রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে গত বুধবার ভোরে পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। এক থেকে তিন দিন বয়সী এই শিশুরা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এই ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
একসঙ্গে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। কী কারণে এই মৃত্যু ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তদন্ত চলছে। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার সময় বাড়ানো হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করাই সমীচীন। তবে ঘটনাটি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। দেশের হাসপাতালগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার নিয়মিত পর্যালোচনা কতটা কার্যকরভাবে হচ্ছে সেটা একটা প্রশ্ন। বিশেষ করে নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট, অপারেশন-পরবর্তী ওয়ার্ড এবং নবজাতক সেবাকেন্দ্রের মতো সংবেদনশীল বিভাগে কারিগরি মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করা প্রয়োজন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, এটি স্বাভাবিক পদক্ষেপ। দেশে এর আগেও হাসপাতালে আগুন, বিস্ফোরণ বা যান্ত্রিক ত্রুটিতে রোগীর মৃত্যু হয়েছে। প্রতিবারই তদন্ত কমিটি হয়েছে। দায়ীদের দৃশ্যমান শাস্তির নজির কমই আছে।
আমরা বলতে চাই, ছয় নবজাতক মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত যেন স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হয়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন করা গেলে শুধু দায় নির্ধারণই সম্ভব হবে না, ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকানোর পথও তৈরি হবে।
আদ-দ্বীন হাসপাতালে নবজাতক মৃত্যুর ঘটনা সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার জন্যও সতর্কবার্তা। সরকারি ও বেসরকারি সব হাসপাতালের অবকাঠামো, ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা, অগ্নিনিরাপত্তা, বৈদ্যুতিক সংযোগ এবং যন্ত্রপাতির রক্ষণাবেক্ষণ নিয়মিত নিরীক্ষার আওতায় আনা দরকার। পাশাপাশি হাসপাতালগুলোর জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেয়ার সক্ষমতা আছে কি না সেটা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালে গত বুধবার ভোরে পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। এক থেকে তিন দিন বয়সী এই শিশুরা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এই ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
একসঙ্গে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। কী কারণে এই মৃত্যু ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তদন্ত চলছে। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার সময় বাড়ানো হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করাই সমীচীন। তবে ঘটনাটি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। দেশের হাসপাতালগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার নিয়মিত পর্যালোচনা কতটা কার্যকরভাবে হচ্ছে সেটা একটা প্রশ্ন। বিশেষ করে নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট, অপারেশন-পরবর্তী ওয়ার্ড এবং নবজাতক সেবাকেন্দ্রের মতো সংবেদনশীল বিভাগে কারিগরি মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করা প্রয়োজন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, এটি স্বাভাবিক পদক্ষেপ। দেশে এর আগেও হাসপাতালে আগুন, বিস্ফোরণ বা যান্ত্রিক ত্রুটিতে রোগীর মৃত্যু হয়েছে। প্রতিবারই তদন্ত কমিটি হয়েছে। দায়ীদের দৃশ্যমান শাস্তির নজির কমই আছে।
আমরা বলতে চাই, ছয় নবজাতক মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত যেন স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হয়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন করা গেলে শুধু দায় নির্ধারণই সম্ভব হবে না, ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকানোর পথও তৈরি হবে।
আদ-দ্বীন হাসপাতালে নবজাতক মৃত্যুর ঘটনা সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার জন্যও সতর্কবার্তা। সরকারি ও বেসরকারি সব হাসপাতালের অবকাঠামো, ভেন্টিলেশন ব্যবস্থা, অগ্নিনিরাপত্তা, বৈদ্যুতিক সংযোগ এবং যন্ত্রপাতির রক্ষণাবেক্ষণ নিয়মিত নিরীক্ষার আওতায় আনা দরকার। পাশাপাশি হাসপাতালগুলোর জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেয়ার সক্ষমতা আছে কি না সেটা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন