সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকের সংকট গভীর আকার ধারণ করেছে। ১৮৫টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ১১২টিতে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নেই। অধিকাংশ বিদ্যালয়ই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের ওপর নির্ভরশীল। এ অবস্থা প্রশাসনিক কাজ, পাঠদান তদারকি এবং সামগ্রিক শিক্ষার মানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
অবসর, পদোন্নতি, বদলি, নতুন নিয়োগ না হওয়ায় এ সংকট তৈরি হয়েছে। প্রশাসনিক দায়িত্ব ও শ্রেণিকক্ষে পড়ানোর চাপ সামলাতে হচ্ছে সহকারী শিক্ষকদেরকে। ফলে অনেক বিদ্যালয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম ধীরগতির হয়ে পড়েছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয় একটি শিশুর শিক্ষাজীবনের ভিত্তি তৈরি করে। এই স্তরে শুধু পাঠদান নয়, বিদ্যালয়ের সুষ্ঠু পরিচালনা, শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা, শিক্ষক-অভিভাবকের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও প্রধান শিক্ষকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে এতগুলো বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকা উদ্বেগের বিষয়।
বিদ্যালয়ের নেতৃত্ব শক্তিশালী না হলে শিক্ষার কাঙ্ক্ষিত মান অর্জন কঠিন হবে। তাই প্রাথমিক শিক্ষার স্বার্থে প্রধান শিক্ষক সংকট দূর করা উচিত। উক্ত বিদ্যালয়গুলোতে দ্রুত শূন্য পদ পূরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এমনটাই আমরা দেখতে চাই। যেখানে পদোন্নতির সুযোগ রয়েছে, সেখানে তা দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। নতুন নিয়োগের প্রয়োজন হলে সেটাও দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনাকাঙ্ষিপ ত বিলম্ব কাম্য নয়।

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকের সংকট গভীর আকার ধারণ করেছে। ১৮৫টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ১১২টিতে স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নেই। অধিকাংশ বিদ্যালয়ই ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের ওপর নির্ভরশীল। এ অবস্থা প্রশাসনিক কাজ, পাঠদান তদারকি এবং সামগ্রিক শিক্ষার মানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
অবসর, পদোন্নতি, বদলি, নতুন নিয়োগ না হওয়ায় এ সংকট তৈরি হয়েছে। প্রশাসনিক দায়িত্ব ও শ্রেণিকক্ষে পড়ানোর চাপ সামলাতে হচ্ছে সহকারী শিক্ষকদেরকে। ফলে অনেক বিদ্যালয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম ধীরগতির হয়ে পড়েছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয় একটি শিশুর শিক্ষাজীবনের ভিত্তি তৈরি করে। এই স্তরে শুধু পাঠদান নয়, বিদ্যালয়ের সুষ্ঠু পরিচালনা, শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা, শিক্ষক-অভিভাবকের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও প্রধান শিক্ষকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে এতগুলো বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক না থাকা উদ্বেগের বিষয়।
বিদ্যালয়ের নেতৃত্ব শক্তিশালী না হলে শিক্ষার কাঙ্ক্ষিত মান অর্জন কঠিন হবে। তাই প্রাথমিক শিক্ষার স্বার্থে প্রধান শিক্ষক সংকট দূর করা উচিত। উক্ত বিদ্যালয়গুলোতে দ্রুত শূন্য পদ পূরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এমনটাই আমরা দেখতে চাই। যেখানে পদোন্নতির সুযোগ রয়েছে, সেখানে তা দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। নতুন নিয়োগের প্রয়োজন হলে সেটাও দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনাকাঙ্ষিপ ত বিলম্ব কাম্য নয়।

আপনার মতামত লিখুন