সংবাদ

সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন: আওয়ামী লীগহীন ভোটে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়, একটিতে জামায়াত


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ০১:৫৬ এএম

সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন: আওয়ামী লীগহীন ভোটে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়, একটিতে জামায়াত

​সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০২৬-২৭ মেয়াদের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য বা নীল প্যানেল। সভাপতি ও সম্পাদকসহ ১৪টি পদের মধ্যে ১৩টিতেই জয়ী হয়েছেন এই প্যানেলের প্রার্থীরা। অন্যদিকে জামায়াত সমর্থিত সবুজ প্যানেল থেকে কেবল একজন সদস্য পদে বিজয়ী হতে পেরেছেন। তবে মনোনয়ন বাতিল হওয়ার কারণে আওয়ামী লীগপন্থি আইনজীবীরা এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেননি। গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দিবাগত রাত দুইটার দিকে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন উপ-কমিটির আহ্বায়ক অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী।

​ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল থেকে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ আলী। এই প্যানেল থেকে বিজয়ী অন্য প্রার্থীরা হলেন সহসভাপতির দুটি পদে মো. মাগফুর রহমান শেখ ও মো. শাহজাহান, কোষাধ্যক্ষ পদে মো. জিয়াউর রহমান এবং সহসম্পাদকের দুটি পদে মাকসুদ উল্লাহ ও মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম মুকুল। সাতটি সদস্য পদের মধ্যে নীল প্যানেলের ছয়জন জয়ী হয়েছেন। তারা হলেন এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী, এ কে এ এম আজাদ হোসেন, মো. কবির হোসেন, মো. টিপু সুলতান, মো. জিয়া উদ্দিন মিয়া ও ওয়াহিদ আফরোজ চৌধুরী। সদস্য পদের বাকি একটিতে জয়লাভ করেছেন জামায়াত সমর্থিত সবুজ প্যানেলের প্রার্থী মো. আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত লাল-সবুজ প্যানেল থেকে কেউ জয়ী হতে পারেননি।

​সুপ্রিম কোর্ট বারের এই নির্বাচন ১৩ ও ১৪ মে অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে। ১১ হাজার ৯৭ জন ভোটারের মধ্যে দুই দিনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ৪ হাজার ৪৮ জন, যা মোট ভোটারের ৩৬.৪৮ শতাংশ। বিগত বছরগুলোর চেয়ে এবারের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার তুলনামূলক কম ছিল। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০-২১ মেয়াদে ৭ হাজার ৭৮১ ভোটারের মধ্যে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৯৪০টি ভোট পড়েছিল। তবে ২০২৩-২৪ মেয়াদে ভোটার সংখ্যা ৮ হাজার ৬০২ হলেও ভোট পড়েছিল ৪ হাজার ১৩৭টি। এবারের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়ে গেলেও ভোট পড়েছে অর্ধেকেরও কম।

​ভোটের হার কম হওয়ার বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী গতকাল সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “আগে এই সিস্টেম ছিল না, এখন তো অন্য সিস্টেম হইছে। আগে হালকা আওয়াজ ছিল, আনন্দ ফুর্তি ছিল... কিন্তু এই মারামারি, হাউকাউ ছিল না।” বিগত কয়েক বছরের নির্বাচনের বিশৃঙ্খল পরিবেশের সমালোচনা করে তিনি জানান, এবার তেমন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। একটি প্যানেলের অনুপস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমাদের কাছে কোনো পক্ষ নাই, সবাই কলিগ। নানা জনের নানা মত থাকে।”

​এবারের নির্বাচনের আগে ৪০ জনের বেশি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে এসব প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। তখন মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা অভিযোগ করে বলেছিলেন, “কোনো ধরনের নোটিশ বা প্রকাশ্যে যাচাই-বাছাই ছাড়াই ৪০ জনের বেশি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা সুপ্রিম কোর্ট অঙ্গনের জন্য অযৌক্তিক, অবৈধ ও কলঙ্কজনক।” তারা আরও অভিযোগ করেন যে, উপর মহলের নির্দেশে তাদের প্রার্থিতা বেআইনিভাবে বাতিল করা হয়েছে, যা পেশাজীবী সংগঠনের গঠনতন্ত্র পরিপন্থি এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

​অন্যদিকে নির্বাচন উপকমিটির আহ্বায়ক বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী তখন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, “প্রার্থিতা স্ক্রুটিনির (যাচাই-বাছাই) দায়িত্বটা হচ্ছে বর্তমান সেক্রেটারির। এটা আমাদের সুপ্রিম কোর্ট বারের সংবিধান অনুযায়ী সেক্রেটারির দায়িত্ব... কারে কারে তারা বাদ দিছে, কাদের বাদ দেয়নি এটা আমি জানিও না, জানতে চাইও না।”

বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের পক্ষ থেকে সে সময় দাবি করা হয়, জুলাই যোদ্ধা ও সাধারণ আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ সাধারণ সভার (ইজিএম) মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের নির্বাচনে অংশ নিতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

​এবারের নির্বাচন ঘিরে দুই দফায় তারিখ ঘোষণা করা হয়েছিল। শুরুতে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সমিতির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান মিলনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে ১১ ও ১২ মার্চ নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। তবে ১ মার্চ অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সাধারণ সভায় আগের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ১৩ ও ১৪ মে নির্বাচনের নতুন তারিখ চূড়ান্ত করা হয়। ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

এর আগে সর্বশেষ ২০২৪ সালের মার্চে সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই নির্বাচনে বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা সভাপতি পদসহ মাত্র চারটি পদে জয়ী হয়েছিলেন। অন্যদিকে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা সম্পাদক পদসহ ১০টি পদে জয়লাভ করেছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬


সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন: আওয়ামী লীগহীন ভোটে বিএনপির নিরঙ্কুশ জয়, একটিতে জামায়াত

প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬

featured Image

​সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০২৬-২৭ মেয়াদের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য বা নীল প্যানেল। সভাপতি ও সম্পাদকসহ ১৪টি পদের মধ্যে ১৩টিতেই জয়ী হয়েছেন এই প্যানেলের প্রার্থীরা। অন্যদিকে জামায়াত সমর্থিত সবুজ প্যানেল থেকে কেবল একজন সদস্য পদে বিজয়ী হতে পেরেছেন। তবে মনোনয়ন বাতিল হওয়ার কারণে আওয়ামী লীগপন্থি আইনজীবীরা এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেননি। গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দিবাগত রাত দুইটার দিকে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন উপ-কমিটির আহ্বায়ক অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী।

​ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপি সমর্থিত নীল প্যানেল থেকে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন এবং সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ আলী। এই প্যানেল থেকে বিজয়ী অন্য প্রার্থীরা হলেন সহসভাপতির দুটি পদে মো. মাগফুর রহমান শেখ ও মো. শাহজাহান, কোষাধ্যক্ষ পদে মো. জিয়াউর রহমান এবং সহসম্পাদকের দুটি পদে মাকসুদ উল্লাহ ও মোহাম্মদ শামসুল ইসলাম মুকুল। সাতটি সদস্য পদের মধ্যে নীল প্যানেলের ছয়জন জয়ী হয়েছেন। তারা হলেন এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী, এ কে এ এম আজাদ হোসেন, মো. কবির হোসেন, মো. টিপু সুলতান, মো. জিয়া উদ্দিন মিয়া ও ওয়াহিদ আফরোজ চৌধুরী। সদস্য পদের বাকি একটিতে জয়লাভ করেছেন জামায়াত সমর্থিত সবুজ প্যানেলের প্রার্থী মো. আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত লাল-সবুজ প্যানেল থেকে কেউ জয়ী হতে পারেননি।

​সুপ্রিম কোর্ট বারের এই নির্বাচন ১৩ ও ১৪ মে অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে। ১১ হাজার ৯৭ জন ভোটারের মধ্যে দুই দিনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ৪ হাজার ৪৮ জন, যা মোট ভোটারের ৩৬.৪৮ শতাংশ। বিগত বছরগুলোর চেয়ে এবারের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার তুলনামূলক কম ছিল। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০-২১ মেয়াদে ৭ হাজার ৭৮১ ভোটারের মধ্যে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৯৪০টি ভোট পড়েছিল। তবে ২০২৩-২৪ মেয়াদে ভোটার সংখ্যা ৮ হাজার ৬০২ হলেও ভোট পড়েছিল ৪ হাজার ১৩৭টি। এবারের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়ে গেলেও ভোট পড়েছে অর্ধেকেরও কম।

​ভোটের হার কম হওয়ার বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী গতকাল সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “আগে এই সিস্টেম ছিল না, এখন তো অন্য সিস্টেম হইছে। আগে হালকা আওয়াজ ছিল, আনন্দ ফুর্তি ছিল... কিন্তু এই মারামারি, হাউকাউ ছিল না।” বিগত কয়েক বছরের নির্বাচনের বিশৃঙ্খল পরিবেশের সমালোচনা করে তিনি জানান, এবার তেমন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। একটি প্যানেলের অনুপস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমাদের কাছে কোনো পক্ষ নাই, সবাই কলিগ। নানা জনের নানা মত থাকে।”

​এবারের নির্বাচনের আগে ৪০ জনের বেশি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে এসব প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। তখন মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা অভিযোগ করে বলেছিলেন, “কোনো ধরনের নোটিশ বা প্রকাশ্যে যাচাই-বাছাই ছাড়াই ৪০ জনের বেশি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা সুপ্রিম কোর্ট অঙ্গনের জন্য অযৌক্তিক, অবৈধ ও কলঙ্কজনক।” তারা আরও অভিযোগ করেন যে, উপর মহলের নির্দেশে তাদের প্রার্থিতা বেআইনিভাবে বাতিল করা হয়েছে, যা পেশাজীবী সংগঠনের গঠনতন্ত্র পরিপন্থি এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

​অন্যদিকে নির্বাচন উপকমিটির আহ্বায়ক বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী তখন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, “প্রার্থিতা স্ক্রুটিনির (যাচাই-বাছাই) দায়িত্বটা হচ্ছে বর্তমান সেক্রেটারির। এটা আমাদের সুপ্রিম কোর্ট বারের সংবিধান অনুযায়ী সেক্রেটারির দায়িত্ব... কারে কারে তারা বাদ দিছে, কাদের বাদ দেয়নি এটা আমি জানিও না, জানতে চাইও না।”

বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের পক্ষ থেকে সে সময় দাবি করা হয়, জুলাই যোদ্ধা ও সাধারণ আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ সাধারণ সভার (ইজিএম) মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের নির্বাচনে অংশ নিতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

​এবারের নির্বাচন ঘিরে দুই দফায় তারিখ ঘোষণা করা হয়েছিল। শুরুতে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সমিতির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান মিলনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে ১১ ও ১২ মার্চ নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। তবে ১ মার্চ অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সাধারণ সভায় আগের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ১৩ ও ১৪ মে নির্বাচনের নতুন তারিখ চূড়ান্ত করা হয়। ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

এর আগে সর্বশেষ ২০২৪ সালের মার্চে সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই নির্বাচনে বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা সভাপতি পদসহ মাত্র চারটি পদে জয়ী হয়েছিলেন। অন্যদিকে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা সম্পাদক পদসহ ১০টি পদে জয়লাভ করেছিলেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত