সরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক আছে বলেই বাজারে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ বজায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি বলেছেন, টেলিটক আছে বলেই বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো ইচ্ছামতো দাম বাড়াতে পারে না।
শনিবার (১৬ মে) ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘টেলিকম খাতের ভবিষ্যৎ: নতুন সরকার কী ভাবছে’ শিরোনামে গোলটেবিল বৈঠকে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রায়ত্ত এ মোবাইল অপারেটরকে আরো শক্তিশালী করতে বিনিয়োগ ও সম্ভাব্য অংশীদারিত্ব নিয়ে কাজ চলছে জানিয়ে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, “টেলিটক বিক্রির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। এটি আছে বলেই বাজারে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ বজায় থাকে।”
টেলিকম ও ডিজিটাল খাত নিয়ে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, “সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণে ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রতিটি উপজেলায় এআই ও ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব হবে।”
টেলিটকের ‘নাবালক দশা’
বিপুল বিনিয়োগের পরও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান টেলিটকের লাভজনক হতে না পারার বিষয়টি বৈঠকে আলোচনায় আসে।
প্রতিষ্ঠার ২১ বছর পার হওয়ার পরও টেলিটকের পরিস্থিতিকে ‘নাবালক দশা’ বলে বর্ণনা করেন প্রতিযোগিতা কমিশনের সাবেক পরিচালক খালেদ আবু নাসের। তিনি বলেন, “একটা কোম্পানি দাঁড়াতে পাঁচ থেকে ছয় বছর সময় লাগে। কিন্তু ২১ বছর পার হওয়ার পরও টেলিটক এখনো অপরিপক্ব। এই বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার।”
খালেদ আবু নাসের বলেন, “ছোটবেলায় নাম রাখছে নাবালক মিয়া। বয়স বেড়ে বুড়ো হয়ে গেলেও সে নাবালকই রয়ে গেছে।”
বর্তমানে টেলিটকের কাছে তরঙ্গ ফি-সহ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। এর মধ্যেই সম্প্রতি অপারেটরটিকে ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ড থেকে ১০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বরাদ্দ দিয়েছে বিটিআরসি।
বৈঠকে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রবি আজিয়াটার চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
সরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক আছে বলেই বাজারে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ বজায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তিনি বলেছেন, টেলিটক আছে বলেই বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো ইচ্ছামতো দাম বাড়াতে পারে না।
শনিবার (১৬ মে) ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘টেলিকম খাতের ভবিষ্যৎ: নতুন সরকার কী ভাবছে’ শিরোনামে গোলটেবিল বৈঠকে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রায়ত্ত এ মোবাইল অপারেটরকে আরো শক্তিশালী করতে বিনিয়োগ ও সম্ভাব্য অংশীদারিত্ব নিয়ে কাজ চলছে জানিয়ে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, “টেলিটক বিক্রির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। এটি আছে বলেই বাজারে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ বজায় থাকে।”
টেলিকম ও ডিজিটাল খাত নিয়ে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, “সরকার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণে ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রতিটি উপজেলায় এআই ও ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা সম্ভব হবে।”
টেলিটকের ‘নাবালক দশা’
বিপুল বিনিয়োগের পরও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান টেলিটকের লাভজনক হতে না পারার বিষয়টি বৈঠকে আলোচনায় আসে।
প্রতিষ্ঠার ২১ বছর পার হওয়ার পরও টেলিটকের পরিস্থিতিকে ‘নাবালক দশা’ বলে বর্ণনা করেন প্রতিযোগিতা কমিশনের সাবেক পরিচালক খালেদ আবু নাসের। তিনি বলেন, “একটা কোম্পানি দাঁড়াতে পাঁচ থেকে ছয় বছর সময় লাগে। কিন্তু ২১ বছর পার হওয়ার পরও টেলিটক এখনো অপরিপক্ব। এই বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার।”
খালেদ আবু নাসের বলেন, “ছোটবেলায় নাম রাখছে নাবালক মিয়া। বয়স বেড়ে বুড়ো হয়ে গেলেও সে নাবালকই রয়ে গেছে।”
বর্তমানে টেলিটকের কাছে তরঙ্গ ফি-সহ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। এর মধ্যেই সম্প্রতি অপারেটরটিকে ৭০০ মেগাহার্টজ ব্যান্ড থেকে ১০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ বরাদ্দ দিয়েছে বিটিআরসি।
বৈঠকে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রবি আজিয়াটার চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম।

আপনার মতামত লিখুন