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, বাংলাদেশ গার্মেন্ট বাইং হাউস এসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল হামিদ পিন্টু, সেভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফয়েজুল আলম, চাইনিজ ইন্টারপ্রাইজ ইন বাংলাদেশের সভাপতি হান কুন এবং ওভারসীজ চাইনিজ এসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশের সহ-সভাপতি লিসা লু উপস্থিত ছিলেন।

পরে বাণিজ্যমন্ত্রী এক্সপোর বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।

উল্লেখ্য, সবুজ টেক্সটাইল শিল্পের সবচেয়ে বিশেষায়িত এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ ও চীনের খ্যাতনামা টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস কোম্পানিগুলো, বিনিয়োগকারী, প্রযুক্তিবিদ ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল। প্রদর্শনীতে পরিবেশবান্ধব ও রিসাইকেলযোগ্য টেক্সটাইল প্রযুক্তির প্রদর্শন, সেমিনার ও প্যানেল আলোচনায় চীন ও বাংলাদেশের শীর্ষ উদ্যোক্তারা অংশ নিচ্ছেন।

প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী আগামী ১৬ মে শেষ হবে।



সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত