দীর্ঘ সংগীতজীবনে নজরুলসংগীতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এবার বাংলা একাডেমির ‘নজরুল পুরস্কার ২০২৬’-এ ভূষিত হচ্ছেন প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী ফাতেমা তুজ জোহরা।
জাতীয় কবি কাজী
নজরুল ইসলামের গান পরিবেশন, চর্চা ও প্রচারে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে এ সম্মাননা
দেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে নজরুলসংগীতের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত এই শিল্পী বাংলাদেশ
বেতার ও টেলিভিশনের নিয়মিত শিল্পী হিসেবে নতুন প্রজন্মের কাছে নজরুলের গানকে জনপ্রিয়
করে তুলেছেন। দেশ-বিদেশের নানা মঞ্চে তার পরিবেশনা পেয়েছে ব্যাপক প্রশংসা। নজরুলসংগীতের
শিক্ষা, পরিবেশনা ও গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এর আগেও একাধিক সম্মাননায় ভূষিত
হয়েছেন তিনি। একই পুরস্কারের আরেক প্রাপক বিশিষ্ট নজরুল গবেষক অধ্যাপক রশিদুন্ নবী।
নজরুলের জীবন, সাহিত্য ও দর্শন নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করে তিনি বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ
করেছেন নানা প্রবন্ধ ও গ্রন্থের মাধ্যমে।
পুরস্কার পাওয়ার
প্রতিক্রিয়ায় আবেগাপ্লুত ফাতেমা তুজ জোহরা বলেন, “অনেক মন খারাপ ছিল, মনে হচ্ছিল, আমি
হারিয়ে গেছি। কেউ আমাকে আর খুঁজবে না, চিনবে না, জানবে না। পুরস্কারটা পেয়ে এত সারপ্রাইজড
হয়েছি, অনেক ভালো লাগা কাজ করছে। বাংলা একাডেমিকে অনেক ধন্যবাদ।” তিনি আরও জানান, এই
স্বীকৃতি তার দীর্ঘদিনের সংগীতসাধনাকে নতুনভাবে অনুপ্রাণিত করবে। আগামী ২৩ মে বিকেল
৩টায় বাংলা একাডেমি আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী
উপলক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করা হবে ‘নজরুল পুরস্কার ২০২৬’।

মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬
দীর্ঘ সংগীতজীবনে নজরুলসংগীতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এবার বাংলা একাডেমির ‘নজরুল পুরস্কার ২০২৬’-এ ভূষিত হচ্ছেন প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী ফাতেমা তুজ জোহরা।
জাতীয় কবি কাজী
নজরুল ইসলামের গান পরিবেশন, চর্চা ও প্রচারে অসামান্য অবদানের জন্য তাকে এ সম্মাননা
দেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে নজরুলসংগীতের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত এই শিল্পী বাংলাদেশ
বেতার ও টেলিভিশনের নিয়মিত শিল্পী হিসেবে নতুন প্রজন্মের কাছে নজরুলের গানকে জনপ্রিয়
করে তুলেছেন। দেশ-বিদেশের নানা মঞ্চে তার পরিবেশনা পেয়েছে ব্যাপক প্রশংসা। নজরুলসংগীতের
শিক্ষা, পরিবেশনা ও গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এর আগেও একাধিক সম্মাননায় ভূষিত
হয়েছেন তিনি। একই পুরস্কারের আরেক প্রাপক বিশিষ্ট নজরুল গবেষক অধ্যাপক রশিদুন্ নবী।
নজরুলের জীবন, সাহিত্য ও দর্শন নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করে তিনি বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ
করেছেন নানা প্রবন্ধ ও গ্রন্থের মাধ্যমে।
পুরস্কার পাওয়ার
প্রতিক্রিয়ায় আবেগাপ্লুত ফাতেমা তুজ জোহরা বলেন, “অনেক মন খারাপ ছিল, মনে হচ্ছিল, আমি
হারিয়ে গেছি। কেউ আমাকে আর খুঁজবে না, চিনবে না, জানবে না। পুরস্কারটা পেয়ে এত সারপ্রাইজড
হয়েছি, অনেক ভালো লাগা কাজ করছে। বাংলা একাডেমিকে অনেক ধন্যবাদ।” তিনি আরও জানান, এই
স্বীকৃতি তার দীর্ঘদিনের সংগীতসাধনাকে নতুনভাবে অনুপ্রাণিত করবে। আগামী ২৩ মে বিকেল
৩টায় বাংলা একাডেমি আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী
উপলক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করা হবে ‘নজরুল পুরস্কার ২০২৬’।

আপনার মতামত লিখুন