চুয়াডাঙ্গায় কৃষকদের সারের সরবরাহ ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ ও সহজ করতে ‘সারকার্ড’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে জেলার সব সার ডিলার পয়েন্টকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২০ মে) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার। তিনি বলেন, “চুয়াডাঙ্গা একটি কৃষিপ্রধান জেলা। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় সারের সঠিক সরবরাহ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা জরুরি। কোনো অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
জেলা প্রশাসক আরও জানান, ফুয়েল কার্ডের মতো কৃষকদের সারকার্ড দেওয়া হবে। এতে প্রকৃত কৃষকেরা তাদের জমির পরিমাণ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সার পাবেন। দ্রুতই এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। এ ছাড়া ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের একটি ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি করা হবে। সারের ডিলার পয়েন্টে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলে সার বিতরণ কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ হবে এবং কৃষকদের অভিযোগ কমবে।
সভায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী জানানো হয়, জেলায় বর্তমানে ইউরিয়া, এমওপি, টিএসপি ও ডিএপি সারের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। তবে কৃষকদের পক্ষ থেকে সার না পাওয়ার কিছু অভিযোগ আসায় নজরদারি বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়। এ ছাড়া সারের গাড়ি রাতে এলেও দিনে আনলোড করার চেষ্টা করার নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নয়ন কুমার রাজবংশী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার, সহকারী কমিশনার ফাহাদ চৌধুরী, অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) কৃষ্ণ রায় প্রমুখ।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
চুয়াডাঙ্গায় কৃষকদের সারের সরবরাহ ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ ও সহজ করতে ‘সারকার্ড’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে জেলার সব সার ডিলার পয়েন্টকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২০ মে) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে জেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার। তিনি বলেন, “চুয়াডাঙ্গা একটি কৃষিপ্রধান জেলা। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় সারের সঠিক সরবরাহ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা জরুরি। কোনো অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
জেলা প্রশাসক আরও জানান, ফুয়েল কার্ডের মতো কৃষকদের সারকার্ড দেওয়া হবে। এতে প্রকৃত কৃষকেরা তাদের জমির পরিমাণ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সার পাবেন। দ্রুতই এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। এ ছাড়া ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের একটি ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি করা হবে। সারের ডিলার পয়েন্টে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলে সার বিতরণ কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ হবে এবং কৃষকদের অভিযোগ কমবে।
সভায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী জানানো হয়, জেলায় বর্তমানে ইউরিয়া, এমওপি, টিএসপি ও ডিএপি সারের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। তবে কৃষকদের পক্ষ থেকে সার না পাওয়ার কিছু অভিযোগ আসায় নজরদারি বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়। এ ছাড়া সারের গাড়ি রাতে এলেও দিনে আনলোড করার চেষ্টা করার নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নয়ন কুমার রাজবংশী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার, সহকারী কমিশনার ফাহাদ চৌধুরী, অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) কৃষ্ণ রায় প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন