নিজ গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের চলাচলের কষ্ট দূর করতে অনন্য এক মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন সৌদি আরব প্রবাসী শেখ মামুন হোসেন। প্রবাসে থেকেও নাড়ির টানে নিজের জমানো টাকায় ঢাকার দোহার উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের উত্তর শিলাকোঠা গ্রামে প্রায় ১ হাজার ফুট দীর্ঘ একটি রাস্তা নির্মাণ করে দিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল, সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাটি তলিয়ে যেত। এর ফলে স্কুলগামী শিশু, কৃষক ও সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। বিশেষ করে কোনো অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য গ্রামে জরুরি যানবাহন প্রবেশের কোনো সুযোগ ছিল না।
এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতায় সড়কটি প্রায় অকেজো হয়ে পড়েছিল। এখন নতুন রাস্তাটি নির্মিত হওয়ায় যাতায়াত অনেক সহজ হয়েছে এবং গ্রামবাসীর ভোগান্তি কমেছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য জানে আলম খান বলেন, “নিজের অর্থ খরচ করে গ্রামের মানুষের জন্য এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। শেখ মামুন হোসেনের এই কাজ এলাকাবাসীর জীবনযাত্রা সহজ করেছে। আমরা তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।”
নিজের এই উদ্যোগ সম্পর্কে সৌদি প্রবাসী শেখ মামুন হোসেন বলেন, “প্রবাসে থাকলেও গ্রামের মানুষের কষ্ট আমাকে সব সময় ব্যথিত করত। বিশেষ করে কোমলমতি শিশুদের পানিবন্দী অবস্থায় স্কুলে যেতে দেখে খুব খারাপ লাগত। তাই সিদ্ধান্ত নিই, সরকারি বরাদ্দের অপেক্ষা না করে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী রাস্তাটি নির্মাণ করে দেব।”
তিনি আরও জানান, প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে রাস্তার গাইডওয়াল নির্মাণ ও বালু ভরাটের কাজ শেষ করেছেন। বর্তমানে সড়কের প্রায় ৫০০ ফুট অংশে ইট বিছানোর (সলিং) কাজ সম্পন্ন হয়েছে। রাস্তার বাকি অংশটুকু সরকারিভাবে উন্নয়ন করা হলে এলাকাবাসীর কষ্ট পুরোপুরি লাঘব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
স্থানীয়রা মনে করছেন, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে প্রবাসীদের এমন ব্যক্তিগত ও মানবিক অংশগ্রহণ দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
নিজ গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের চলাচলের কষ্ট দূর করতে অনন্য এক মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন সৌদি আরব প্রবাসী শেখ মামুন হোসেন। প্রবাসে থেকেও নাড়ির টানে নিজের জমানো টাকায় ঢাকার দোহার উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের উত্তর শিলাকোঠা গ্রামে প্রায় ১ হাজার ফুট দীর্ঘ একটি রাস্তা নির্মাণ করে দিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল, সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাটি তলিয়ে যেত। এর ফলে স্কুলগামী শিশু, কৃষক ও সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। বিশেষ করে কোনো অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য গ্রামে জরুরি যানবাহন প্রবেশের কোনো সুযোগ ছিল না।
এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতায় সড়কটি প্রায় অকেজো হয়ে পড়েছিল। এখন নতুন রাস্তাটি নির্মিত হওয়ায় যাতায়াত অনেক সহজ হয়েছে এবং গ্রামবাসীর ভোগান্তি কমেছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য জানে আলম খান বলেন, “নিজের অর্থ খরচ করে গ্রামের মানুষের জন্য এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। শেখ মামুন হোসেনের এই কাজ এলাকাবাসীর জীবনযাত্রা সহজ করেছে। আমরা তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।”
নিজের এই উদ্যোগ সম্পর্কে সৌদি প্রবাসী শেখ মামুন হোসেন বলেন, “প্রবাসে থাকলেও গ্রামের মানুষের কষ্ট আমাকে সব সময় ব্যথিত করত। বিশেষ করে কোমলমতি শিশুদের পানিবন্দী অবস্থায় স্কুলে যেতে দেখে খুব খারাপ লাগত। তাই সিদ্ধান্ত নিই, সরকারি বরাদ্দের অপেক্ষা না করে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী রাস্তাটি নির্মাণ করে দেব।”
তিনি আরও জানান, প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে রাস্তার গাইডওয়াল নির্মাণ ও বালু ভরাটের কাজ শেষ করেছেন। বর্তমানে সড়কের প্রায় ৫০০ ফুট অংশে ইট বিছানোর (সলিং) কাজ সম্পন্ন হয়েছে। রাস্তার বাকি অংশটুকু সরকারিভাবে উন্নয়ন করা হলে এলাকাবাসীর কষ্ট পুরোপুরি লাঘব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
স্থানীয়রা মনে করছেন, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে প্রবাসীদের এমন ব্যক্তিগত ও মানবিক অংশগ্রহণ দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন