ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ পুরোপুরি ঠেকাতে এবার তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। আজ শুক্রবার (২২ মে) সকালে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার কবির হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্টেশন ম্যানেজার জানান, ঈদ ঘিরে মানুষ নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন। আজ সকাল থেকেই কমলাপুর স্টেশন থেকে যথাসময়ে ১১টি আন্তঃনগর ট্রেন দেশের বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে।
যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এবার কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, টিকিট ছাড়া কোনো যাত্রীকে স্টেশনের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। একই সাথে ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ ঠেকাতে স্টেশন ও প্ল্যাটফর্ম এলাকায় তিন স্তরের কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, যাত্রীদের ব্যাপক চাহিদার কথা বিবেচনা করে এবারও সর্বনিম্ন শ্রেণির ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং (আসনবিহীন) টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, "আমরা নিয়মিত প্রায় ৪৫ হাজারের মতো সিটের টিকিট দিচ্ছি। এর সঙ্গে স্ট্যান্ডিং টিকিট মিলিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৭০ হাজার টিকিট দেওয়া হবে।"
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এই কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থার কারণে এবার যাত্রীরা ছাদ বা বিপজ্জনক উপায়ে ভ্রমণ না করে নিরাপদে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে প্রিয়জনদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে বাড়ি ফিরতে পারবেন।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ পুরোপুরি ঠেকাতে এবার তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। আজ শুক্রবার (২২ মে) সকালে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার কবির হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্টেশন ম্যানেজার জানান, ঈদ ঘিরে মানুষ নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন। আজ সকাল থেকেই কমলাপুর স্টেশন থেকে যথাসময়ে ১১টি আন্তঃনগর ট্রেন দেশের বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে।
যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এবার কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, টিকিট ছাড়া কোনো যাত্রীকে স্টেশনের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। একই সাথে ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ ঠেকাতে স্টেশন ও প্ল্যাটফর্ম এলাকায় তিন স্তরের কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, যাত্রীদের ব্যাপক চাহিদার কথা বিবেচনা করে এবারও সর্বনিম্ন শ্রেণির ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং (আসনবিহীন) টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, "আমরা নিয়মিত প্রায় ৪৫ হাজারের মতো সিটের টিকিট দিচ্ছি। এর সঙ্গে স্ট্যান্ডিং টিকিট মিলিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৭০ হাজার টিকিট দেওয়া হবে।"
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এই কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থার কারণে এবার যাত্রীরা ছাদ বা বিপজ্জনক উপায়ে ভ্রমণ না করে নিরাপদে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে প্রিয়জনদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে বাড়ি ফিরতে পারবেন।

আপনার মতামত লিখুন