চট্টগ্রামের পটিয়া বাইপাস সড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ২ তরুণ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২ জুন) বেলা ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নাফিজ বিন ফারুকী (ফাহিম)। এর ১২ ঘণ্টা পর দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তার বন্ধু মো. ফাহিম।
নিহত নাফিজ বিন ফারুকীর বাড়ি রাউজান উপজেলার পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নে। অন্যজনও একই জেলার বাসিন্দা। তারা দুজনই ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ মে বন্ধুদের একটি দলের সঙ্গে বান্দরবানে বেড়াতে গিয়েছিলেন তারা। ওই দিনই ফেরার পথে পটিয়া বাইপাস সড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। একটি চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে পেছন থেকে তাদের মোটরসাইকেলটি সজোরে বাসের পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলে থাকা দুই বন্ধু গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে নাফিজকে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে ১০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে নাফিজ ও তার বন্ধু ফাহিম মারা যান।
নাফিজের মামা আয়াত উল্লাহ মুরাদ বলেন, ‘বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ করতে গিয়ে তারা লাশ হয়ে ফিরল। ১০ দিন ধরে হাসপাতালে লড়াই করেও তাদের বাঁচানো গেল না।’

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
চট্টগ্রামের পটিয়া বাইপাস সড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ২ তরুণ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২ জুন) বেলা ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নাফিজ বিন ফারুকী (ফাহিম)। এর ১২ ঘণ্টা পর দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তার বন্ধু মো. ফাহিম।
নিহত নাফিজ বিন ফারুকীর বাড়ি রাউজান উপজেলার পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নে। অন্যজনও একই জেলার বাসিন্দা। তারা দুজনই ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ মে বন্ধুদের একটি দলের সঙ্গে বান্দরবানে বেড়াতে গিয়েছিলেন তারা। ওই দিনই ফেরার পথে পটিয়া বাইপাস সড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। একটি চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে পেছন থেকে তাদের মোটরসাইকেলটি সজোরে বাসের পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলে থাকা দুই বন্ধু গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে নাফিজকে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে ১০ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে নাফিজ ও তার বন্ধু ফাহিম মারা যান।
নাফিজের মামা আয়াত উল্লাহ মুরাদ বলেন, ‘বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ করতে গিয়ে তারা লাশ হয়ে ফিরল। ১০ দিন ধরে হাসপাতালে লড়াই করেও তাদের বাঁচানো গেল না।’

আপনার মতামত লিখুন