কোরবানির চামড়া যাতে নষ্ট না হয়, সেজন্য এবারও বিনামূল্যে লবণ দিচ্ছে সরকার। এ খাতে ব্যয় হবে প্রায় ১৮ কোটি টাকা। আর চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে গরুর লবণযুক্ত চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুটে ২ টাকা বাড়ানো হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘কোরবানি সম্পর্কিত বিষয়াদির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ কমিটি’র সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘চামড়া সংরক্ষণে এবারো ১৮ কোটি টাকার লবণ বিনামূল্যে দেবে সরকার। প্রতিটি জেলা ও উপজেলা প্রশাসন চামড়া সংরক্ষণে সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ দেবেন।’
প্রসঙ্গত, চামড়া নষ্টের অন্যতম কারণ লবণের অভাব ও সঠিক সংরক্ষণ পদ্ধতি না জানা। এ বছর সরকারি উদ্যোগে মাঠপর্যায়ে ব্যবসায়ী ও মাদ্রাসাভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রশিক্ষণ ও লবণ সরবরাহে এ বছর সরকারের ব্যয় হবে প্রায় ১৮ কোটি টাকা।
এবার ঢাকায় গরুর লবণযুক্ত চামড়ার প্রতি বর্গফুটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬২ থেকে ৬৭ টাকা। গত বছর এই দাম ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। ঢাকার বাইরে গরুর চামড়া বিক্রি হবে ৫৭ থেকে ৬২ টাকায়, যা গত বছর ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। অর্থাৎ ঢাকায় ও ঢাকার বাইরে- উভয় ক্ষেত্রেই প্রতি বর্গফুটে দাম বেড়েছে ২ টাকা করে।
খাসির লবণযুক্ত চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি বর্গফুটে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। আর বকরি বা ছাগলের চামড়া বিক্রি হবে ২২ থেকে ২৫ টাকায়। ঢাকা ও ঢাকার বাইরে এই দাম একই থাকবে।
চামড়া ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা বলেন, ‘বাড়তি দাম ও বিনামূল্যে লবণ সরবরাহ- দুটোই চামড়া শিল্পের জন্য ইতিবাচক। এতে চামড়া নষ্ট কমবে এবং ব্যবসায়ীরাও ন্যায্য দাম পাবেন।’
সরকার আশা করছে, এবার চামড়া নষ্টের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। এ জন্য মাঠ পর্যায়ে কঠোর নজরদারি ও সচেতনতা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন—তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ), মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
কোরবানির চামড়া যাতে নষ্ট না হয়, সেজন্য এবারও বিনামূল্যে লবণ দিচ্ছে সরকার। এ খাতে ব্যয় হবে প্রায় ১৮ কোটি টাকা। আর চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে গরুর লবণযুক্ত চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুটে ২ টাকা বাড়ানো হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘কোরবানি সম্পর্কিত বিষয়াদির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ কমিটি’র সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘চামড়া সংরক্ষণে এবারো ১৮ কোটি টাকার লবণ বিনামূল্যে দেবে সরকার। প্রতিটি জেলা ও উপজেলা প্রশাসন চামড়া সংরক্ষণে সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ দেবেন।’
প্রসঙ্গত, চামড়া নষ্টের অন্যতম কারণ লবণের অভাব ও সঠিক সংরক্ষণ পদ্ধতি না জানা। এ বছর সরকারি উদ্যোগে মাঠপর্যায়ে ব্যবসায়ী ও মাদ্রাসাভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রশিক্ষণ ও লবণ সরবরাহে এ বছর সরকারের ব্যয় হবে প্রায় ১৮ কোটি টাকা।
এবার ঢাকায় গরুর লবণযুক্ত চামড়ার প্রতি বর্গফুটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬২ থেকে ৬৭ টাকা। গত বছর এই দাম ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। ঢাকার বাইরে গরুর চামড়া বিক্রি হবে ৫৭ থেকে ৬২ টাকায়, যা গত বছর ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। অর্থাৎ ঢাকায় ও ঢাকার বাইরে- উভয় ক্ষেত্রেই প্রতি বর্গফুটে দাম বেড়েছে ২ টাকা করে।
খাসির লবণযুক্ত চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি বর্গফুটে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। আর বকরি বা ছাগলের চামড়া বিক্রি হবে ২২ থেকে ২৫ টাকায়। ঢাকা ও ঢাকার বাইরে এই দাম একই থাকবে।
চামড়া ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা বলেন, ‘বাড়তি দাম ও বিনামূল্যে লবণ সরবরাহ- দুটোই চামড়া শিল্পের জন্য ইতিবাচক। এতে চামড়া নষ্ট কমবে এবং ব্যবসায়ীরাও ন্যায্য দাম পাবেন।’
সরকার আশা করছে, এবার চামড়া নষ্টের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। এ জন্য মাঠ পর্যায়ে কঠোর নজরদারি ও সচেতনতা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন—তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ), মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

আপনার মতামত লিখুন