কালবৈশাখী ঝড় ও ভারী বৃষ্টিতে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) বিতরণ ব্যবস্থা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ঝড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন ছিঁড়ে যাওয়া, গাছ উপড়ে বিদ্যুতের তারের ওপর পড়া, খুঁটি হেলে যাওয়া এবং বিভিন্ন উপকেন্দ্রে কারিগরি ত্রুটির কারণে দেশের অনেক বেশি জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়। কোথাও কোথাও দিনভর, আবার অনেক এলাকায় রাত পর্যন্ত বিদ্যুৎ ছিল না। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন গ্রাহকরা।
আরইবি সূত্র বলছে, ২৬ মে দিনভর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একের পর এক ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির কারণে পল্লী বিদ্যুতের বিতরণ নেটওয়ার্কে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দেয়। বিশেষ করে মধ্যাঞ্চল, উত্তরাঞ্চল, উপকূলীয় এলাকা এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ছিল বেশি।
বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (পিবিএস)-২, নারায়ণগঞ্জ পিবিএস-২, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ পিবিএস-১, ২ ও ৩ এবং গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকা।
ঝড়ের তীব্রতায় অনেক স্থানে সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনে ত্রুটি দেখা দেয়। শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোণা, কক্সবাজার, ফেনী, নোয়াখালী পিবিএস-১ ও ২, লক্ষ্মীপুর এবং চট্টগ্রাম পিবিএস-৩ এলাকায়ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়।
কুমিল্লার চারটি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকায় পরিস্থিতি ছিল জটিল। ঝড়ে একাধিক লাইনে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় অনেক গ্রাহক দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎবিহীন ছিলেন। শরীয়তপুর ও মাদারীপুরেও বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়েছে।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কুষ্টিয়া পিবিএস-১ ও ২, যশোর পিবিএস-১ ও ২, মাগুরা, খুলনা, সাতক্ষীরা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ ও বাগেরহাট এলাকায় ঝড়ের কারণে বিতরণ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বহু এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে লাইন মেরামতের কাজ শুরু করতে হয়।
বরিশাল পিবিএস-১ ও ২, পটুয়াখালী, পিরোজপুর ও ঝালকাঠির বিভিন্ন এলাকা দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল।
বিআরইবি কর্মকর্তারা বলছেন, এটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ঘাটতির কারণে সৃষ্ট লোডশেডিং নয়। ঝড়-বৃষ্টির কারণে স্থানীয় বিতরণ লাইনে যেসব ত্রুটি তৈরি হয়েছে, সেগুলোর কারণেই সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখতে হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মাঠপর্যায়ে প্রকৌশলী ও কারিগরি দল রাতভর কাজ করেছে।

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মে ২০২৬
কালবৈশাখী ঝড় ও ভারী বৃষ্টিতে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) বিতরণ ব্যবস্থা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ঝড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন ছিঁড়ে যাওয়া, গাছ উপড়ে বিদ্যুতের তারের ওপর পড়া, খুঁটি হেলে যাওয়া এবং বিভিন্ন উপকেন্দ্রে কারিগরি ত্রুটির কারণে দেশের অনেক বেশি জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়। কোথাও কোথাও দিনভর, আবার অনেক এলাকায় রাত পর্যন্ত বিদ্যুৎ ছিল না। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন গ্রাহকরা।
আরইবি সূত্র বলছে, ২৬ মে দিনভর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একের পর এক ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির কারণে পল্লী বিদ্যুতের বিতরণ নেটওয়ার্কে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দেয়। বিশেষ করে মধ্যাঞ্চল, উত্তরাঞ্চল, উপকূলীয় এলাকা এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ছিল বেশি।
বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (পিবিএস)-২, নারায়ণগঞ্জ পিবিএস-২, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ পিবিএস-১, ২ ও ৩ এবং গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকা।
ঝড়ের তীব্রতায় অনেক স্থানে সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনে ত্রুটি দেখা দেয়। শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোণা, কক্সবাজার, ফেনী, নোয়াখালী পিবিএস-১ ও ২, লক্ষ্মীপুর এবং চট্টগ্রাম পিবিএস-৩ এলাকায়ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়।
কুমিল্লার চারটি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন এলাকায় পরিস্থিতি ছিল জটিল। ঝড়ে একাধিক লাইনে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় অনেক গ্রাহক দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎবিহীন ছিলেন। শরীয়তপুর ও মাদারীপুরেও বিদ্যুৎ বিভ্রাট হয়েছে।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কুষ্টিয়া পিবিএস-১ ও ২, যশোর পিবিএস-১ ও ২, মাগুরা, খুলনা, সাতক্ষীরা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ ও বাগেরহাট এলাকায় ঝড়ের কারণে বিতরণ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বহু এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে লাইন মেরামতের কাজ শুরু করতে হয়।
বরিশাল পিবিএস-১ ও ২, পটুয়াখালী, পিরোজপুর ও ঝালকাঠির বিভিন্ন এলাকা দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল।
বিআরইবি কর্মকর্তারা বলছেন, এটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ঘাটতির কারণে সৃষ্ট লোডশেডিং নয়। ঝড়-বৃষ্টির কারণে স্থানীয় বিতরণ লাইনে যেসব ত্রুটি তৈরি হয়েছে, সেগুলোর কারণেই সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখতে হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মাঠপর্যায়ে প্রকৌশলী ও কারিগরি দল রাতভর কাজ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন