২৬৮ রানের পাহাড় জয় করতে পেরেছিল পাকিস্তান। মিরপুরের ইতিহাস বলছিল, চতুর্থ ইনিংসে এত বড় রান তাড়া করে কেউ জেতেনি। তবু আশা বাঁচিয়ে রেখেছিল সফরকারীরা। কিন্তু স্বপ্নভঙ্গের নাম নাহিদ রানা। তার গতির ঝড়ে ১৬৩ রানে গুটিয়ে গেছে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংস। ১০৪ রানের জয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ লিড নিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
টেস্টের শেষ দিনটি ছিল উত্তেজনায় ভরা। বাংলাদেশকে জিততে দিতে চায়নি পাকিস্তান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাঁধলেন নাহিদ রানা। দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট শিকার করে টেস্ট ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় পাঁচ উইকেটের কীর্তি গড়লেন এই পেসার।
প্রথম ওভারেই আঘাত হানেন তাসকিন আহমেদ। ওপেনার ইমাম উল হককে ফিরিয়ে দলকে স্বপ্নের শুরু এনে দেন। এরপর নিয়মিত উইকেট তুলতে থাকে স্বাগতিকরা। আব্দুল্লাহ ফজল ও আজান আওয়াইজ ৫৪ রানের জুটি গড়ে কিছুটা আশা জাগালেও মিরাজের ঘূর্ণিতে ভাঙে সেই জুটি।
সপ্তম ও অষ্টম উইকেটে যে জুটি গড়তে শুরু করেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সৌদ শাকিল, তাতে চিন্তায় পড়ে যায় বাংলাদেশ। ৭৩ বলে ৩১ রান যোগ করে ফেলেন তারা। তখনই গতির ঝড় নামান নাহিদ রানা। প্রথমে সৌদ শাকিল (১৫) উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। পরের ওভারেই রিজওয়ানকে (১৫) দুর্দান্ত এক সুইং ডেলিভারিতে বোল্ড করে ফেলেন নাহিদ। এরপর লেজের ব্যাটারদের টিকতে দেননি তিনি। শেষ উইকেটে শাহীন আফ্রিদিকে ফিরিয়ে নিজের পঞ্চম উইকেট তুলে নেন।
নাহিদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বল হাতে দারুণ ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলামও। মিরাজ ১টি ও তাইজুল ২টি উইকেট নেন। তাসকিন আহমেদ শিকার করেন ২টি উইকেট। যৌথ বোলিং পারফরম্যান্সে পাকিস্তানের লেজ ছেঁটে ফেলা মোটেই কঠিন হয়নি।
টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে ৪১৩ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। জবাবে পাকিস্তান স্কোর করে ৩৮৬। দুই ইনিংস মিলিয়ে ২৬৮ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল শান্তর দল। চতুর্থ ইনিংসে বল হাতে নেমে শুরু থেকেই চেপে ধরে স্বাগতিক বোলাররা। শেষ পর্যন্ত ১০৪ রানের জয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় টেস্টে জিতলে সিরিজ জয় পাবে স্বাগতিকরা। হার মানে সিরিজ ড্র। আর আগামী টেস্টে যেমন খেলবে বাংলাদেশ, তেমন পারফরম্যান্স অধরা থাকবে না ভক্তদের কাছে।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
২৬৮ রানের পাহাড় জয় করতে পেরেছিল পাকিস্তান। মিরপুরের ইতিহাস বলছিল, চতুর্থ ইনিংসে এত বড় রান তাড়া করে কেউ জেতেনি। তবু আশা বাঁচিয়ে রেখেছিল সফরকারীরা। কিন্তু স্বপ্নভঙ্গের নাম নাহিদ রানা। তার গতির ঝড়ে ১৬৩ রানে গুটিয়ে গেছে পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংস। ১০৪ রানের জয়ে দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ লিড নিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
টেস্টের শেষ দিনটি ছিল উত্তেজনায় ভরা। বাংলাদেশকে জিততে দিতে চায়নি পাকিস্তান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাঁধলেন নাহিদ রানা। দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট শিকার করে টেস্ট ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় পাঁচ উইকেটের কীর্তি গড়লেন এই পেসার।
প্রথম ওভারেই আঘাত হানেন তাসকিন আহমেদ। ওপেনার ইমাম উল হককে ফিরিয়ে দলকে স্বপ্নের শুরু এনে দেন। এরপর নিয়মিত উইকেট তুলতে থাকে স্বাগতিকরা। আব্দুল্লাহ ফজল ও আজান আওয়াইজ ৫৪ রানের জুটি গড়ে কিছুটা আশা জাগালেও মিরাজের ঘূর্ণিতে ভাঙে সেই জুটি।
সপ্তম ও অষ্টম উইকেটে যে জুটি গড়তে শুরু করেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সৌদ শাকিল, তাতে চিন্তায় পড়ে যায় বাংলাদেশ। ৭৩ বলে ৩১ রান যোগ করে ফেলেন তারা। তখনই গতির ঝড় নামান নাহিদ রানা। প্রথমে সৌদ শাকিল (১৫) উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। পরের ওভারেই রিজওয়ানকে (১৫) দুর্দান্ত এক সুইং ডেলিভারিতে বোল্ড করে ফেলেন নাহিদ। এরপর লেজের ব্যাটারদের টিকতে দেননি তিনি। শেষ উইকেটে শাহীন আফ্রিদিকে ফিরিয়ে নিজের পঞ্চম উইকেট তুলে নেন।
নাহিদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বল হাতে দারুণ ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলামও। মিরাজ ১টি ও তাইজুল ২টি উইকেট নেন। তাসকিন আহমেদ শিকার করেন ২টি উইকেট। যৌথ বোলিং পারফরম্যান্সে পাকিস্তানের লেজ ছেঁটে ফেলা মোটেই কঠিন হয়নি।
টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে ৪১৩ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। জবাবে পাকিস্তান স্কোর করে ৩৮৬। দুই ইনিংস মিলিয়ে ২৬৮ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল শান্তর দল। চতুর্থ ইনিংসে বল হাতে নেমে শুরু থেকেই চেপে ধরে স্বাগতিক বোলাররা। শেষ পর্যন্ত ১০৪ রানের জয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় টেস্টে জিতলে সিরিজ জয় পাবে স্বাগতিকরা। হার মানে সিরিজ ড্র। আর আগামী টেস্টে যেমন খেলবে বাংলাদেশ, তেমন পারফরম্যান্স অধরা থাকবে না ভক্তদের কাছে।

আপনার মতামত লিখুন