বান্দরবানের লামা উপজেলায় একটি ইটভাটায় পাহাড়ের মাটি বহনকারী ডাম্পার গাড়ির চাপায় মো. সাইফুল ইসলাম নামের এক স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (১৫ মে) ভোররাতে উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি রাম্যাখোলা এলাকায় ফকরুল সদাগরের মালিকানাধীন এসবিএম ইটভাটায় এই বেদনাদায়ক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম ওই এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মাহাবুব আলমের ছেলে এবং সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে সাইফুল ইসলাম ইটভাটার কাজে পাহাড়ের মাটি কেটে গাড়িতে তুলছিল। এ সময় হঠাৎ করেই সে মাটিবাহী একটি ডাম্পার গাড়ির নিচে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়। পরে তার সহকর্মীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে পাশ্ববর্তী চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে সেখানকার দায়িত্বরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সাইফুলকে মৃত ঘোষণা করেন। পড়াশোনার পাশাপাশি পরিবারের আর্থিক সহায়তার জন্যই সে ইটভাটায় কাজে যোগ দিয়েছিল বলে জানা গেছে।
এই ঘটনায় নিহতের স্বজনরা চালকের সহকারী বা হেলপারের খামখেয়ালিকে দায়ী করে অভিযোগ তুলেছেন। তারা দাবি করেন, ঘটনার সময় ডাম্পার গাড়িটি মূল চালকের পরিবর্তে হেলপার দিয়ে চালানো হচ্ছিল এবং তার অসাবধানতার কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
এই বিষয়ে লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

রোববার, ১৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
বান্দরবানের লামা উপজেলায় একটি ইটভাটায় পাহাড়ের মাটি বহনকারী ডাম্পার গাড়ির চাপায় মো. সাইফুল ইসলাম নামের এক স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (১৫ মে) ভোররাতে উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি রাম্যাখোলা এলাকায় ফকরুল সদাগরের মালিকানাধীন এসবিএম ইটভাটায় এই বেদনাদায়ক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম ওই এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মাহাবুব আলমের ছেলে এবং সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে সাইফুল ইসলাম ইটভাটার কাজে পাহাড়ের মাটি কেটে গাড়িতে তুলছিল। এ সময় হঠাৎ করেই সে মাটিবাহী একটি ডাম্পার গাড়ির নিচে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়। পরে তার সহকর্মীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে পাশ্ববর্তী চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে সেখানকার দায়িত্বরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সাইফুলকে মৃত ঘোষণা করেন। পড়াশোনার পাশাপাশি পরিবারের আর্থিক সহায়তার জন্যই সে ইটভাটায় কাজে যোগ দিয়েছিল বলে জানা গেছে।
এই ঘটনায় নিহতের স্বজনরা চালকের সহকারী বা হেলপারের খামখেয়ালিকে দায়ী করে অভিযোগ তুলেছেন। তারা দাবি করেন, ঘটনার সময় ডাম্পার গাড়িটি মূল চালকের পরিবর্তে হেলপার দিয়ে চালানো হচ্ছিল এবং তার অসাবধানতার কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
এই বিষয়ে লামা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

আপনার মতামত লিখুন