দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে এই মুহূর্তে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে বাংলাদেশ। ফলে সিরিজ হারের কোনো শঙ্কাই নেই নাজমুল হোসেন শান্তদের সামনে। আজ শনিবার থেকে শুরু হতে যাওয়া সিলেট টেস্টে স্বাগতিকদের সামনে এখন দুটি সমীকরণ ম্যাচ জিতে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করা, অথবা ড্র করে সিরিজ নিজেদের করে নেওয়া। যেকোনো একটি সমীকরণ মিললেই মিলবে ঐতিহাসিক সাফল্য; টেস্টে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের স্বাদ পাবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
তবে এই ম্যাচে বাংলাদেশের সামনে প্রতিপক্ষের চেয়েও বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে সিলেটের আবহাওয়া। বেশ কিছুদিন ধরেই সিলেটে টানা বৃষ্টি হচ্ছে, যা গতকাল শুক্রবারও ব্যাহত করেছে স্বাভাবিক পরিস্থিতি। টেস্টের বাকি দিনগুলোতেও বৃষ্টির এই বাগড়া বজায় থাকার শঙ্কা রয়েছে।
অবশ্য আবহাওয়ার কারণে ম্যাচ ড্র হলে ট্রফি উঠবে বাংলাদেশের হাতেই। তবে মাঠের লড়াইয়ে জিতেই মাঠ ছাড়তে প্রত্যয়ী টাইগাররা। দলটির অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম সিলেটের আবহাওয়াকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন: "এখানে উইকেটের চেয়ে আবহাওয়া বড় চ্যালেঞ্জ। যদিও মিরপুরের মতোই ড্রেনেজ সিস্টেম যেহেতু ভালো, আবহাওয়া একটু ভালো হলে ফলাফল বের করা সম্ভব।"
সিলেট টেস্টের জন্য পেসারদের সহায়ক করে সবুজ উইকেট প্রস্তুত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে বৃষ্টি বাধা হয়ে না দাঁড়ালে উইকেটে যতই ঘাস থাকুক, ব্যাটাররাও সুবিধা পাবেন বলে আশাবাদী মুশফিক। সিলেটের কন্ডিশন নিয়ে তাঁর মূল্যায়ন: সিলেটে বরাবরই খুব সুন্দর ব্যাটিং উইকেট থাকে।
আবহাওয়ার কারণে শুরুতে উইকেটে হালকা ময়েশ্চার থাকতে পারে, যা বোলারদের একটু সহায়তা দেবে।
চোট কাটিয়ে এই টেস্টে পাকিস্তান একাদশে ফিরছেন দলটির অভিজ্ঞ ও বিশ্বমানের ব্যাটার বাবর আজম। তবে প্রতিপক্ষে বড় তারকা থাকলেও তা নিয়ে বাড়তি কোনো চিন্তার কারণ দেখছেন না মুশফিক। পাকিস্তানের মাটিতে বাবর আজম থাকা সত্ত্বেও সিরিজ জয়ের স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন: "সর্বশেষ আমরা যখন পাকিস্তানে গিয়ে দুটি ম্যাচে ওদের হারাই, তখনো সে দুটি টেস্টই খেলেছে। তার পরও তারা আমাদের কাছে হেরেছিল। আমরা জানি, কোথায় তাকে আক্রমণ করতে হবে বা কী করতে হবে। সব পরিকল্পনা আছে। আমরা যদি সেগুলো বাস্তবায়ন করতে পারি, তাহলে আশা করি তাকে এবং পুরো দলকে চাপে রাখতে পারব।"
এদিকে চোটের কারণে বাংলাদেশ একাদশে পরিবর্তন আসা নিশ্চিত। আঙুলের চোটে পড়ে দল থেকে ছিটকে গেছেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। তাঁর পরিবর্তে আজ টেস্ট অভিষেক হতে পারে তরুণ ওপেনার তানজিদ হাসানের।
অন্যদিকে, আরেক ওপেনার মাহমুদুল হাসানও ভুগছেন আঙুলের চোটে। শেষ মুহূর্তে তিনি যদি ফিট হতে না পারেন, তবে একাদশে সুযোগ পেয়ে টেস্ট ক্যাপ মাথায় তুলতে পারেন অমিত হাসানও।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে এই মুহূর্তে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে বাংলাদেশ। ফলে সিরিজ হারের কোনো শঙ্কাই নেই নাজমুল হোসেন শান্তদের সামনে। আজ শনিবার থেকে শুরু হতে যাওয়া সিলেট টেস্টে স্বাগতিকদের সামনে এখন দুটি সমীকরণ ম্যাচ জিতে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করা, অথবা ড্র করে সিরিজ নিজেদের করে নেওয়া। যেকোনো একটি সমীকরণ মিললেই মিলবে ঐতিহাসিক সাফল্য; টেস্টে প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের স্বাদ পাবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
তবে এই ম্যাচে বাংলাদেশের সামনে প্রতিপক্ষের চেয়েও বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে সিলেটের আবহাওয়া। বেশ কিছুদিন ধরেই সিলেটে টানা বৃষ্টি হচ্ছে, যা গতকাল শুক্রবারও ব্যাহত করেছে স্বাভাবিক পরিস্থিতি। টেস্টের বাকি দিনগুলোতেও বৃষ্টির এই বাগড়া বজায় থাকার শঙ্কা রয়েছে।
অবশ্য আবহাওয়ার কারণে ম্যাচ ড্র হলে ট্রফি উঠবে বাংলাদেশের হাতেই। তবে মাঠের লড়াইয়ে জিতেই মাঠ ছাড়তে প্রত্যয়ী টাইগাররা। দলটির অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম সিলেটের আবহাওয়াকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন: "এখানে উইকেটের চেয়ে আবহাওয়া বড় চ্যালেঞ্জ। যদিও মিরপুরের মতোই ড্রেনেজ সিস্টেম যেহেতু ভালো, আবহাওয়া একটু ভালো হলে ফলাফল বের করা সম্ভব।"
সিলেট টেস্টের জন্য পেসারদের সহায়ক করে সবুজ উইকেট প্রস্তুত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে বৃষ্টি বাধা হয়ে না দাঁড়ালে উইকেটে যতই ঘাস থাকুক, ব্যাটাররাও সুবিধা পাবেন বলে আশাবাদী মুশফিক। সিলেটের কন্ডিশন নিয়ে তাঁর মূল্যায়ন: সিলেটে বরাবরই খুব সুন্দর ব্যাটিং উইকেট থাকে।
আবহাওয়ার কারণে শুরুতে উইকেটে হালকা ময়েশ্চার থাকতে পারে, যা বোলারদের একটু সহায়তা দেবে।
চোট কাটিয়ে এই টেস্টে পাকিস্তান একাদশে ফিরছেন দলটির অভিজ্ঞ ও বিশ্বমানের ব্যাটার বাবর আজম। তবে প্রতিপক্ষে বড় তারকা থাকলেও তা নিয়ে বাড়তি কোনো চিন্তার কারণ দেখছেন না মুশফিক। পাকিস্তানের মাটিতে বাবর আজম থাকা সত্ত্বেও সিরিজ জয়ের স্মৃতি মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন: "সর্বশেষ আমরা যখন পাকিস্তানে গিয়ে দুটি ম্যাচে ওদের হারাই, তখনো সে দুটি টেস্টই খেলেছে। তার পরও তারা আমাদের কাছে হেরেছিল। আমরা জানি, কোথায় তাকে আক্রমণ করতে হবে বা কী করতে হবে। সব পরিকল্পনা আছে। আমরা যদি সেগুলো বাস্তবায়ন করতে পারি, তাহলে আশা করি তাকে এবং পুরো দলকে চাপে রাখতে পারব।"
এদিকে চোটের কারণে বাংলাদেশ একাদশে পরিবর্তন আসা নিশ্চিত। আঙুলের চোটে পড়ে দল থেকে ছিটকে গেছেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। তাঁর পরিবর্তে আজ টেস্ট অভিষেক হতে পারে তরুণ ওপেনার তানজিদ হাসানের।
অন্যদিকে, আরেক ওপেনার মাহমুদুল হাসানও ভুগছেন আঙুলের চোটে। শেষ মুহূর্তে তিনি যদি ফিট হতে না পারেন, তবে একাদশে সুযোগ পেয়ে টেস্ট ক্যাপ মাথায় তুলতে পারেন অমিত হাসানও।

আপনার মতামত লিখুন