প্রচলিত আমলাতান্ত্রিক দূরত্ব কমিয়ে অংশগ্রহণমূলক কর্মপরিবেশ তৈরি করতে নিজ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তথ্যমন্ত্রী একথা বলেন। সংবিধান, আইন ও বিধিবিধানের বাইরে গিয়ে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সভায় তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানাসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও শাখার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রশাসনের সর্বস্তরে দ্রুত ডিজিটালাইজেশনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, “তথ্যের স্বচ্ছতা না থাকলে অযথা সন্দেহ তৈরি হয়। তাই মন্ত্রণালয়ের সব কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।”
কর্মকর্তাদের মুক্তভাবে মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, “কালেক্টিভ নলেজের চাইতে বড়ো কোনো নলেজ নেই।” তিনি বলেন, “বিচ্ছিন্নভাবে থাকা সক্ষমতাকে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে কেন্দ্রীভূত করতে পারলে প্রশাসনের কার্যকারিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।”
মন্ত্রী উদাহরণ দিয়ে বলেন, “যেমন ছড়িয়ে থাকা আলোকে লেজারে রূপান্তর করলে তার শক্তি বহুগুণ বেড়ে যায়, তেমনি সম্মিলিত দক্ষতা ও আন্তরিকতাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে প্রশাসন আরও উৎপাদনশীল হয়ে উঠবে।”
মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সরকার ও রাষ্ট্রকে এক করে দেখার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে এসে জনগণের কল্যাণে একটি জবাবদিহিমূলক, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসনিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, “রাষ্ট্র কোনো ব্যক্তি বা সরকারের ব্যক্তিগত ডিভাইস নয়। জনগণের ইচ্ছাই রাষ্ট্র পরিচালনার মূল শক্তি এবং জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হলে কোনো সরকারই টিকে থাকতে পারে না।”

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
প্রচলিত আমলাতান্ত্রিক দূরত্ব কমিয়ে অংশগ্রহণমূলক কর্মপরিবেশ তৈরি করতে নিজ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তথ্যমন্ত্রী একথা বলেন। সংবিধান, আইন ও বিধিবিধানের বাইরে গিয়ে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সভায় তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানাসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও শাখার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রশাসনের সর্বস্তরে দ্রুত ডিজিটালাইজেশনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, “তথ্যের স্বচ্ছতা না থাকলে অযথা সন্দেহ তৈরি হয়। তাই মন্ত্রণালয়ের সব কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।”
কর্মকর্তাদের মুক্তভাবে মতামত ও পরামর্শ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, “কালেক্টিভ নলেজের চাইতে বড়ো কোনো নলেজ নেই।” তিনি বলেন, “বিচ্ছিন্নভাবে থাকা সক্ষমতাকে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে কেন্দ্রীভূত করতে পারলে প্রশাসনের কার্যকারিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।”
মন্ত্রী উদাহরণ দিয়ে বলেন, “যেমন ছড়িয়ে থাকা আলোকে লেজারে রূপান্তর করলে তার শক্তি বহুগুণ বেড়ে যায়, তেমনি সম্মিলিত দক্ষতা ও আন্তরিকতাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে প্রশাসন আরও উৎপাদনশীল হয়ে উঠবে।”
মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সরকার ও রাষ্ট্রকে এক করে দেখার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে এসে জনগণের কল্যাণে একটি জবাবদিহিমূলক, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসনিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, “রাষ্ট্র কোনো ব্যক্তি বা সরকারের ব্যক্তিগত ডিভাইস নয়। জনগণের ইচ্ছাই রাষ্ট্র পরিচালনার মূল শক্তি এবং জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হলে কোনো সরকারই টিকে থাকতে পারে না।”

আপনার মতামত লিখুন