ঢাকা শহরের যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের সভায় সভাপতিত্ব করে এ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
এটি ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সভা।
সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বৈঠকে অংশ নেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাকে আধুনিক ও সুশৃঙ্খল কাঠামোর আওতায় আনার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। ট্রাফিক পুলিশের কার্যক্রমে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে ব্যবস্থাপনা উন্নত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
ঢাকার চারপাশের নৌপথ ও রেল যোগাযোগকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয় যাতে সড়কের ওপর চাপ কমানো সম্ভব হয়। সভায় সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকদের নিজ নিজ এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং অবৈধ পার্কিং বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সিটি করপোরেশনগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন যাতে নগরবাসী যানজটের ভোগান্তি থেকে মুক্তি পায়। জনস্বার্থ বিবেচনায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার নিয়মিত পর্যালোচনা ও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকার আশা করছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব নির্দেশনার বাস্তবায়ন শুরু হলে রাজধানীর যাতায়াত ব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
ঢাকা শহরের যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সন্ধ্যায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের সভায় সভাপতিত্ব করে এ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
এটি ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সভা।
সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বৈঠকে অংশ নেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাকে আধুনিক ও সুশৃঙ্খল কাঠামোর আওতায় আনার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। ট্রাফিক পুলিশের কার্যক্রমে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে ব্যবস্থাপনা উন্নত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
ঢাকার চারপাশের নৌপথ ও রেল যোগাযোগকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয় যাতে সড়কের ওপর চাপ কমানো সম্ভব হয়। সভায় সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকদের নিজ নিজ এলাকায় ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং অবৈধ পার্কিং বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সিটি করপোরেশনগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন যাতে নগরবাসী যানজটের ভোগান্তি থেকে মুক্তি পায়। জনস্বার্থ বিবেচনায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার নিয়মিত পর্যালোচনা ও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকার আশা করছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব নির্দেশনার বাস্তবায়ন শুরু হলে রাজধানীর যাতায়াত ব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে।

আপনার মতামত লিখুন