কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে ঘোড়াউত্রা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে দুর্বৃত্তদের বল্লমের আঘাতে সাইদুর রহমান (৩০) নামের এক জেলে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) ভোররাতে উপজেলার মশুরিয়া এলাকার নদীতে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত সাইদুর রহমান উপজেলার গোপদীঘি ইউনিয়নের ধলাই গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় সাইদুর রহমান তার দুই ভাই আনিছুর রহমান ও আতাউর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ঘোড়াউত্রা নদীতে রিংজাল দিয়ে মাছ ধরতে যান। এ সময় মুখোশধারী ৪ ব্যক্তি তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা আনিছুর ও আতাউরকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর সাইদুর রহমানকে নদীতে ফেলে বল্লম দিয়ে গুরুতর আঘাত করে। হামলাকারীরা চলে যাওয়ার পর স্বজনেরা সাইদুরকে উদ্ধার করে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত সাইদুর রহমানের ছোট ভাই হাবিবুর রহমান বলেন, চার-পাঁচ দিন আগে নদীতে জাল ফেলতে গেলে মশুরিয়া গ্রামের নোয়াব মিয়াসহ কয়েকজন তাদের বাধা দেন। নোয়াব মিয়া তাদের ওই এলাকায় জাল ফেললে সমস্যা হবে বলে হুমকিও দিয়েছিলেন। পূর্ববিরোধের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে তার ধারণা।
মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে ঘোড়াউত্রা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে দুর্বৃত্তদের বল্লমের আঘাতে সাইদুর রহমান (৩০) নামের এক জেলে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ মে) ভোররাতে উপজেলার মশুরিয়া এলাকার নদীতে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত সাইদুর রহমান উপজেলার গোপদীঘি ইউনিয়নের ধলাই গ্রামের ফুল মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় সাইদুর রহমান তার দুই ভাই আনিছুর রহমান ও আতাউর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ঘোড়াউত্রা নদীতে রিংজাল দিয়ে মাছ ধরতে যান। এ সময় মুখোশধারী ৪ ব্যক্তি তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা আনিছুর ও আতাউরকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর সাইদুর রহমানকে নদীতে ফেলে বল্লম দিয়ে গুরুতর আঘাত করে। হামলাকারীরা চলে যাওয়ার পর স্বজনেরা সাইদুরকে উদ্ধার করে মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত সাইদুর রহমানের ছোট ভাই হাবিবুর রহমান বলেন, চার-পাঁচ দিন আগে নদীতে জাল ফেলতে গেলে মশুরিয়া গ্রামের নোয়াব মিয়াসহ কয়েকজন তাদের বাধা দেন। নোয়াব মিয়া তাদের ওই এলাকায় জাল ফেললে সমস্যা হবে বলে হুমকিও দিয়েছিলেন। পূর্ববিরোধের জের ধরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে তার ধারণা।
মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন