সংবাদ

‘ফরওয়ার্ডেড মেসেজের’ ভিড়ে হারাচ্ছে ঈদের আন্তরিকতা


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৭ মে ২০২৬, ০২:৫৯ পিএম

‘ফরওয়ার্ডেড মেসেজের’ ভিড়ে হারাচ্ছে ঈদের আন্তরিকতা
ছবি: সংগৃহীত

চাঁদরাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে শেষবার ফোন চেক করেন তরুণ চাকরিজীবী সোহান। ১২৭টি মেসেজ। সবগুলো আনরিড। উৎসুক হয়ে ক্লিক করেন। একের পর এক- ‘ঈদ শুভেচ্ছা’, ‘সবাইকে ঈদ মোবারক’- ছবি, অ্যানিমেশন, স্টিকার আছে। সঙ্গেঙ মিল আছে আরও একটি জিনিসে। প্রতিটি মেসেজের ওপর লেখা ছোট্ট করে ‘Forwarded many times’ বা ‘Forwarded’.

সোহান হাসিমুখে ফোন রাখেন। ‘সত্যি কথা বলতে ওই মেসেজগুলো দেখে মন ভরে না আর। কাউকে কোনো সম্মান দেওয়ার চেষ্টাই মনে হয় না। যেন শুধু আনুষ্ঠানিকতা মিটানো।

প্রযুক্তির এই যুগে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় হয়তো অনেক সহজ হয়েছে। কিন্তু সেই মেসেজের ভেতরে আন্তরিকতা কি সত্যি আছে? নাকি দিন দিন আমরা হারিয়ে ফেলছি সম্পর্কগুলোকে জিইয়ে রাখার আন্তরিকতা?

ঈদের আনন্দ সবার।

শুধু সোহানের গল্প না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বললেন, গেল ঈদে তার ফোনের কন্টাক্ট লিস্ট থেকে প্রায় দুইশর ওপরে মানুষকে একই মেসেজ ফরওয়ার্ড করেছিলেন। পরে ভেবেছেন, সেসব মানুষের মধ্যে কারও নামই উল্লেখ করেননি। ব্যক্তিগতভাবে কাউকে কিছু বলেননি। প্রশ্ন উঠেছে তার মধ্যে, ম্যাসেজ পেয়ে তারা কীভাবে অনুভব করবে যে তিনি সত্যি সত্যিই তাদের ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে চেয়েছেন?’

মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, বারবার ‘ফরওয়ার্ডেড’ দেখা মেসেজ মানুষের অবচেতন মনে এক প্রকার অবমূল্যায়নের জন্ম দেয়। যখন কেউ বুঝতে পারেন যে তিনি কেবল একটি তালিকার অংশ, যে বার্তাটি ৫০ জনের মতো তিনিও পেয়েছেন- তখন ‘বিশেষ’ থাকার আবেগটি নষ্ট হয়ে যায়।

‘আমি প্রেরকের কাছে বিশেষ কেউ নই’- এই চিন্তা কখনো কখনো সম্পর্কের ভিতের গোড়ায় কাঁপন ধরায়। এর চেয়ে ‘নাম উল্লেখ করে একটি সাধারণ “ঈদ মোবারক, ভালো থেকো” মেসেজ হাজারো গুগলের সুন্দর বানানো মেসেজের চেয়ে বেশি মূল্যবান। 

বেশ কয়েক বছর আগে এক ঈদে ব্যবসায়ী খালেদ হোসেন ২০০টি মেসেজ ফরওয়ার্ড করেন স্মার্টফোন থেকে। সেদিন বিকেলে তার বাবা ফোন করেন। কণ্ঠে ছিল ভীষণ বিষণ্ণতা, ‘তুই কি আর আমাদের কথা ভুলেই গেছিস রে বাবা? ঈদের সকালেও তোর পক্ষে একটা ফোন করা হলো না?’

খালেদ হঠাৎ বুঝতে পারেন, মেসেজের ভিড়ে তিনি বাবা-মাকে ভুলেই গেছেন। এতগুলো ফরওয়ার্ডেড মেসেজের কোনো মূল্য নেই, যদি প্রিয় মানুষের কাছে সরাসরি পৌঁছানো না যায়। ওই ঘটনার পর থেকে প্রতি ঈদে কয়েক ডজন না হয়, তবে যারা তার সত্যিকারের প্রিয়, তাদের প্রত্যেককে তিনি সরাসরি ফোন করেন। কখনো ভিডিও কল। ‘

একটা ছোট্ট ফোন কল, ওপাশ থেকে কণ্ঠস্বর আসা- “কেমন আছো?”- এই সামান্য কথাটাই কিন্তু পৃথিবীর সব সুন্দর মেসেজের চেয়ে বেশি সুন্দর।

মনোবিজ্ঞানের ভাষায়, কণ্ঠস্বর মানুষের মস্তিষ্কে অক্সিটোসিন হরমোন নিঃসরণ করে। এটাকে ‘লাভ হরমোন’ বা ‘কুডল হরমোন’ বলা হয়। এটি পারস্পরিক বিশ্বাস ও সম্পর্কের উষ্ণতা বাড়ায়, মানসিক চাপ কমায়। অথচ একটি কপি-পেস্ট করা টেক্সট মেসেজে এই হরমোন নিঃসরণের ক্ষমতা নেই বললেই চলে।

কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়- কবে শেষবার আমরা আমাদের প্রিয় কাউকে ‘শুধু শুভেচ্ছা জানাতে’ সরাসরি ফোন করেছি? উত্তর খুবই কষ্টদায়ক।

সোশ্যাল মিডিয়ার লাইক আর কমেন্টের দুনিয়ায় আমরা হাজার মানুষের সঙ্গে যুক্ত, অথচ দিনশেষে ভীষণ একাকি। ঈদের মতো উৎসবগুলিতে যখন সরাসরি মানুষের সঙ্গে দেখা না করে, কথা না বলে কেবল স্ক্রিনে টাইপ করি, তখন আমাদের সামাজিক বন্ধনগুলো সাময়িক, এমনকি ভাসা ভাসা হয়ে পড়ে।

ডিজিটাল মার্কেটিং কোম্পানি ‘উইআরসোশ্যাল’-এর একটি জরিপ বলছে, প্রতি ঈদে বাংলাদেশে গড়ে ১৫ কোটির বেশি শুভেচ্ছা বার্তা আদান-প্রদান হয় মোবাইল মেসেজিং অ্যাপে। তার মধ্যে ৯০ শতাংশই ‘ফরওয়ার্ডেড’। মাত্র ৩ শতাংশ মানুষ তাদের প্রিয়জনের জন্য ব্যক্তিগত (পারসোনালাইজড) মেসেজ লেখেন। আর সরাসরি ফোনকলের সংখ্যা হয়তো আরও নগণ্য।

বেসরকারি অফিসের চাকরিজীবী রানা হাসান বলেন, ‘আমি প্রতিবছর আমার চেনা ১০-১২ জন ঘনিষ্ঠ বান্ধবীকে মুখস্থ করে একটি বার্তা লিখে পাঠাই। খুব ছোট। কিন্তু তাদের নাম দিয়ে শুরু করি, তারপর লিখি “আমাদের পুরনো সেই ঈদের স্মৃতি মনে পড়ে?” আমি চাই, তারা যেন অনুভব করে যে আমি সত্যিই তাদের জন্য চিন্তা করেছি, ভেবেছি।’

ঈদের কোলাকুলি

ঈদের প্রকৃত আনন্দই হলো সম্পর্কের টানাপোড়েন ভুলে ঘনিষ্ঠ হওয়া। বন্ধু, আত্মীয়, সহকর্মী- সবার সঙ্গে একটু আন্তরিক হওয়ার এটাই তো সুযোগ। আর সেটা কি সম্ভব কপি-পেস্ট করা ‘ফরওয়ার্ডেড মেসেজে’? বিজ্ঞাপনী জগতের একটা কথা মনে পড়ে- ‘সস্তা জিনিসের দাম বেশি পরে।’ হয়তো সঞ্চয় করা সময়ের বিনিময়ে আমরা হারাচ্ছি আন্তরিকতা, সম্পর্কের বিশ্বাস আর ভালোবাসা।

অনেকেই বলবেন, ‘আমরা তো কম সময়ে বেশি মানুষকে শুভেচ্ছা জানাতে পারছি, এটাও কি ভালো না?’ উত্তরে বলা যায়, এক হাজার মানুষকে তালিকা করে ‘আপনাকে অনেক শুভেচ্ছা’ জানানোর চেয়ে, দশজন প্রিয় মানুষকে সরাসরি ফোন করে, ‘শোন, কেমন আছিস?’- এটাই আসল সম্পর্কের টান ধরে রাখে।

তাই এবারের ঈদে একটু ভিন্নভাবে ভাবার সময় এসেছে। ফোনের কন্টাক্ট লিস্টে চোখ বুলিয়ে দেখুন, কে সত্যিই আপনার ‘বিশেষ’। তাদের মেসেজ করতে বসুন। 

আপনার নিজের ভাষায়, নিজের আবেগে লিখুন- ‘তোমার কথা মনে পড়ছে’, ‘আশা করি ভালো আছো’, ‘আমার পক্ষ থেকে অনেক ভালোবাসা রইলো’। কিংবা আরও ভালো, ডায়াল করুন সেই নম্বর। কণ্ঠে শুনুন ঈদের উষ্ণতা। আর ‘ফরওয়ার্ডেড’ লেখাটা হয়তো তখন আর থাকবে না। থাকবে শুধু আন্তরিকতার ছোঁয়া। 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬


‘ফরওয়ার্ডেড মেসেজের’ ভিড়ে হারাচ্ছে ঈদের আন্তরিকতা

প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬

featured Image

চাঁদরাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে শেষবার ফোন চেক করেন তরুণ চাকরিজীবী সোহান। ১২৭টি মেসেজ। সবগুলো আনরিড। উৎসুক হয়ে ক্লিক করেন। একের পর এক- ‘ঈদ শুভেচ্ছা’, ‘সবাইকে ঈদ মোবারক’- ছবি, অ্যানিমেশন, স্টিকার আছে। সঙ্গেঙ মিল আছে আরও একটি জিনিসে। প্রতিটি মেসেজের ওপর লেখা ছোট্ট করে ‘Forwarded many times’ বা ‘Forwarded’.

সোহান হাসিমুখে ফোন রাখেন। ‘সত্যি কথা বলতে ওই মেসেজগুলো দেখে মন ভরে না আর। কাউকে কোনো সম্মান দেওয়ার চেষ্টাই মনে হয় না। যেন শুধু আনুষ্ঠানিকতা মিটানো।

প্রযুক্তির এই যুগে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় হয়তো অনেক সহজ হয়েছে। কিন্তু সেই মেসেজের ভেতরে আন্তরিকতা কি সত্যি আছে? নাকি দিন দিন আমরা হারিয়ে ফেলছি সম্পর্কগুলোকে জিইয়ে রাখার আন্তরিকতা?

ঈদের আনন্দ সবার।

শুধু সোহানের গল্প না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক বললেন, গেল ঈদে তার ফোনের কন্টাক্ট লিস্ট থেকে প্রায় দুইশর ওপরে মানুষকে একই মেসেজ ফরওয়ার্ড করেছিলেন। পরে ভেবেছেন, সেসব মানুষের মধ্যে কারও নামই উল্লেখ করেননি। ব্যক্তিগতভাবে কাউকে কিছু বলেননি। প্রশ্ন উঠেছে তার মধ্যে, ম্যাসেজ পেয়ে তারা কীভাবে অনুভব করবে যে তিনি সত্যি সত্যিই তাদের ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে চেয়েছেন?’

মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, বারবার ‘ফরওয়ার্ডেড’ দেখা মেসেজ মানুষের অবচেতন মনে এক প্রকার অবমূল্যায়নের জন্ম দেয়। যখন কেউ বুঝতে পারেন যে তিনি কেবল একটি তালিকার অংশ, যে বার্তাটি ৫০ জনের মতো তিনিও পেয়েছেন- তখন ‘বিশেষ’ থাকার আবেগটি নষ্ট হয়ে যায়।

‘আমি প্রেরকের কাছে বিশেষ কেউ নই’- এই চিন্তা কখনো কখনো সম্পর্কের ভিতের গোড়ায় কাঁপন ধরায়। এর চেয়ে ‘নাম উল্লেখ করে একটি সাধারণ “ঈদ মোবারক, ভালো থেকো” মেসেজ হাজারো গুগলের সুন্দর বানানো মেসেজের চেয়ে বেশি মূল্যবান। 

বেশ কয়েক বছর আগে এক ঈদে ব্যবসায়ী খালেদ হোসেন ২০০টি মেসেজ ফরওয়ার্ড করেন স্মার্টফোন থেকে। সেদিন বিকেলে তার বাবা ফোন করেন। কণ্ঠে ছিল ভীষণ বিষণ্ণতা, ‘তুই কি আর আমাদের কথা ভুলেই গেছিস রে বাবা? ঈদের সকালেও তোর পক্ষে একটা ফোন করা হলো না?’

খালেদ হঠাৎ বুঝতে পারেন, মেসেজের ভিড়ে তিনি বাবা-মাকে ভুলেই গেছেন। এতগুলো ফরওয়ার্ডেড মেসেজের কোনো মূল্য নেই, যদি প্রিয় মানুষের কাছে সরাসরি পৌঁছানো না যায়। ওই ঘটনার পর থেকে প্রতি ঈদে কয়েক ডজন না হয়, তবে যারা তার সত্যিকারের প্রিয়, তাদের প্রত্যেককে তিনি সরাসরি ফোন করেন। কখনো ভিডিও কল। ‘

একটা ছোট্ট ফোন কল, ওপাশ থেকে কণ্ঠস্বর আসা- “কেমন আছো?”- এই সামান্য কথাটাই কিন্তু পৃথিবীর সব সুন্দর মেসেজের চেয়ে বেশি সুন্দর।

মনোবিজ্ঞানের ভাষায়, কণ্ঠস্বর মানুষের মস্তিষ্কে অক্সিটোসিন হরমোন নিঃসরণ করে। এটাকে ‘লাভ হরমোন’ বা ‘কুডল হরমোন’ বলা হয়। এটি পারস্পরিক বিশ্বাস ও সম্পর্কের উষ্ণতা বাড়ায়, মানসিক চাপ কমায়। অথচ একটি কপি-পেস্ট করা টেক্সট মেসেজে এই হরমোন নিঃসরণের ক্ষমতা নেই বললেই চলে।

কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়- কবে শেষবার আমরা আমাদের প্রিয় কাউকে ‘শুধু শুভেচ্ছা জানাতে’ সরাসরি ফোন করেছি? উত্তর খুবই কষ্টদায়ক।

সোশ্যাল মিডিয়ার লাইক আর কমেন্টের দুনিয়ায় আমরা হাজার মানুষের সঙ্গে যুক্ত, অথচ দিনশেষে ভীষণ একাকি। ঈদের মতো উৎসবগুলিতে যখন সরাসরি মানুষের সঙ্গে দেখা না করে, কথা না বলে কেবল স্ক্রিনে টাইপ করি, তখন আমাদের সামাজিক বন্ধনগুলো সাময়িক, এমনকি ভাসা ভাসা হয়ে পড়ে।

ডিজিটাল মার্কেটিং কোম্পানি ‘উইআরসোশ্যাল’-এর একটি জরিপ বলছে, প্রতি ঈদে বাংলাদেশে গড়ে ১৫ কোটির বেশি শুভেচ্ছা বার্তা আদান-প্রদান হয় মোবাইল মেসেজিং অ্যাপে। তার মধ্যে ৯০ শতাংশই ‘ফরওয়ার্ডেড’। মাত্র ৩ শতাংশ মানুষ তাদের প্রিয়জনের জন্য ব্যক্তিগত (পারসোনালাইজড) মেসেজ লেখেন। আর সরাসরি ফোনকলের সংখ্যা হয়তো আরও নগণ্য।

বেসরকারি অফিসের চাকরিজীবী রানা হাসান বলেন, ‘আমি প্রতিবছর আমার চেনা ১০-১২ জন ঘনিষ্ঠ বান্ধবীকে মুখস্থ করে একটি বার্তা লিখে পাঠাই। খুব ছোট। কিন্তু তাদের নাম দিয়ে শুরু করি, তারপর লিখি “আমাদের পুরনো সেই ঈদের স্মৃতি মনে পড়ে?” আমি চাই, তারা যেন অনুভব করে যে আমি সত্যিই তাদের জন্য চিন্তা করেছি, ভেবেছি।’

ঈদের কোলাকুলি

ঈদের প্রকৃত আনন্দই হলো সম্পর্কের টানাপোড়েন ভুলে ঘনিষ্ঠ হওয়া। বন্ধু, আত্মীয়, সহকর্মী- সবার সঙ্গে একটু আন্তরিক হওয়ার এটাই তো সুযোগ। আর সেটা কি সম্ভব কপি-পেস্ট করা ‘ফরওয়ার্ডেড মেসেজে’? বিজ্ঞাপনী জগতের একটা কথা মনে পড়ে- ‘সস্তা জিনিসের দাম বেশি পরে।’ হয়তো সঞ্চয় করা সময়ের বিনিময়ে আমরা হারাচ্ছি আন্তরিকতা, সম্পর্কের বিশ্বাস আর ভালোবাসা।

অনেকেই বলবেন, ‘আমরা তো কম সময়ে বেশি মানুষকে শুভেচ্ছা জানাতে পারছি, এটাও কি ভালো না?’ উত্তরে বলা যায়, এক হাজার মানুষকে তালিকা করে ‘আপনাকে অনেক শুভেচ্ছা’ জানানোর চেয়ে, দশজন প্রিয় মানুষকে সরাসরি ফোন করে, ‘শোন, কেমন আছিস?’- এটাই আসল সম্পর্কের টান ধরে রাখে।

তাই এবারের ঈদে একটু ভিন্নভাবে ভাবার সময় এসেছে। ফোনের কন্টাক্ট লিস্টে চোখ বুলিয়ে দেখুন, কে সত্যিই আপনার ‘বিশেষ’। তাদের মেসেজ করতে বসুন। 

আপনার নিজের ভাষায়, নিজের আবেগে লিখুন- ‘তোমার কথা মনে পড়ছে’, ‘আশা করি ভালো আছো’, ‘আমার পক্ষ থেকে অনেক ভালোবাসা রইলো’। কিংবা আরও ভালো, ডায়াল করুন সেই নম্বর। কণ্ঠে শুনুন ঈদের উষ্ণতা। আর ‘ফরওয়ার্ডেড’ লেখাটা হয়তো তখন আর থাকবে না। থাকবে শুধু আন্তরিকতার ছোঁয়া। 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত