সংবাদ

আমের বাজারে কেজি পদ্ধতি কার্যকর করা জরুরি


প্রকাশ: ৬ জুলাই ২০২৬, ০২:০৬ পিএম

আমের বাজারে কেজি পদ্ধতি কার্যকর করা জরুরি

নওগাঁর সাপাহার আমের হাটে সমস্যায় পড়েছেন চাষিরা। প্রশাসন কেজি হিসেবে আম কেনাবেচার নির্দেশ দিলেও বাজারে এখনও ৫০-৫২ কেজিকে এক মণ ধরে আম কেনা হচ্ছে। ফলে চাষিদের প্রতি মণে ১০-১২ কেজি আম বিনামূল্যে দিতে হচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। 

চাষিদের অভিযোগ, এই প্রথার কারণে তাদের উৎপাদন খরচ তোলাই কষ্ট হচ্ছে। অনেক চাষি জানিয়েছেন, দাম কম এবং অতিরিক্ত ওজন দেওয়ার কারণে তাদের লোকসান হচ্ছে। ফলন কম, উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ার কারণে অতিরিক্ত ওজনের বোঝা তাদের জন্য আরও চাপ তৈরি করছে। 

ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশের অন্যান্য বড় মোকামে একই প্রথা চালু থাকায় তারা আলাদা নিয়ম মানতে পারছেন না। এটিও একটি বাস্তব সমস্যা। 

প্রশাসন একটি নির্দেশনা দিয়েছে কিন্তু বাস্তবে তার প্রয়োগ নেই। সরকার যদি কেজি ভিত্তিক কেনাবেচা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে, তাহলে সেটি সারাদেশে একযোগে বাস্তবায়ন করা উচিত। শুধু একটি হাটে নয়, সব প্রধান আমের মোকামে একই নিয়ম চালু করতে হবে। এতে চাষি এবং ব্যবসায়ী উভয় পক্ষই ন্যায্য সুবিধা পাবেন। 

আম চাষ দেশের কৃষি অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নওগাঁসহ বিভিন্ন জেলায় লাখ লাখ টন আম উৎপাদিত হয়। চাষিরা যদি ন্যায্য দাম না পান, তাহলে অনেকেই ভবিষ্যতে আম চাষে আগ্রহ হারাবেন। এতে দীর্ঘমেয়াদে আমের উৎপাদন কমতে পারে। 

প্রশাসনের উচিত নিয়মিত বাজার মনিটরিং জোরদার করা, অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া। চাষি ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে টেকসই সমাধানের পথ খুঁজে বের করা দরকার। সবাই আন্তরিক হলে আমের বাজারে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬


আমের বাজারে কেজি পদ্ধতি কার্যকর করা জরুরি

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬

featured Image

নওগাঁর সাপাহার আমের হাটে সমস্যায় পড়েছেন চাষিরা। প্রশাসন কেজি হিসেবে আম কেনাবেচার নির্দেশ দিলেও বাজারে এখনও ৫০-৫২ কেজিকে এক মণ ধরে আম কেনা হচ্ছে। ফলে চাষিদের প্রতি মণে ১০-১২ কেজি আম বিনামূল্যে দিতে হচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। 

চাষিদের অভিযোগ, এই প্রথার কারণে তাদের উৎপাদন খরচ তোলাই কষ্ট হচ্ছে। অনেক চাষি জানিয়েছেন, দাম কম এবং অতিরিক্ত ওজন দেওয়ার কারণে তাদের লোকসান হচ্ছে। ফলন কম, উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ার কারণে অতিরিক্ত ওজনের বোঝা তাদের জন্য আরও চাপ তৈরি করছে। 

ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশের অন্যান্য বড় মোকামে একই প্রথা চালু থাকায় তারা আলাদা নিয়ম মানতে পারছেন না। এটিও একটি বাস্তব সমস্যা। 

প্রশাসন একটি নির্দেশনা দিয়েছে কিন্তু বাস্তবে তার প্রয়োগ নেই। সরকার যদি কেজি ভিত্তিক কেনাবেচা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে, তাহলে সেটি সারাদেশে একযোগে বাস্তবায়ন করা উচিত। শুধু একটি হাটে নয়, সব প্রধান আমের মোকামে একই নিয়ম চালু করতে হবে। এতে চাষি এবং ব্যবসায়ী উভয় পক্ষই ন্যায্য সুবিধা পাবেন। 

আম চাষ দেশের কৃষি অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নওগাঁসহ বিভিন্ন জেলায় লাখ লাখ টন আম উৎপাদিত হয়। চাষিরা যদি ন্যায্য দাম না পান, তাহলে অনেকেই ভবিষ্যতে আম চাষে আগ্রহ হারাবেন। এতে দীর্ঘমেয়াদে আমের উৎপাদন কমতে পারে। 

প্রশাসনের উচিত নিয়মিত বাজার মনিটরিং জোরদার করা, অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া। চাষি ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে টেকসই সমাধানের পথ খুঁজে বের করা দরকার। সবাই আন্তরিক হলে আমের বাজারে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত