বাগেরহাটে হযরত খান জাহান আলীর (র.) মাজার দিঘিতে কুমিরের আক্রমণে শিশু ফাতেমা নিহত হওয়ার পর জননিরাপত্তার স্বার্থে সেখান থেকে কুমির সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনের সভাপতিত্বে ওই সভায় স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বন বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস, মাজারের খাদেম ও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সোমবার (১ জুন) রাতে মাজারের দিঘির পাড় থেকে ৮ বছরের শিশু ফাতেমাকে টেনে নিয়ে যায় কুমির। মঙ্গলবার ভোরে দিঘিতে তার লাশ ভেসে ওঠে। এর আগে গত এপ্রিলে দিঘির কুমিরটি একটি কুকুরকে টেনে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত হয়েছিল। তখনই লোকালয়ের এই দিঘিতে কুমির রাখা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
মাজারের খাদেমরা জানান, দিঘিতে বর্তমানে থাকা একমাত্র নারী কুমিরটি খান জাহান আলীর আমলের সেই কুমিরের বংশধর নয়। সভায় কুমিরকে কেন্দ্র করে মাজার এলাকায় তাবিজ বিক্রি ও অর্থ আদায়ের মতো অনিয়ম নিয়েও আলোচনা হয়।
জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, ‘সাম্প্রতিক ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হওয়ায় মানুষের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়া হবে। বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এটি বন বিভাগের হেফাজতে থাকবে।’
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, কুমির স্থানান্তরের বিষয়ে খুলনা থেকে বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের একটি দল আসছে। তারা কুমিরের আচরণ ও অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে কারিগরি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
বাগেরহাটে হযরত খান জাহান আলীর (র.) মাজার দিঘিতে কুমিরের আক্রমণে শিশু ফাতেমা নিহত হওয়ার পর জননিরাপত্তার স্বার্থে সেখান থেকে কুমির সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনের সভাপতিত্বে ওই সভায় স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বন বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস, মাজারের খাদেম ও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সোমবার (১ জুন) রাতে মাজারের দিঘির পাড় থেকে ৮ বছরের শিশু ফাতেমাকে টেনে নিয়ে যায় কুমির। মঙ্গলবার ভোরে দিঘিতে তার লাশ ভেসে ওঠে। এর আগে গত এপ্রিলে দিঘির কুমিরটি একটি কুকুরকে টেনে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত হয়েছিল। তখনই লোকালয়ের এই দিঘিতে কুমির রাখা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
মাজারের খাদেমরা জানান, দিঘিতে বর্তমানে থাকা একমাত্র নারী কুমিরটি খান জাহান আলীর আমলের সেই কুমিরের বংশধর নয়। সভায় কুমিরকে কেন্দ্র করে মাজার এলাকায় তাবিজ বিক্রি ও অর্থ আদায়ের মতো অনিয়ম নিয়েও আলোচনা হয়।
জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, ‘সাম্প্রতিক ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হওয়ায় মানুষের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়া হবে। বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এটি বন বিভাগের হেফাজতে থাকবে।’
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, কুমির স্থানান্তরের বিষয়ে খুলনা থেকে বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের একটি দল আসছে। তারা কুমিরের আচরণ ও অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে কারিগরি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

আপনার মতামত লিখুন