সংবাদ

বড় ঋণ নেওয়া সহজ হচ্ছে, বাড়লো সীমা


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬, ০৯:২৫ পিএম

বড় ঋণ নেওয়া সহজ হচ্ছে, বাড়লো সীমা
ছবি : সংগৃহীত

একক কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপ এখন ব্যাংক থেকে আগের চেয়ে অনেক বড় অঙ্কের ঋণ নিতে পারবেন। সেইসঙ্গে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রেও শর্ত কিছুটা সহজ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বাংলাদেশ ব্যাংক এক সার্কুলারে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে।

এর আগে কোনো একক ঋণগ্রহীতা ব্যাংকের মূলধনের সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ নিতে পারতেন। সেই সীমা বাড়িয়ে এখন ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। তবে এ শিথিলতা কেবল আগামী ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে।

এতে কোনো ব্যাংকের মূলধন যদি ১ হাজার কোটি টাকা হয়, তাহলে ওই ব্যাংক এখন একক একজন ঋণগ্রহীতাকে সর্বোচ্চ ২৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত (ফান্ডেড ও নন-ফান্ডেড এক্সপোজার মিলিয়ে) ঋণ দিতে পারবে। আগে দিতে পারতেন ১৫০ কোটি টাকা।

রপ্তানি-আমদানির কাজে অনেক সময় ব্যাংক জামিন দিতে হয়। একে বলে নন-ফান্ডেড এক্সপোজার (যেমন ব্যাংক গ্যারান্টি, এলসি)। এ ধরনের ঋণের ক্ষেত্রে আগে পুরো টাকার ৫০ শতাংশ ধরে হিসাব করতে হতো। এখন সেটি কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে।

অর্থাৎ, কেউ যদি ১০০ কোটি টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি চান, তাহলে এখন সেটির মাত্র ২৫ কোটি টাকা ধরে ব্যাংকের ঋণ সীমার হিসাব হবে। আগে হিসাব হতো ৫০ কোটি টাকা। এতে করে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো সহজেই বেশি পরিমাণ এলসি ও গ্যারান্টি পাবে।

মূলত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও দেশের শিল্পখাতের অর্থায়ন সহজ করতেই এ সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রপ্তানি বাণিজ্য চাঙা করতে এবং উদ্যোক্তাদের বড় প্রকল্পে বিনিয়োগে উৎসাহ দিতেই এ পদক্ষেপ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক একবারেই সব শর্ত পুরোপুরি শিথিল করে দেয়নি। বরং এটা একটি অস্থায়ী সুবিধা। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ধীরে ধীরে পুরোনো নিয়মে ফিরে যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সময়সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সুবিধা কমিয়ে ৩০ শতাংশ, ২০২৮ সালের শেষে ৪০ শতাংশ এবং ২০২৯ সালের শেষ নাগাদ তা আবার ৫০ শতাংশে উন্নীত হবে। ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পুরোনো নিয়মেই সবকিছু চলবে।

শুধু তাই নয়, ব্যাংক কত বড় ঋণ দিতে পারবে, সেটি এখন খারাপ ঋণের (শ্রেণিকৃত ঋণ) ওপরও নির্ভর করছে। কোনো ব্যাংকের মোট বড় ঋণের মধ্যে খারাপ ঋণের পরিমাণ ১০ শতাংশের কম হলে, সে ব্যাংক তার মোট বিতরণ করা ঋণের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ‘বৃহৎ ঋণ’ দিতে পারবে। খারাপ ঋণ বাড়লে এই সীমা কমে ৩০ শতাংশে নেমে আসবে। সূত্র: বাসস

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬


বড় ঋণ নেওয়া সহজ হচ্ছে, বাড়লো সীমা

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬

featured Image

একক কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপ এখন ব্যাংক থেকে আগের চেয়ে অনেক বড় অঙ্কের ঋণ নিতে পারবেন। সেইসঙ্গে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রেও শর্ত কিছুটা সহজ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বাংলাদেশ ব্যাংক এক সার্কুলারে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে।

এর আগে কোনো একক ঋণগ্রহীতা ব্যাংকের মূলধনের সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ নিতে পারতেন। সেই সীমা বাড়িয়ে এখন ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। তবে এ শিথিলতা কেবল আগামী ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে।

এতে কোনো ব্যাংকের মূলধন যদি ১ হাজার কোটি টাকা হয়, তাহলে ওই ব্যাংক এখন একক একজন ঋণগ্রহীতাকে সর্বোচ্চ ২৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত (ফান্ডেড ও নন-ফান্ডেড এক্সপোজার মিলিয়ে) ঋণ দিতে পারবে। আগে দিতে পারতেন ১৫০ কোটি টাকা।

রপ্তানি-আমদানির কাজে অনেক সময় ব্যাংক জামিন দিতে হয়। একে বলে নন-ফান্ডেড এক্সপোজার (যেমন ব্যাংক গ্যারান্টি, এলসি)। এ ধরনের ঋণের ক্ষেত্রে আগে পুরো টাকার ৫০ শতাংশ ধরে হিসাব করতে হতো। এখন সেটি কমিয়ে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে।

অর্থাৎ, কেউ যদি ১০০ কোটি টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি চান, তাহলে এখন সেটির মাত্র ২৫ কোটি টাকা ধরে ব্যাংকের ঋণ সীমার হিসাব হবে। আগে হিসাব হতো ৫০ কোটি টাকা। এতে করে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো সহজেই বেশি পরিমাণ এলসি ও গ্যারান্টি পাবে।

মূলত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও দেশের শিল্পখাতের অর্থায়ন সহজ করতেই এ সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রপ্তানি বাণিজ্য চাঙা করতে এবং উদ্যোক্তাদের বড় প্রকল্পে বিনিয়োগে উৎসাহ দিতেই এ পদক্ষেপ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক একবারেই সব শর্ত পুরোপুরি শিথিল করে দেয়নি। বরং এটা একটি অস্থায়ী সুবিধা। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ধীরে ধীরে পুরোনো নিয়মে ফিরে যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সময়সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সুবিধা কমিয়ে ৩০ শতাংশ, ২০২৮ সালের শেষে ৪০ শতাংশ এবং ২০২৯ সালের শেষ নাগাদ তা আবার ৫০ শতাংশে উন্নীত হবে। ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পুরোনো নিয়মেই সবকিছু চলবে।

শুধু তাই নয়, ব্যাংক কত বড় ঋণ দিতে পারবে, সেটি এখন খারাপ ঋণের (শ্রেণিকৃত ঋণ) ওপরও নির্ভর করছে। কোনো ব্যাংকের মোট বড় ঋণের মধ্যে খারাপ ঋণের পরিমাণ ১০ শতাংশের কম হলে, সে ব্যাংক তার মোট বিতরণ করা ঋণের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ‘বৃহৎ ঋণ’ দিতে পারবে। খারাপ ঋণ বাড়লে এই সীমা কমে ৩০ শতাংশে নেমে আসবে। সূত্র: বাসস


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত