নাটোরে পৃথক দুটি স্থানে মহাসড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচির কারণে ঈদযাত্রায় ঘরমুখী মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। বুধবার (২৭ মে) দুপুরে শহরের হয়বতপুর ও একডালা এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে। অবরোধের কারণে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস ও ব্যক্তিগত গাড়িতে থাকা যাত্রীরা দীর্ঘ সময় আটকে পড়েন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শহরের হয়বতপুর এলাকায় বিএনপি কর্মী মিজানের ওপর হামলার বিচার এবং হামলাকারীদের দল থেকে বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা। বিক্ষোভ চলাকালে তারা নাটোর-ঢাকা মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করেন। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এই অবরোধে মহাসড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। ঈদকে সামনে রেখে বাড়ি ফেরা যাত্রীরা এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন।
অবরোধ চলাকালে অনেক যাত্রীকে গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যে রওনা হতে দেখা যায়। এ ছাড়া কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি পণ্যবাহী যানবাহনও যানজটে আটকে থাকে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
অপরদিকে দুপুর একটার দিকে শহরের একডালা এলাকায় মাদক ব্যবসা ও সেবনের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ সময় তারা নাটোর-রাজশাহী মহাসড়ক প্রায় ২০ মিনিট অবরোধ করে রাখেন। এতে ওই সড়কেও যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
ঢাকা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী বাসযাত্রী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘ঈদের আগে এমনিতেই সড়কে গাড়ির চাপ বেশি। তার মধ্যে হঠাৎ অবরোধের কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয়েছে। ছোট শিশু ও নারী যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছেন।’
জানতে চাইলে নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনসুর রহমান বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরোধ তুলে দেয়। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে পুলিশ তৎপর ছিল এবং বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে তার দাবি, অবরোধ ১০ থেকে ১৫ মিনিটের বেশি স্থায়ী হয়নি।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬
নাটোরে পৃথক দুটি স্থানে মহাসড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ কর্মসূচির কারণে ঈদযাত্রায় ঘরমুখী মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। বুধবার (২৭ মে) দুপুরে শহরের হয়বতপুর ও একডালা এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে। অবরোধের কারণে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস ও ব্যক্তিগত গাড়িতে থাকা যাত্রীরা দীর্ঘ সময় আটকে পড়েন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শহরের হয়বতপুর এলাকায় বিএনপি কর্মী মিজানের ওপর হামলার বিচার এবং হামলাকারীদের দল থেকে বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা। বিক্ষোভ চলাকালে তারা নাটোর-ঢাকা মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করেন। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এই অবরোধে মহাসড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। ঈদকে সামনে রেখে বাড়ি ফেরা যাত্রীরা এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন।
অবরোধ চলাকালে অনেক যাত্রীকে গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যে রওনা হতে দেখা যায়। এ ছাড়া কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি পণ্যবাহী যানবাহনও যানজটে আটকে থাকে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
অপরদিকে দুপুর একটার দিকে শহরের একডালা এলাকায় মাদক ব্যবসা ও সেবনের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ সময় তারা নাটোর-রাজশাহী মহাসড়ক প্রায় ২০ মিনিট অবরোধ করে রাখেন। এতে ওই সড়কেও যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
ঢাকা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী বাসযাত্রী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘ঈদের আগে এমনিতেই সড়কে গাড়ির চাপ বেশি। তার মধ্যে হঠাৎ অবরোধের কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয়েছে। ছোট শিশু ও নারী যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছেন।’
জানতে চাইলে নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনসুর রহমান বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরোধ তুলে দেয়। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে পুলিশ তৎপর ছিল এবং বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে তার দাবি, অবরোধ ১০ থেকে ১৫ মিনিটের বেশি স্থায়ী হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন