কক্সবাজারের রামু উপজেলায় ৪০ হাজার ইয়াবাসহ এক বিএনপি নেতার স্ত্রী ও তার সহযোগী এক রোহিঙ্গা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (২০ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের হাজীরপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি নজরুল ইসলামের স্ত্রী ছালেহা বেগম (৪৫) এবং উখিয়ার থাইংখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা মোহাম্মদ হাসিম ওরফে ওসমান (৩৫)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির একটি দল কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের হাজীরপাড়া এলাকায় নজরুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় ওই বাড়ি থেকে ৪০ হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ছালেহা বেগম ও তার সহযোগী মোহাম্মদ হাসিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে অভিযানের সময় আরও ৩ থেকে ৪ জন মাদক কারবারি পালিয়ে যান বলে পুলিশ জানিয়েছে।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, গ্রেপ্তার দুজন ও পলাতক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন। মাদক কারবারি চক্রের অন্য সদস্যদের ধরতেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
কক্সবাজারের রামু উপজেলায় ৪০ হাজার ইয়াবাসহ এক বিএনপি নেতার স্ত্রী ও তার সহযোগী এক রোহিঙ্গা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (২০ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের হাজীরপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি নজরুল ইসলামের স্ত্রী ছালেহা বেগম (৪৫) এবং উখিয়ার থাইংখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা মোহাম্মদ হাসিম ওরফে ওসমান (৩৫)।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির একটি দল কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের হাজীরপাড়া এলাকায় নজরুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় ওই বাড়ি থেকে ৪০ হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ছালেহা বেগম ও তার সহযোগী মোহাম্মদ হাসিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে অভিযানের সময় আরও ৩ থেকে ৪ জন মাদক কারবারি পালিয়ে যান বলে পুলিশ জানিয়েছে।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, গ্রেপ্তার দুজন ও পলাতক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন। মাদক কারবারি চক্রের অন্য সদস্যদের ধরতেও পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন