আগামী ২১ মে’র মধ্যে দেশের সব কারখানায় শ্রমিকদের ঈদ বোনাস ও নির্ধারিত তারিখের মধ্যে মাসিক বেতন পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। শ্রমিকদের ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মালিকপক্ষকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের ৯৫তম ও আরএমজি বিষয়ক ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের ২৪তম সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শ্রমিকদের ঈদ যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সড়কে যানজট এড়াতে মালিক ও শ্রমিক পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে বা ধাপে ধাপে কারখানাগুলো ছুটি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বেতন-বোনাস পরিশোধ ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সভায় শ্রমিক প্রতিনিধিরা জানান, সঠিক সময়ে বেতন ও বোনাস পরিশোধ করা হলে কোনো ধরনের আন্দোলন বা শিল্প অসন্তোষ সৃষ্টি হবে না। তবে যেসব কারখানা এখনও বকেয়া বেতন পরিশোধ করেনি, তাদের বিষয়ে সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। এছাড়া শ্রমিকদের ঈদ যাত্রা সহজ করতে বিশেষ বাস, ট্রেন ও লঞ্চের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানান শ্রমিক প্রতিনিধিরা।
সভায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুর রহমান তরফদারের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি ফজলে শামীম এহসান, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনসহ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মালিক ও শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
আগামী ২১ মে’র মধ্যে দেশের সব কারখানায় শ্রমিকদের ঈদ বোনাস ও নির্ধারিত তারিখের মধ্যে মাসিক বেতন পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। শ্রমিকদের ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মালিকপক্ষকে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের ৯৫তম ও আরএমজি বিষয়ক ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের ২৪তম সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শ্রমিকদের ঈদ যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সড়কে যানজট এড়াতে মালিক ও শ্রমিক পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে বা ধাপে ধাপে কারখানাগুলো ছুটি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বেতন-বোনাস পরিশোধ ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সভায় শ্রমিক প্রতিনিধিরা জানান, সঠিক সময়ে বেতন ও বোনাস পরিশোধ করা হলে কোনো ধরনের আন্দোলন বা শিল্প অসন্তোষ সৃষ্টি হবে না। তবে যেসব কারখানা এখনও বকেয়া বেতন পরিশোধ করেনি, তাদের বিষয়ে সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। এছাড়া শ্রমিকদের ঈদ যাত্রা সহজ করতে বিশেষ বাস, ট্রেন ও লঞ্চের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানান শ্রমিক প্রতিনিধিরা।
সভায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুর রহমান তরফদারের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি ফজলে শামীম এহসান, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনসহ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মালিক ও শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন