পবিত্র ঈদুল আজহার সময় ট্যানারিগুলো থেকে আসা অতিরিক্ত বর্জ্যের চাপ সামলানোর মতো সক্ষমতা সাভার চামড়া শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগারের (সিইটিপি) নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির।
শনিবার
সাভারের হেমায়েতপুরের হরিণধরা এলাকায় চামড়া শিল্পনগরী ও সিইটিপি পরিদর্শন
শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই
সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন।
এর আগে তিনি বিসিক
কার্যালয়ে ট্যানারি মালিকদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময়
সভায় অংশ নেন।
সিইটিপির
বর্তমান অবস্থা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শিল্পমন্ত্রী
বলেন, সিইটিপিতে বর্তমানে প্রতিদিন যে পরিমাণ বর্জ্য
শোধন করা সম্ভব, তার
চেয়ে কোরবানি ঈদের পিক টাইমে
বর্জ্যের পরিমাণ কয়েক গুণ বেড়ে
যায়। এই বিশাল চাপের
সক্ষমতা বর্তমান ব্যবস্থার নেই। তাই এই
সংকট মোকাবিলায় সরকার নতুন পথে হাঁটছে।
মন্ত্রী
জানান, আগামী দিনে যেসব ট্যানারি
মালিকের আর্থিক ও কারিগরি সক্ষমতা
রয়েছে, তারা যেন নিজেদের
ইটিপি নিজেই তৈরি করেন, সেই
সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার।
এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা
সরকারের পক্ষ থেকে প্রদান
করা হবে।
দেশের
রপ্তানি আয়ের অন্যতম এই
খাত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ
করে খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির বলেন, চামড়া দেশের রপ্তানি খাতের অন্যতম সম্ভাবনাময় দিক ছিল এবং
এখনো আছে। কিন্তু হাজারীবাগ
থেকে যেভাবে অপরিকল্পিতভাবে সাভারে চামড়া শিল্প স্থানান্তর করা হয়েছে, তাতে
এই শিল্পকে চরম অবহেলা করা
হয়েছে। ফলে খাতটি কাঙ্ক্ষিত
লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। বিগত বছরগুলোতে এই
সম্ভাবনাকে নষ্ট করা হয়েছে।
অথচ
সারা বছর দেশে যে
পরিমাণ চামড়া সংগ্রহ হয়, তার পুরোটা
সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত করে রপ্তানি করা
গেলে ১২ বিলিয়ন ডলার
আয় সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ
ব্যক্ত করেন।
বর্তমান
সরকার চামড়া শিল্পের সকল সংকট ও
সিইটিপির সমস্যা সমাধানে অত্যন্ত আন্তরিক বলে ট্যানারি মালিকদের
আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী।
তিনি
বলেন, আমরা এই খাতের
গৌরব ফিরিয়ে আনতে কাজ করছি।
সিইটিপির আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে
দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মতবিনিময়
সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিসিকের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন ট্যানারির
মালিকেরা উপস্থিত ছিলেন। তারা মন্ত্রীর কাছে
এই শিল্পের বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেন এবং
দ্রুত সমাধানের দাবি জানান।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহার সময় ট্যানারিগুলো থেকে আসা অতিরিক্ত বর্জ্যের চাপ সামলানোর মতো সক্ষমতা সাভার চামড়া শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগারের (সিইটিপি) নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির।
শনিবার
সাভারের হেমায়েতপুরের হরিণধরা এলাকায় চামড়া শিল্পনগরী ও সিইটিপি পরিদর্শন
শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই
সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরেন।
এর আগে তিনি বিসিক
কার্যালয়ে ট্যানারি মালিকদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময়
সভায় অংশ নেন।
সিইটিপির
বর্তমান অবস্থা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শিল্পমন্ত্রী
বলেন, সিইটিপিতে বর্তমানে প্রতিদিন যে পরিমাণ বর্জ্য
শোধন করা সম্ভব, তার
চেয়ে কোরবানি ঈদের পিক টাইমে
বর্জ্যের পরিমাণ কয়েক গুণ বেড়ে
যায়। এই বিশাল চাপের
সক্ষমতা বর্তমান ব্যবস্থার নেই। তাই এই
সংকট মোকাবিলায় সরকার নতুন পথে হাঁটছে।
মন্ত্রী
জানান, আগামী দিনে যেসব ট্যানারি
মালিকের আর্থিক ও কারিগরি সক্ষমতা
রয়েছে, তারা যেন নিজেদের
ইটিপি নিজেই তৈরি করেন, সেই
সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার।
এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা
সরকারের পক্ষ থেকে প্রদান
করা হবে।
দেশের
রপ্তানি আয়ের অন্যতম এই
খাত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ
করে খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির বলেন, চামড়া দেশের রপ্তানি খাতের অন্যতম সম্ভাবনাময় দিক ছিল এবং
এখনো আছে। কিন্তু হাজারীবাগ
থেকে যেভাবে অপরিকল্পিতভাবে সাভারে চামড়া শিল্প স্থানান্তর করা হয়েছে, তাতে
এই শিল্পকে চরম অবহেলা করা
হয়েছে। ফলে খাতটি কাঙ্ক্ষিত
লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। বিগত বছরগুলোতে এই
সম্ভাবনাকে নষ্ট করা হয়েছে।
অথচ
সারা বছর দেশে যে
পরিমাণ চামড়া সংগ্রহ হয়, তার পুরোটা
সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত করে রপ্তানি করা
গেলে ১২ বিলিয়ন ডলার
আয় সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ
ব্যক্ত করেন।
বর্তমান
সরকার চামড়া শিল্পের সকল সংকট ও
সিইটিপির সমস্যা সমাধানে অত্যন্ত আন্তরিক বলে ট্যানারি মালিকদের
আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী।
তিনি
বলেন, আমরা এই খাতের
গৌরব ফিরিয়ে আনতে কাজ করছি।
সিইটিপির আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে
দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মতবিনিময়
সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিসিকের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন ট্যানারির
মালিকেরা উপস্থিত ছিলেন। তারা মন্ত্রীর কাছে
এই শিল্পের বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেন এবং
দ্রুত সমাধানের দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন