কুয়েতের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক ভয়াবহ ড্রোন হামলায় চার বাংলাদেশি নাগরিক গুরুতর আহত হয়েছেন। পশ্চিম এশিয়ার চলমান আঞ্চলিক সংকটের জেরে কুয়েতের আকাশসীমাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। হামলায় বিভিন্ন দেশের কয়েকজন নাগরিক আহত হওয়ার পাশাপাশি একজন নিহত হয়েছেন।
গতকাল বুধবার (৩ জুন) কুয়েতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
দূতাবাস জানিয়েছে, ড্রোন হামলায় আহত চার বাংলাদেশিকে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় ফারওয়ানিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। আহত প্রবাসীদের শারীরিক অবস্থার অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশ দূতাবাস। একই সঙ্গে তাঁদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দিতে কুয়েতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
এই হামলার পর কুয়েত সরকার দেশজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা নির্দেশনা জারি করেছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী রকেট বা ড্রোন হামলা এবং তা প্রতিহত করার কোনো দৃশ্যের ছবি তোলা বা ভিডিও ধারণ করা কুয়েতের আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ।
এই আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে কোনো ধরনের ছবি বা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুক, টিকটক ইত্যাদি) প্রচার না করার জন্য বাংলাদেশি প্রবাসীদের কঠোরভাবে আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস।
দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, আকস্মিক এই হামলায় হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় কুয়েতের কেন্দ্রীয় ব্লাড ব্যাংকে (Central Blood Bank) রক্তের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এই জরুরি পরিস্থিতিতে রক্তদানে সক্ষম কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশিদের দ্রুত ব্লাড ব্যাংকে গিয়ে রক্ত দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি অন্য দেশি ভাইদেরও রক্তদানে উৎসাহিত করতে বলা হয়েছে।
"বর্তমান যুদ্ধাবস্থা ও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কুয়েতে বসবাসরত সকল প্রবাসী বাংলাদেশিকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে স্থানীয় প্রশাসনের সকল নির্দেশনা ও কুয়েতের আইন কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হলো।"

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
কুয়েতের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক ভয়াবহ ড্রোন হামলায় চার বাংলাদেশি নাগরিক গুরুতর আহত হয়েছেন। পশ্চিম এশিয়ার চলমান আঞ্চলিক সংকটের জেরে কুয়েতের আকাশসীমাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। হামলায় বিভিন্ন দেশের কয়েকজন নাগরিক আহত হওয়ার পাশাপাশি একজন নিহত হয়েছেন।
গতকাল বুধবার (৩ জুন) কুয়েতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
দূতাবাস জানিয়েছে, ড্রোন হামলায় আহত চার বাংলাদেশিকে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় ফারওয়ানিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। আহত প্রবাসীদের শারীরিক অবস্থার অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশ দূতাবাস। একই সঙ্গে তাঁদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দিতে কুয়েতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
এই হামলার পর কুয়েত সরকার দেশজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা নির্দেশনা জারি করেছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী রকেট বা ড্রোন হামলা এবং তা প্রতিহত করার কোনো দৃশ্যের ছবি তোলা বা ভিডিও ধারণ করা কুয়েতের আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ।
এই আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে কোনো ধরনের ছবি বা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুক, টিকটক ইত্যাদি) প্রচার না করার জন্য বাংলাদেশি প্রবাসীদের কঠোরভাবে আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস।
দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, আকস্মিক এই হামলায় হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় কুয়েতের কেন্দ্রীয় ব্লাড ব্যাংকে (Central Blood Bank) রক্তের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এই জরুরি পরিস্থিতিতে রক্তদানে সক্ষম কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশিদের দ্রুত ব্লাড ব্যাংকে গিয়ে রক্ত দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। পাশাপাশি অন্য দেশি ভাইদেরও রক্তদানে উৎসাহিত করতে বলা হয়েছে।
"বর্তমান যুদ্ধাবস্থা ও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কুয়েতে বসবাসরত সকল প্রবাসী বাংলাদেশিকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে স্থানীয় প্রশাসনের সকল নির্দেশনা ও কুয়েতের আইন কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হলো।"

আপনার মতামত লিখুন