পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের মানুষের টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জীবনমান উন্নয়নে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) কার্যক্রম আরও কার্যকর ও সহায়তামূলক ভূমিকা চেয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। তিনি বলেছেন, সরকার এখন প্রথাগত ত্রাণের পরিবর্তে বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলের যুবক-যুবতীদের কারিগরি দক্ষতায় গড়ে তোলার ওপর অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিস কক্ষে ডব্লিউএফপির একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকালে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় নিরাপদ খাদ্য সহায়তা বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক ও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর (সোস্যাল সেফটি নেট) ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা এবং এর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডব্লিউএফপির কারিগরি সহায়তা অত্যন্ত প্রয়োজন। এ ছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থা নাজুক এমন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় জরুরি বা আপদকালীন সময়ে দ্রুত খাদ্য সহায়তা পৌঁছানোর জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণেরও অনুরোধ জানান তিনি।
ডব্লিউএফপি প্রতিনিধি দল পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তা ও দক্ষতা উন্নয়নে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার আশ্বাস দেন তারা।
সাক্ষাৎকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর মিস সিমোন পার্চমেন্ট উপস্থিত ছিলেন। ডব্লিউএফপি প্রতিনিধি দলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন সিনিয়র পার্টনারশিপ অ্যাডভাইজার মো. মহসিন, ডেপুটি হেড অব প্রোগ্রাম মিজ মাবিবেথ ব্ল্যাক, হেড অব অপারেশন হাফিজা খান এবং প্রোগ্রাম পলিসি অফিসার সুমিত্র চাকমা। এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ রেজুয়ান খান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের মানুষের টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জীবনমান উন্নয়নে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) কার্যক্রম আরও কার্যকর ও সহায়তামূলক ভূমিকা চেয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। তিনি বলেছেন, সরকার এখন প্রথাগত ত্রাণের পরিবর্তে বিশেষ করে পার্বত্য অঞ্চলের যুবক-যুবতীদের কারিগরি দক্ষতায় গড়ে তোলার ওপর অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিস কক্ষে ডব্লিউএফপির একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকালে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় নিরাপদ খাদ্য সহায়তা বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক ও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর (সোস্যাল সেফটি নেট) ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা এবং এর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডব্লিউএফপির কারিগরি সহায়তা অত্যন্ত প্রয়োজন। এ ছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থা নাজুক এমন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় জরুরি বা আপদকালীন সময়ে দ্রুত খাদ্য সহায়তা পৌঁছানোর জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণেরও অনুরোধ জানান তিনি।
ডব্লিউএফপি প্রতিনিধি দল পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তা ও দক্ষতা উন্নয়নে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার আশ্বাস দেন তারা।
সাক্ষাৎকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর মিস সিমোন পার্চমেন্ট উপস্থিত ছিলেন। ডব্লিউএফপি প্রতিনিধি দলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন সিনিয়র পার্টনারশিপ অ্যাডভাইজার মো. মহসিন, ডেপুটি হেড অব প্রোগ্রাম মিজ মাবিবেথ ব্ল্যাক, হেড অব অপারেশন হাফিজা খান এবং প্রোগ্রাম পলিসি অফিসার সুমিত্র চাকমা। এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ রেজুয়ান খান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন